মহেশখালীতে বন বিভাগের মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাতে গিয়ে এক ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) গভীর রাতে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সোলতানের নেতৃত্বে কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙ্গা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ জানায়, সোনাদিয়া দ্বীপে বনভূমি দখল ও প্যারাবন নিধনের ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় মামলার ৪ নম্বর আসামি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য সিদ্দিক রিমন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান। পরে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জালগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
এ ঘটনায় মহেশখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেলিম বাদী হয়ে ইউপি সদস্য সিদ্দিক রিমনকে প্রধান আসামি করে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত সিদ্দিক রিমন দীর্ঘদিন ধরে ফিশিং বোট ও তেল ব্যবসার আড়ালে মিয়ানমার থেকে অবৈধ কারেন্ট জাল এনে বিক্রি করে আসছিলেন এমন অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, কারেন্ট জালের ব্যবহার উপকূলীয় মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি। তারা এ ধরনের অবৈধ জাল উৎপাদন, সরবরাহ ও ব্যবহারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অভিযান ও নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
মহেশখালী থানার ওসি মো. আব্দুস সোলতান বলেন, “আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ কারেন্ট জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।”
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















