ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব চিটাগং এলায়েন্স গঠিত: প্রেসিডেন্ট আরফাত,সেক্রেটারি তৌফিক গরু বিক্রি করতে যাওয়ার পথে গাড়ি উল্টে মৃত্যু লামায় সিএনজি দূর্ঘটনায় চালক নিহত, আহত ৫ রামুর মনিরঝিলে আওয়ামী লীগ নেতা জহির মেম্বারের ছেলে রিয়াজ উদ্দীন ধর্ষণ মামলায় আটক কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু সিএনজির মিটার বক্সে ইয়াবা, চালক আটক কক্সবাজারে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ টেকনাফে ওয়াই-ফাই লাইনের কাজের অজুহাতে জাল নোটের কারখানা পেকুয়াকে পৌরসভা রুপান্তর করায় আনন্দ মিছিল সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে অপহৃত ৬ জন উদ্ধার, মায়ানমার মুদ্রাসহ নারী গ্রেফতার ঘুমধুম সীমান্তে স্থল মাইন বিস্ফোরণে ৩ জন নিহত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মেয়েকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, আটক যুবক রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট জমা আজ, ছুটিতে বিশেষ কোর্টে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বিচার বাংলাদেশ দ্রুতই সবুজ-টেকসই উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হবে: প্রধানমন্ত্রী শিশুর আচরণ দেখে বুঝে নিন শরীরে পুষ্টির অভাব আছে কি না

টিটিএন কে ধন্যবাদ জানালেন বরেণ্য মানবাধিকার কর্মী ড.শহিদুল আলম

ড. শহিদুল আলম। বাংলাদেশী এই বরেন্য মানবাধিকার কর্মী ও আলোকচিত্রশিল্পী কক্সবাজারের এসেছিলেন কিছু সময়ের জন্য। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার আগে সাগর পাড়ের একটি হোটেলে মিলিত হন সাংবাদিকদের সাথে।

আলোচনা দীর্ঘ না হলেও যাওয়ার বেলায় কথা হয় খুবই সীমিত পরিসরে। টিটিএন এর সিইও তৌফিক লিপু ড. শহিদুল আলমকে মনে করিয়ে দেন ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে তাঁর সমুদ্র যাত্রার বার্তা নিয়মিত প্রচারের কথা এবং বিশেষ করে সেসময় কক্সবাজার সৈকতে সনাতন সম্প্রদায়ের দূর্গাপুজার প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে পুণাার্থীদের ফ্রী প্যালেস্টাইন লেখা প্লেকার্ড নিয়ে টিটিএন সম্পাদক সৌরভ দেবের করা প্রতিবেদনের কথা যা তিনি নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেছিলেন।
এসময় টিটিএন’কে ধন্যবাদ জানান এই মানবাধিকার কর্মী। সেই সাথে ক্যামেরার ক্লীকে সৌরভ দেব আর তৌফিক লিপুর সাথে স্মৃতিবন্দি হলেন তিনি।

ড. শহিদুল বুধবার সকালে কক্সবাজারে আসেন ডা. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মেডিকেল ক্যাম্প এবং বন্ধ হয় যাওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা-কার্যক্রম ফের চালুর উদ্যোগের বিষয়ে জানতে। সারাদিন ক্যাম্পে কাটিয়ে বিকেলে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি। ক্যাম্পে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলগুলোকে কিভাবে পাঠদানের উপযোগী করা যায় সেসব বিষয়ে একেবারে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের জন্য সংগ্রাম করার কথাও উচ্চারিত হয় তাঁর কন্ঠে। তিনি বলেন, বাস্তুহারা এসব মানুষ (রোহিঙ্গা)এতোদিন এখানে রয়েছে, তাদের বিষয়ে কোন কোন প্রতিকার নেই।যারা তাদের  অত্যাচার করেছে, তাদের কোন বিচার হয়নি। এতোদিনেও এদের ফিরে যাওয়ার কোন জায়গা তৈরী হয়নি।এটা আমাদের লজ্জ্বার বিষয়।বাংলাদেশ অনেক কিছু করেছে, কিন্তু আরো কিছু করার প্রযোজন রয়েছে।
ক্যাম্পের পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখে এসে সাংবাদিকদের শহিদুল বলেন, আমরা নিজেরাই নিপড়িত ছিলাম।মুক্তিযুদ্ধের সময় পাশের দেশে আস্রয় নিয়েছি।আমরা এই মানুষদের যে আশ্রয় দিচ্ছি সেটা  যেমন অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ তাদের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবাও আমাদের দায়িত্ব।

রোহিঙ্গারা নির্দ্বিধায় নির্ভয়ে নিজের দেশে শান্তিপূর্ণ ভাবে যতদিন ফিরে যেতে পারবে না।ততদিন আমাদের এই আন্দোলন করতে হবে।তাদের জন্য আমাদের সংগ্রাম করতে হবে।যারা এখানে আছে তারা যাতে ভালো ভাবে থাকে।
যে বাচ্চা গুলো বড় হচ্ছে তারা যাতে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে বড় হয় সে দায়িত্বটা কিন্তু আমাদের সকলের।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব চিটাগং এলায়েন্স গঠিত: প্রেসিডেন্ট আরফাত,সেক্রেটারি তৌফিক

টিটিএন কে ধন্যবাদ জানালেন বরেণ্য মানবাধিকার কর্মী ড.শহিদুল আলম

আপডেট সময় : ১০:২৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

ড. শহিদুল আলম। বাংলাদেশী এই বরেন্য মানবাধিকার কর্মী ও আলোকচিত্রশিল্পী কক্সবাজারের এসেছিলেন কিছু সময়ের জন্য। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার আগে সাগর পাড়ের একটি হোটেলে মিলিত হন সাংবাদিকদের সাথে।

আলোচনা দীর্ঘ না হলেও যাওয়ার বেলায় কথা হয় খুবই সীমিত পরিসরে। টিটিএন এর সিইও তৌফিক লিপু ড. শহিদুল আলমকে মনে করিয়ে দেন ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে তাঁর সমুদ্র যাত্রার বার্তা নিয়মিত প্রচারের কথা এবং বিশেষ করে সেসময় কক্সবাজার সৈকতে সনাতন সম্প্রদায়ের দূর্গাপুজার প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে পুণাার্থীদের ফ্রী প্যালেস্টাইন লেখা প্লেকার্ড নিয়ে টিটিএন সম্পাদক সৌরভ দেবের করা প্রতিবেদনের কথা যা তিনি নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেছিলেন।
এসময় টিটিএন’কে ধন্যবাদ জানান এই মানবাধিকার কর্মী। সেই সাথে ক্যামেরার ক্লীকে সৌরভ দেব আর তৌফিক লিপুর সাথে স্মৃতিবন্দি হলেন তিনি।

ড. শহিদুল বুধবার সকালে কক্সবাজারে আসেন ডা. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মেডিকেল ক্যাম্প এবং বন্ধ হয় যাওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা-কার্যক্রম ফের চালুর উদ্যোগের বিষয়ে জানতে। সারাদিন ক্যাম্পে কাটিয়ে বিকেলে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি। ক্যাম্পে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলগুলোকে কিভাবে পাঠদানের উপযোগী করা যায় সেসব বিষয়ে একেবারে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের জন্য সংগ্রাম করার কথাও উচ্চারিত হয় তাঁর কন্ঠে। তিনি বলেন, বাস্তুহারা এসব মানুষ (রোহিঙ্গা)এতোদিন এখানে রয়েছে, তাদের বিষয়ে কোন কোন প্রতিকার নেই।যারা তাদের  অত্যাচার করেছে, তাদের কোন বিচার হয়নি। এতোদিনেও এদের ফিরে যাওয়ার কোন জায়গা তৈরী হয়নি।এটা আমাদের লজ্জ্বার বিষয়।বাংলাদেশ অনেক কিছু করেছে, কিন্তু আরো কিছু করার প্রযোজন রয়েছে।
ক্যাম্পের পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখে এসে সাংবাদিকদের শহিদুল বলেন, আমরা নিজেরাই নিপড়িত ছিলাম।মুক্তিযুদ্ধের সময় পাশের দেশে আস্রয় নিয়েছি।আমরা এই মানুষদের যে আশ্রয় দিচ্ছি সেটা  যেমন অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ তাদের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবাও আমাদের দায়িত্ব।

রোহিঙ্গারা নির্দ্বিধায় নির্ভয়ে নিজের দেশে শান্তিপূর্ণ ভাবে যতদিন ফিরে যেতে পারবে না।ততদিন আমাদের এই আন্দোলন করতে হবে।তাদের জন্য আমাদের সংগ্রাম করতে হবে।যারা এখানে আছে তারা যাতে ভালো ভাবে থাকে।
যে বাচ্চা গুলো বড় হচ্ছে তারা যাতে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে বড় হয় সে দায়িত্বটা কিন্তু আমাদের সকলের।