ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সফরের ১ দিন আগেই কক্সবাজারে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অপেক্ষায় সাজছে কক্সবাজার, নিরাপত্তা জোরদার প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে পেকুয়ায় চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি রামুর কাউয়ারখোপে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার উত্তপ্ত উখিয়ার আঞ্জুমান সীমান্ত / ৫ কোটি টাকার ইয়াবা লুট নিয়ে মুখোমুখি দুই মাদককারবারি! ফুটবল ইতিহাসে যে লজ্জার রেকর্ডে শীর্ষে ব্রাজিল কক্সবাজারে কোরাল, চিংড়ি, কাঁকড়া, সী-উইড উৎপাদনে সম্ভাবনা ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে কি নেইমার খেলবেন? মাটির নিচে লুকিয়ে মৃত্যুভয়, মাইন অপসারণ চায় সীমান্তবাসী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ১৭৫ বাংলাদেশি শহীদ হয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী টেকপাড়ায় বাসায় ঢুকে ছুরিকাঘাত, হাসপাতালে প্রাণ গেল নারীর : আটক ৩ বরফ গলেছে টিটিএনের টকশোতে: কর্মসূচী প্রত্যাহার ব্রাজিল সমর্থকদের,আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কৃতজ্ঞতা ‎কুতুবদিয়ায় বাপার উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ, কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সীমান্তের ৩ শতাধিক রোগীর ফ্রী সেবায় নাইক্ষ্যংছড়িস্থ ১১ বিজিবি মাতামুহুরীতে ডাকাতির সময় মা-মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ৬

টেকনাফের আলোচিত ইউনুস মেম্বার হত্যা মামলায় একজন আটকঃ এজাহার নামীয়রা এখনো অধরা

টেকনাফের আলোচিত ইউনুস মেম্বার হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে মোহাম্মদ সিদ্দিক (৪৫) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। সে হ্নীলা ইউনিয়নের দরগাহ পাড়ার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

জেলা পুলিশের মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস জানিয়েছেন-
টেকনাফ থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সামনে থেকে ইউনুস মেম্বার হত্যা মামলার সন্দিগ্ধ আসামী সিদ্দিক কে আটক করে৷ তার বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক সিদ্দিকের কাছ থেকে ইউনুস মেম্বার হত্যা মামলা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর টিটিএনকে বলেন- ইউনুছ মেম্বার হত্যা মামলার এজাহারে সিদ্দিকের নাম না থাকলেও জড়িত সন্দিগ্ধ হিসাবে আটক করা হয়েছে।

গেলো ৫ নভেম্বর সকালে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় একটি ব্রিজের নিচ থেকে ভাসমান অবস্থায় ইউনুস মেম্বারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ইউনুস সিকদার উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চান্দলী পাড়ার প্রয়াত মোহাম্মদ কাশেমের ছেলে। তিনি সাবরাং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন। ইউনুস সিকদার বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদ টেকনাফ উপজেলা শাখার সভাপতি ছিলেন।

পরের দিন ৬ নভেম্বর নিহত ইউনুস সিকদারের স্ত্রী কহিনুর আক্তার বাদি হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে টেকনাফ মডেল থানায় হত্যা মামলার দায়ের করে। মামলার এজাহারে প্রধান আসামী করা হয়েছে হ্নীলা রঙ্গিখালীর ছৈয়দুর রহমান ওরফে ছৈয়দ মেম্বারের পুত্র ও উপজেলা আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলম ওরফে শাফুইয়াকে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৭–৮ জনকে আসামী করা হয়েছে।

তবে এ পর্যন্ত কোন এজাহার নামীয় আসামীকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। ইউনুস মেম্বার হত্যাকারীদের আটকের দাবিতে মানববন্ধন ও থানা ঘেরাও কর্মসূচিও পালন করেছে স্থানীয়রা। ওই মানববন্ধনে এসে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর বলেন- হত্যাকারীরা কেউ পার পাবে না। সকলের সহযোগিতায় ইউনুস মেম্বার হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সফরের ১ দিন আগেই কক্সবাজারে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টেকনাফের আলোচিত ইউনুস মেম্বার হত্যা মামলায় একজন আটকঃ এজাহার নামীয়রা এখনো অধরা

আপডেট সময় : ১০:২৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

টেকনাফের আলোচিত ইউনুস মেম্বার হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে মোহাম্মদ সিদ্দিক (৪৫) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। সে হ্নীলা ইউনিয়নের দরগাহ পাড়ার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

জেলা পুলিশের মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস জানিয়েছেন-
টেকনাফ থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সামনে থেকে ইউনুস মেম্বার হত্যা মামলার সন্দিগ্ধ আসামী সিদ্দিক কে আটক করে৷ তার বিরুদ্ধে টেকনাফ মডেল থানায় হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক সিদ্দিকের কাছ থেকে ইউনুস মেম্বার হত্যা মামলা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর টিটিএনকে বলেন- ইউনুছ মেম্বার হত্যা মামলার এজাহারে সিদ্দিকের নাম না থাকলেও জড়িত সন্দিগ্ধ হিসাবে আটক করা হয়েছে।

গেলো ৫ নভেম্বর সকালে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় একটি ব্রিজের নিচ থেকে ভাসমান অবস্থায় ইউনুস মেম্বারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ইউনুস সিকদার উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চান্দলী পাড়ার প্রয়াত মোহাম্মদ কাশেমের ছেলে। তিনি সাবরাং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন। ইউনুস সিকদার বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদ টেকনাফ উপজেলা শাখার সভাপতি ছিলেন।

পরের দিন ৬ নভেম্বর নিহত ইউনুস সিকদারের স্ত্রী কহিনুর আক্তার বাদি হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে টেকনাফ মডেল থানায় হত্যা মামলার দায়ের করে। মামলার এজাহারে প্রধান আসামী করা হয়েছে হ্নীলা রঙ্গিখালীর ছৈয়দুর রহমান ওরফে ছৈয়দ মেম্বারের পুত্র ও উপজেলা আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলম ওরফে শাফুইয়াকে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৭–৮ জনকে আসামী করা হয়েছে।

তবে এ পর্যন্ত কোন এজাহার নামীয় আসামীকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। ইউনুস মেম্বার হত্যাকারীদের আটকের দাবিতে মানববন্ধন ও থানা ঘেরাও কর্মসূচিও পালন করেছে স্থানীয়রা। ওই মানববন্ধনে এসে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর বলেন- হত্যাকারীরা কেউ পার পাবে না। সকলের সহযোগিতায় ইউনুস মেম্বার হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হবে।