ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মহেশখালীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের ৫৩ জনের নামে মামলা প্রাইভেট কারে তল্লাশি: ৮৯ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১, পলাতক ৩ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী দ্রুত সময়েই অপ্রতিম হত্যার বিচার সম্পন্নের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সবাইকে কাঁদিয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত অপ্রতিম কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযান: গ্রেপ্তার ৪৫ শহরে বিয়ে বাড়ীতে হামলা ও ভাংচুর, পুলিশি সহায়তায় রক্ষা চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আনোয়ারুল মোস্তফা রাসেল সেন্টমার্টিন থেকে মিয়ানমারে পাচারকালে ১২ টন ইউরিয়া সার, রসুন-পেঁয়াজসহ আটক ১০ ছিনতাইকারী-ডাকাত চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা এসপির শিক্ষকদের নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সাগরে লঘুচাপ ঘনীভূত হওয়ার আভাস আমরা সরকারের বিরুদ্ধে না, দেশের বিরুদ্ধেও না: কর্নেল অলি ‘তারেক রহমানকে নির্ধারণ করতে হবে তিনি কীভাবে ক্ষমতা থেকে চলে যাবেন’ দাবি মেনে নিন, হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না: জামায়াত আমির

টিটিএন কে ধন্যবাদ জানালেন বরেণ্য মানবাধিকার কর্মী ড.শহিদুল আলম

ড. শহিদুল আলম। বাংলাদেশী এই বরেন্য মানবাধিকার কর্মী ও আলোকচিত্রশিল্পী কক্সবাজারের এসেছিলেন কিছু সময়ের জন্য। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার আগে সাগর পাড়ের একটি হোটেলে মিলিত হন সাংবাদিকদের সাথে।

আলোচনা দীর্ঘ না হলেও যাওয়ার বেলায় কথা হয় খুবই সীমিত পরিসরে। টিটিএন এর সিইও তৌফিক লিপু ড. শহিদুল আলমকে মনে করিয়ে দেন ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে তাঁর সমুদ্র যাত্রার বার্তা নিয়মিত প্রচারের কথা এবং বিশেষ করে সেসময় কক্সবাজার সৈকতে সনাতন সম্প্রদায়ের দূর্গাপুজার প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে পুণাার্থীদের ফ্রী প্যালেস্টাইন লেখা প্লেকার্ড নিয়ে টিটিএন সম্পাদক সৌরভ দেবের করা প্রতিবেদনের কথা যা তিনি নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেছিলেন।
এসময় টিটিএন’কে ধন্যবাদ জানান এই মানবাধিকার কর্মী। সেই সাথে ক্যামেরার ক্লীকে সৌরভ দেব আর তৌফিক লিপুর সাথে স্মৃতিবন্দি হলেন তিনি।

ড. শহিদুল বুধবার সকালে কক্সবাজারে আসেন ডা. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মেডিকেল ক্যাম্প এবং বন্ধ হয় যাওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা-কার্যক্রম ফের চালুর উদ্যোগের বিষয়ে জানতে। সারাদিন ক্যাম্পে কাটিয়ে বিকেলে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি। ক্যাম্পে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলগুলোকে কিভাবে পাঠদানের উপযোগী করা যায় সেসব বিষয়ে একেবারে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের জন্য সংগ্রাম করার কথাও উচ্চারিত হয় তাঁর কন্ঠে। তিনি বলেন, বাস্তুহারা এসব মানুষ (রোহিঙ্গা)এতোদিন এখানে রয়েছে, তাদের বিষয়ে কোন কোন প্রতিকার নেই।যারা তাদের  অত্যাচার করেছে, তাদের কোন বিচার হয়নি। এতোদিনেও এদের ফিরে যাওয়ার কোন জায়গা তৈরী হয়নি।এটা আমাদের লজ্জ্বার বিষয়।বাংলাদেশ অনেক কিছু করেছে, কিন্তু আরো কিছু করার প্রযোজন রয়েছে।
ক্যাম্পের পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখে এসে সাংবাদিকদের শহিদুল বলেন, আমরা নিজেরাই নিপড়িত ছিলাম।মুক্তিযুদ্ধের সময় পাশের দেশে আস্রয় নিয়েছি।আমরা এই মানুষদের যে আশ্রয় দিচ্ছি সেটা  যেমন অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ তাদের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবাও আমাদের দায়িত্ব।

রোহিঙ্গারা নির্দ্বিধায় নির্ভয়ে নিজের দেশে শান্তিপূর্ণ ভাবে যতদিন ফিরে যেতে পারবে না।ততদিন আমাদের এই আন্দোলন করতে হবে।তাদের জন্য আমাদের সংগ্রাম করতে হবে।যারা এখানে আছে তারা যাতে ভালো ভাবে থাকে।
যে বাচ্চা গুলো বড় হচ্ছে তারা যাতে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে বড় হয় সে দায়িত্বটা কিন্তু আমাদের সকলের।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মহেশখালীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের ৫৩ জনের নামে মামলা

টিটিএন কে ধন্যবাদ জানালেন বরেণ্য মানবাধিকার কর্মী ড.শহিদুল আলম

আপডেট সময় : ১০:২৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

ড. শহিদুল আলম। বাংলাদেশী এই বরেন্য মানবাধিকার কর্মী ও আলোকচিত্রশিল্পী কক্সবাজারের এসেছিলেন কিছু সময়ের জন্য। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার আগে সাগর পাড়ের একটি হোটেলে মিলিত হন সাংবাদিকদের সাথে।

আলোচনা দীর্ঘ না হলেও যাওয়ার বেলায় কথা হয় খুবই সীমিত পরিসরে। টিটিএন এর সিইও তৌফিক লিপু ড. শহিদুল আলমকে মনে করিয়ে দেন ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে তাঁর সমুদ্র যাত্রার বার্তা নিয়মিত প্রচারের কথা এবং বিশেষ করে সেসময় কক্সবাজার সৈকতে সনাতন সম্প্রদায়ের দূর্গাপুজার প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে পুণাার্থীদের ফ্রী প্যালেস্টাইন লেখা প্লেকার্ড নিয়ে টিটিএন সম্পাদক সৌরভ দেবের করা প্রতিবেদনের কথা যা তিনি নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেছিলেন।
এসময় টিটিএন’কে ধন্যবাদ জানান এই মানবাধিকার কর্মী। সেই সাথে ক্যামেরার ক্লীকে সৌরভ দেব আর তৌফিক লিপুর সাথে স্মৃতিবন্দি হলেন তিনি।

ড. শহিদুল বুধবার সকালে কক্সবাজারে আসেন ডা. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মেডিকেল ক্যাম্প এবং বন্ধ হয় যাওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা-কার্যক্রম ফের চালুর উদ্যোগের বিষয়ে জানতে। সারাদিন ক্যাম্পে কাটিয়ে বিকেলে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি। ক্যাম্পে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলগুলোকে কিভাবে পাঠদানের উপযোগী করা যায় সেসব বিষয়ে একেবারে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের জন্য সংগ্রাম করার কথাও উচ্চারিত হয় তাঁর কন্ঠে। তিনি বলেন, বাস্তুহারা এসব মানুষ (রোহিঙ্গা)এতোদিন এখানে রয়েছে, তাদের বিষয়ে কোন কোন প্রতিকার নেই।যারা তাদের  অত্যাচার করেছে, তাদের কোন বিচার হয়নি। এতোদিনেও এদের ফিরে যাওয়ার কোন জায়গা তৈরী হয়নি।এটা আমাদের লজ্জ্বার বিষয়।বাংলাদেশ অনেক কিছু করেছে, কিন্তু আরো কিছু করার প্রযোজন রয়েছে।
ক্যাম্পের পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখে এসে সাংবাদিকদের শহিদুল বলেন, আমরা নিজেরাই নিপড়িত ছিলাম।মুক্তিযুদ্ধের সময় পাশের দেশে আস্রয় নিয়েছি।আমরা এই মানুষদের যে আশ্রয় দিচ্ছি সেটা  যেমন অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ তাদের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবাও আমাদের দায়িত্ব।

রোহিঙ্গারা নির্দ্বিধায় নির্ভয়ে নিজের দেশে শান্তিপূর্ণ ভাবে যতদিন ফিরে যেতে পারবে না।ততদিন আমাদের এই আন্দোলন করতে হবে।তাদের জন্য আমাদের সংগ্রাম করতে হবে।যারা এখানে আছে তারা যাতে ভালো ভাবে থাকে।
যে বাচ্চা গুলো বড় হচ্ছে তারা যাতে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে বড় হয় সে দায়িত্বটা কিন্তু আমাদের সকলের।