ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগ সরকারের, দু’দেশের যৌথ বিবৃতি স্বাক্ষর এলএনজি-এলপিজি নিয়ে দেশে আসছে আরও ৫ জাহাজ দুর্নীতি ও লাগামহীন লুটপাটের কারণে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী কুতুবদিয়ায় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি ও সামাজিক সহনশীলতা নির্মাণে সমন্বয় সভা পৌরসভা নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক দ্রুত বিচার আইনের মামলায় কলাতলীর আলোচিত বেলায়েত কারাগারে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, ‘কাউকে ছাড় নয়’- বিজিবি পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম ১ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন সোমবার পাওনা টাকা চাওয়ায় দোকানদারকে গুলি বস্তাবন্দী খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার, নৃশংসতায় চাঞ্চল্য পৌরসভার সমন্বয় কমিটির সভা-মশা নিধন, ড্রেনেজ পরিস্কার,ফুটপাত দখলমুক্তে গুরুত্বারোপ কক্সবাজারে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিং মল ও দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা কক্সবাজারে বিশেষ অভিযানে ছিনতাইকারী চক্রের ৪ সদস্যসহ ৯ আসামি গ্রেপ্তার রামুতে পুকুরে ডুবে কিশোরের মৃত্যু কালবৈশাখী ঝড়ে গলল ‘সাদা সোনা’, কোটি টাকার ক্ষতিতে দিশেহারা চাষি

টেকনাফে জালে ধরা পড়লো ১৯৪ কেজি ওজনের ভোল মাছ

টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপে টানা জালে ধরা পড়েছে ১৯৪ কেজি ওজনের একটি ভোল মাছ। রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে শাহপরীর দ্বীপ ঘোলার চর এলাকার নাফ নদে মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি শাহপরীর দ্বীপ কোনা পাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা কালু ফকিরের মালিকানাধীন টানা জালে ধরা পড়ে। স্থানীয় ভাষায় এটি ভোল মাছ নামে পরিচিত।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে শাহপরীর দ্বীপ ট্রলার মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হাসান বলেন, ‘সকালে শাহপরীর দ্বীপ ঘোলার চর এলাকার নাফ নদের মোহনায় জেলেরা টানা জাল ফেলে। ঘণ্টাখানেক পর জাল টানার চেষ্টা করে জেলেরা। এ সময় ছোট ছোট মাছের সঙ্গে এই বড় বোল মাছটি জালে আটকে যায়। পরে জেলেরা নাফ নদ থেকে বড় মাছটি রশি বেঁধে টেনে টেনে চরের ওপরে তুলে নিয়ে আসে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় মাছটি শাহ পরীর দ্বীপ জেটিঘাটে নেওয়া হয়। ওই সময় মাছটি দেখতে ভিড় জমান লোকজন।

শাহ পরীর দ্বীপ কোনা পাড়ার নৌকার মাঝি নুর মোহাম্মদ  জানান, জালে প্রথমবার ১৯৪ কেজি ওজনের বড় বোল মাছ আটকা পড়েছে। মাছটি শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাটে এনে মাছটির দাম হাঁকানো হয়েছিল তিন লাখ টাকা। পরে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী নুরুল আলমের কাছে দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে বিক্রি করেছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টেকনাফ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘শাহপরীর দ্বীপের এক জেলের জালে একটি বিশাল মাছ ধরার খবর শুনেছি। তবে শীত মৌসুমে ৫ থেকে ১৫ কেজি ওজন পর্যন্ত বোল মাছ জেলেদের জালে আটকা পড়ে।’

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সাগরের মাছ ধরার ওপর বিভিন্ন ধরনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে পালন হওয়ায় মাছগুলো বড় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। আবার বড় মাছ জেলেদের জালে আটকা পড়লে সবাই দেখে আনন্দ পান, তেমনি জেলেরা ভালো দাম পাচ্ছেন।’

এদিকে মাছটি বিক্রি করতে মাইকিং করছেন মাছ ব্যবসায়ী আবদুর শুক্কুর। তিনি বলেন, ‘নাফ নদে জেলেদের কাছ থেকে প্রায় ২০০ কেজি ওজনের বোল মাছ আড়াই লাখের বেশি দামে কেনা হয়েছে। সেটি বিক্রি করতে মাইকিং করা হচ্ছে। কমপক্ষে কেজি দেড় হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হবে।’

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগ সরকারের, দু’দেশের যৌথ বিবৃতি স্বাক্ষর

টেকনাফে জালে ধরা পড়লো ১৯৪ কেজি ওজনের ভোল মাছ

আপডেট সময় : ০১:১৯:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপে টানা জালে ধরা পড়েছে ১৯৪ কেজি ওজনের একটি ভোল মাছ। রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে শাহপরীর দ্বীপ ঘোলার চর এলাকার নাফ নদে মাছটি ধরা পড়ে। মাছটি শাহপরীর দ্বীপ কোনা পাড়ার স্থানীয় বাসিন্দা কালু ফকিরের মালিকানাধীন টানা জালে ধরা পড়ে। স্থানীয় ভাষায় এটি ভোল মাছ নামে পরিচিত।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে শাহপরীর দ্বীপ ট্রলার মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ হাসান বলেন, ‘সকালে শাহপরীর দ্বীপ ঘোলার চর এলাকার নাফ নদের মোহনায় জেলেরা টানা জাল ফেলে। ঘণ্টাখানেক পর জাল টানার চেষ্টা করে জেলেরা। এ সময় ছোট ছোট মাছের সঙ্গে এই বড় বোল মাছটি জালে আটকে যায়। পরে জেলেরা নাফ নদ থেকে বড় মাছটি রশি বেঁধে টেনে টেনে চরের ওপরে তুলে নিয়ে আসে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় মাছটি শাহ পরীর দ্বীপ জেটিঘাটে নেওয়া হয়। ওই সময় মাছটি দেখতে ভিড় জমান লোকজন।

শাহ পরীর দ্বীপ কোনা পাড়ার নৌকার মাঝি নুর মোহাম্মদ  জানান, জালে প্রথমবার ১৯৪ কেজি ওজনের বড় বোল মাছ আটকা পড়েছে। মাছটি শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাটে এনে মাছটির দাম হাঁকানো হয়েছিল তিন লাখ টাকা। পরে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী নুরুল আলমের কাছে দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়ে বিক্রি করেছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টেকনাফ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘শাহপরীর দ্বীপের এক জেলের জালে একটি বিশাল মাছ ধরার খবর শুনেছি। তবে শীত মৌসুমে ৫ থেকে ১৫ কেজি ওজন পর্যন্ত বোল মাছ জেলেদের জালে আটকা পড়ে।’

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সাগরের মাছ ধরার ওপর বিভিন্ন ধরনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে পালন হওয়ায় মাছগুলো বড় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। আবার বড় মাছ জেলেদের জালে আটকা পড়লে সবাই দেখে আনন্দ পান, তেমনি জেলেরা ভালো দাম পাচ্ছেন।’

এদিকে মাছটি বিক্রি করতে মাইকিং করছেন মাছ ব্যবসায়ী আবদুর শুক্কুর। তিনি বলেন, ‘নাফ নদে জেলেদের কাছ থেকে প্রায় ২০০ কেজি ওজনের বোল মাছ আড়াই লাখের বেশি দামে কেনা হয়েছে। সেটি বিক্রি করতে মাইকিং করা হচ্ছে। কমপক্ষে কেজি দেড় হাজার টাকা দরে বিক্রি করা হবে।’