ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চর্চায় বিশ্বাসী’ – হিন্দু ক্যাম্পে ত্রাণ সচিব টেকনাফের বাহারছড়ায় বাড়িতে ঢুকে অস্ত্রের মুখে কৃষক রফিককে অপহরণ ধর্মের পরিচয়ে নয়, নাগরিক হিসেবে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান” মহানবমীতে মন্ডপে মন্ডপে মানুষের ঢল ঘরে ঘরে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট করার চিন্তা রয়েছে সরকারের: মাতামুহুরীতে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ‎ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে গণডাকাতির ঘটনায় ‎ছাবের ডাকাতের স্ত্রী সন্তান গ্রেফতার : লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান সৈকতে : প্রধান অতিথি ভূমি প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৪ পেকুয়ায় ক্রীড়া সংস্থার কমিটি অনুমোদন: সভাপতি রফিকুল, সম্পাদক ছাফওয়ান সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী মহানবমী আজ, শুরু দেবীর বিদায়ের ক্ষণগণনা আমাকে দেখলে তো লোকে সংবিধান বলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশেষ অভিযানে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৯ আইডিইবির সদস্যপদ পেলেন কক্সবাজারের ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল নোমান

টিটিএন কে ধন্যবাদ জানালেন বরেণ্য মানবাধিকার কর্মী ড.শহিদুল আলম

ড. শহিদুল আলম। বাংলাদেশী এই বরেন্য মানবাধিকার কর্মী ও আলোকচিত্রশিল্পী কক্সবাজারের এসেছিলেন কিছু সময়ের জন্য। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার আগে সাগর পাড়ের একটি হোটেলে মিলিত হন সাংবাদিকদের সাথে।

আলোচনা দীর্ঘ না হলেও যাওয়ার বেলায় কথা হয় খুবই সীমিত পরিসরে। টিটিএন এর সিইও তৌফিক লিপু ড. শহিদুল আলমকে মনে করিয়ে দেন ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে তাঁর সমুদ্র যাত্রার বার্তা নিয়মিত প্রচারের কথা এবং বিশেষ করে সেসময় কক্সবাজার সৈকতে সনাতন সম্প্রদায়ের দূর্গাপুজার প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে পুণাার্থীদের ফ্রী প্যালেস্টাইন লেখা প্লেকার্ড নিয়ে টিটিএন সম্পাদক সৌরভ দেবের করা প্রতিবেদনের কথা যা তিনি নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেছিলেন।
এসময় টিটিএন’কে ধন্যবাদ জানান এই মানবাধিকার কর্মী। সেই সাথে ক্যামেরার ক্লীকে সৌরভ দেব আর তৌফিক লিপুর সাথে স্মৃতিবন্দি হলেন তিনি।

ড. শহিদুল বুধবার সকালে কক্সবাজারে আসেন ডা. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মেডিকেল ক্যাম্প এবং বন্ধ হয় যাওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা-কার্যক্রম ফের চালুর উদ্যোগের বিষয়ে জানতে। সারাদিন ক্যাম্পে কাটিয়ে বিকেলে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি। ক্যাম্পে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলগুলোকে কিভাবে পাঠদানের উপযোগী করা যায় সেসব বিষয়ে একেবারে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের জন্য সংগ্রাম করার কথাও উচ্চারিত হয় তাঁর কন্ঠে। তিনি বলেন, বাস্তুহারা এসব মানুষ (রোহিঙ্গা)এতোদিন এখানে রয়েছে, তাদের বিষয়ে কোন কোন প্রতিকার নেই।যারা তাদের  অত্যাচার করেছে, তাদের কোন বিচার হয়নি। এতোদিনেও এদের ফিরে যাওয়ার কোন জায়গা তৈরী হয়নি।এটা আমাদের লজ্জ্বার বিষয়।বাংলাদেশ অনেক কিছু করেছে, কিন্তু আরো কিছু করার প্রযোজন রয়েছে।
ক্যাম্পের পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখে এসে সাংবাদিকদের শহিদুল বলেন, আমরা নিজেরাই নিপড়িত ছিলাম।মুক্তিযুদ্ধের সময় পাশের দেশে আস্রয় নিয়েছি।আমরা এই মানুষদের যে আশ্রয় দিচ্ছি সেটা  যেমন অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ তাদের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবাও আমাদের দায়িত্ব।

রোহিঙ্গারা নির্দ্বিধায় নির্ভয়ে নিজের দেশে শান্তিপূর্ণ ভাবে যতদিন ফিরে যেতে পারবে না।ততদিন আমাদের এই আন্দোলন করতে হবে।তাদের জন্য আমাদের সংগ্রাম করতে হবে।যারা এখানে আছে তারা যাতে ভালো ভাবে থাকে।
যে বাচ্চা গুলো বড় হচ্ছে তারা যাতে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে বড় হয় সে দায়িত্বটা কিন্তু আমাদের সকলের।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চর্চায় বিশ্বাসী’ – হিন্দু ক্যাম্পে ত্রাণ সচিব

টিটিএন কে ধন্যবাদ জানালেন বরেণ্য মানবাধিকার কর্মী ড.শহিদুল আলম

আপডেট সময় : ১০:২৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

ড. শহিদুল আলম। বাংলাদেশী এই বরেন্য মানবাধিকার কর্মী ও আলোকচিত্রশিল্পী কক্সবাজারের এসেছিলেন কিছু সময়ের জন্য। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার আগে সাগর পাড়ের একটি হোটেলে মিলিত হন সাংবাদিকদের সাথে।

আলোচনা দীর্ঘ না হলেও যাওয়ার বেলায় কথা হয় খুবই সীমিত পরিসরে। টিটিএন এর সিইও তৌফিক লিপু ড. শহিদুল আলমকে মনে করিয়ে দেন ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে তাঁর সমুদ্র যাত্রার বার্তা নিয়মিত প্রচারের কথা এবং বিশেষ করে সেসময় কক্সবাজার সৈকতে সনাতন সম্প্রদায়ের দূর্গাপুজার প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে পুণাার্থীদের ফ্রী প্যালেস্টাইন লেখা প্লেকার্ড নিয়ে টিটিএন সম্পাদক সৌরভ দেবের করা প্রতিবেদনের কথা যা তিনি নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেছিলেন।
এসময় টিটিএন’কে ধন্যবাদ জানান এই মানবাধিকার কর্মী। সেই সাথে ক্যামেরার ক্লীকে সৌরভ দেব আর তৌফিক লিপুর সাথে স্মৃতিবন্দি হলেন তিনি।

ড. শহিদুল বুধবার সকালে কক্সবাজারে আসেন ডা. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মেডিকেল ক্যাম্প এবং বন্ধ হয় যাওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা-কার্যক্রম ফের চালুর উদ্যোগের বিষয়ে জানতে। সারাদিন ক্যাম্পে কাটিয়ে বিকেলে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি। ক্যাম্পে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলগুলোকে কিভাবে পাঠদানের উপযোগী করা যায় সেসব বিষয়ে একেবারে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের জন্য সংগ্রাম করার কথাও উচ্চারিত হয় তাঁর কন্ঠে। তিনি বলেন, বাস্তুহারা এসব মানুষ (রোহিঙ্গা)এতোদিন এখানে রয়েছে, তাদের বিষয়ে কোন কোন প্রতিকার নেই।যারা তাদের  অত্যাচার করেছে, তাদের কোন বিচার হয়নি। এতোদিনেও এদের ফিরে যাওয়ার কোন জায়গা তৈরী হয়নি।এটা আমাদের লজ্জ্বার বিষয়।বাংলাদেশ অনেক কিছু করেছে, কিন্তু আরো কিছু করার প্রযোজন রয়েছে।
ক্যাম্পের পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখে এসে সাংবাদিকদের শহিদুল বলেন, আমরা নিজেরাই নিপড়িত ছিলাম।মুক্তিযুদ্ধের সময় পাশের দেশে আস্রয় নিয়েছি।আমরা এই মানুষদের যে আশ্রয় দিচ্ছি সেটা  যেমন অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ তাদের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবাও আমাদের দায়িত্ব।

রোহিঙ্গারা নির্দ্বিধায় নির্ভয়ে নিজের দেশে শান্তিপূর্ণ ভাবে যতদিন ফিরে যেতে পারবে না।ততদিন আমাদের এই আন্দোলন করতে হবে।তাদের জন্য আমাদের সংগ্রাম করতে হবে।যারা এখানে আছে তারা যাতে ভালো ভাবে থাকে।
যে বাচ্চা গুলো বড় হচ্ছে তারা যাতে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে বড় হয় সে দায়িত্বটা কিন্তু আমাদের সকলের।