কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী জুম্মাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চাঞ্চল্যকর চারজনকে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির মামলার মূলহোতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৫।
শনিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে র্যাব-১৫ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপ-অধিনায়ক মেজর এস. এম. মারুফ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ২৩ জুন টেকনাফের গহীন পাহাড়ি এলাকায় অস্ত্রের মুখে চারজনকে অপহরণ করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। পরে ভুক্তভোগীদের প্রত্যেকের পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণের টাকা আদায়ের জন্য অপহৃতদের ওপর শারীরিক নির্যাতনও চালানো হয়।
মেজর এস. এম. মারুফ জানান, ঘটনার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৩০ জুন র্যাব-১৫ টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রংিখালী জুম্মাপাড়া এলাকার গহীন পাহাড়ে বিশেষ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে পাহাড়ের ভেতর থেকে চারজন অপহৃতকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়েরের পর থেকে জড়িতদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (১৮ জুলাই) রাত ১১টা ২০ মিনিটে একই এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি মো. রাসেল (২৮) এবং তার সহযোগী আরমান (২১)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় অপহরণে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাও জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার রাসেল টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী এলাকার মৃত সুলতান আহমদের ছেলে এবং আরমান একই ইউনিয়নের রঙ্গিখালী জুম্মাপাড়া এলাকার রশিদ আহমদের ছেলে।
সংবাদ সম্মেলনে উপ-অধিনায়ক মেজর এস. এম. মারুফ বলেন, গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হচ্ছে। অস্ত্র, মাদক, অপহরণসহ সব ধরনের সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে র্যাব-১৫-এর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 





















