ঢাকা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামুতে ভোট কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে বিএনপি নেতা আটক ভোট প্রদান শেষে লুৎফুর রহমান কাজল- জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী কেন্দ্রে জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু আমরা সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে: নাহিদ ইসলাম ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে সৌহার্দ্য, জামায়াত আমির-বিএনপি প্রার্থীর আলিঙ্গন ভোট দিলেন তারেক রহমান ‘ ইতিহাসের বাঁক বদলানো শুরু’ – সালাহউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার -০৪: উখিয়া-টেকনাফের ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? কক্সবাজার -০৩: সদর-রামু-ঈদগাঁওর ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? কক্সবাজার-০২: মহেশখালী-কুতুবদিয়ায় ভোটার কতো,ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি কক্সবাজার ০১- : চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলায় ভোটার কতো, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র কয়টি? নির্বাচনকালীন সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কক্সবাজারে ক্র্যাকের ‘জরুরি সহায়তা সেল’ গঠন প্রার্থীরা কে কোথায় ভোট দেবেন? কোনো অবস্থাতেই নির্বাচনের মাঠ ছাড়বে না জামায়াত গুলশানে ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

টেকনাফে জালে ধরা পড়লো ১৯৪ কেজি ওজনের ভোল মাছ

টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপে টানা জালে ধরা পড়েছে ১৯৪ কেজি ওজনের একটি ভোল মাছ। রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে শাহপরীর দ্বীপ ঘোলার চর এলাকার নাফ নদে মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি শাহপরীর দ্বীপ কোনা পাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা কালু ফকিরের মালিকানাধীন টানা জালে ধরা পড়ে। স্থানীয় ভাষায় এটি ভোল মাছ নামে পরিচিত।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে শাহপরীর দ্বীপ ট্রলার মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হাসান বলেন, ‘সকালে শাহপরীর দ্বীপ ঘোলার চর এলাকার নাফ নদের মোহনায় জেলেরা টানা জাল ফেলে। ঘণ্টাখানেক পর জাল টানার চেষ্টা করে জেলেরা। এ সময় ছোট ছোট মাছের সঙ্গে এই বড় বোল মাছটি জালে আটকে যায়। পরে জেলেরা নাফ নদ থেকে বড় মাছটি রশি বেঁধে টেনে টেনে চরের ওপরে তুলে নিয়ে আসে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় মাছটি শাহ পরীর দ্বীপ জেটিঘাটে নেওয়া হয়। ওই সময় মাছটি দেখতে ভিড় জমান লোকজন।

শাহ পরীর দ্বীপ কোনা পাড়ার নৌকার মাঝি নুর মোহাম্মদ  জানান, জালে প্রথমবার ১৯৪ কেজি ওজনের বড় বোল মাছ আটকা পড়েছে। মাছটি শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাটে এনে মাছটির দাম হাঁকানো হয়েছিল তিন লাখ টাকা। পরে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী নুরুল আলমের কাছে দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে বিক্রি করেছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টেকনাফ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘শাহপরীর দ্বীপের এক জেলের জালে একটি বিশাল মাছ ধরার খবর শুনেছি। তবে শীত মৌসুমে ৫ থেকে ১৫ কেজি ওজন পর্যন্ত বোল মাছ জেলেদের জালে আটকা পড়ে।’

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সাগরের মাছ ধরার ওপর বিভিন্ন ধরনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে পালন হওয়ায় মাছগুলো বড় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। আবার বড় মাছ জেলেদের জালে আটকা পড়লে সবাই দেখে আনন্দ পান, তেমনি জেলেরা ভালো দাম পাচ্ছেন।’

এদিকে মাছটি বিক্রি করতে মাইকিং করছেন মাছ ব্যবসায়ী আবদুর শুক্কুর। তিনি বলেন, ‘নাফ নদে জেলেদের কাছ থেকে প্রায় ২০০ কেজি ওজনের বোল মাছ আড়াই লাখের বেশি দামে কেনা হয়েছে। সেটি বিক্রি করতে মাইকিং করা হচ্ছে। কমপক্ষে কেজি দেড় হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হবে।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রামুতে ভোট কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে বিএনপি নেতা আটক

This will close in 6 seconds

টেকনাফে জালে ধরা পড়লো ১৯৪ কেজি ওজনের ভোল মাছ

আপডেট সময় : ০১:১৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপে টানা জালে ধরা পড়েছে ১৯৪ কেজি ওজনের একটি ভোল মাছ। রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে শাহপরীর দ্বীপ ঘোলার চর এলাকার নাফ নদে মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি শাহপরীর দ্বীপ কোনা পাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা কালু ফকিরের মালিকানাধীন টানা জালে ধরা পড়ে। স্থানীয় ভাষায় এটি ভোল মাছ নামে পরিচিত।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে শাহপরীর দ্বীপ ট্রলার মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হাসান বলেন, ‘সকালে শাহপরীর দ্বীপ ঘোলার চর এলাকার নাফ নদের মোহনায় জেলেরা টানা জাল ফেলে। ঘণ্টাখানেক পর জাল টানার চেষ্টা করে জেলেরা। এ সময় ছোট ছোট মাছের সঙ্গে এই বড় বোল মাছটি জালে আটকে যায়। পরে জেলেরা নাফ নদ থেকে বড় মাছটি রশি বেঁধে টেনে টেনে চরের ওপরে তুলে নিয়ে আসে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় মাছটি শাহ পরীর দ্বীপ জেটিঘাটে নেওয়া হয়। ওই সময় মাছটি দেখতে ভিড় জমান লোকজন।

শাহ পরীর দ্বীপ কোনা পাড়ার নৌকার মাঝি নুর মোহাম্মদ  জানান, জালে প্রথমবার ১৯৪ কেজি ওজনের বড় বোল মাছ আটকা পড়েছে। মাছটি শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাটে এনে মাছটির দাম হাঁকানো হয়েছিল তিন লাখ টাকা। পরে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী নুরুল আলমের কাছে দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে বিক্রি করেছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টেকনাফ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘শাহপরীর দ্বীপের এক জেলের জালে একটি বিশাল মাছ ধরার খবর শুনেছি। তবে শীত মৌসুমে ৫ থেকে ১৫ কেজি ওজন পর্যন্ত বোল মাছ জেলেদের জালে আটকা পড়ে।’

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সাগরের মাছ ধরার ওপর বিভিন্ন ধরনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে পালন হওয়ায় মাছগুলো বড় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। আবার বড় মাছ জেলেদের জালে আটকা পড়লে সবাই দেখে আনন্দ পান, তেমনি জেলেরা ভালো দাম পাচ্ছেন।’

এদিকে মাছটি বিক্রি করতে মাইকিং করছেন মাছ ব্যবসায়ী আবদুর শুক্কুর। তিনি বলেন, ‘নাফ নদে জেলেদের কাছ থেকে প্রায় ২০০ কেজি ওজনের বোল মাছ আড়াই লাখের বেশি দামে কেনা হয়েছে। সেটি বিক্রি করতে মাইকিং করা হচ্ছে। কমপক্ষে কেজি দেড় হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হবে।’