ঢাকা ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কেমন ছিল বিশ্বকাপের প্রথম কিস্তি? মাতামুহুরীতে জামায়াতের জেলা আমীর নুর আহমদ আনোয়ারী- জননিরাপত্তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শিক্ষক রেজাউল করিমের মায়ের অনুপস্থিতিতে ১২ বছর বয়সী নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে রাস্তা পার হওয়ার সময় আইওএমের গাড়ির ধাক্কা, শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু কুতুবদিয়ায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা টেকনাফে স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু, বিচার দাবিতে পরিবারের আহাজারি যুদ্ধ থেমেছে, ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে? বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দুর্নীতিকে উৎসাহিত করে: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ কক্সবাজারে শুরু হলো তিনদিনের জাতীয় ফল মেলা কুতুবদিয়া পাড়া বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটিতে অভিভাবক প্রতিনিধি মনোনীত মনির উল্লাহ (আবির) ইয়াবা সেবনের আসরে অভিযান, অস্ত্র-ইয়াবা,নগদ টাকা সহ আটক:২ এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা সারাদেশে এবার অভিন্ন প্রশ্নে বোর্ড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে: শিক্ষামন্ত্রী যেখানে অ্যাম্বুলেন্স নয়, রোগী চলে মানুষের কাঁধে

টিটিএন কে ধন্যবাদ জানালেন বরেণ্য মানবাধিকার কর্মী ড.শহিদুল আলম

ড. শহিদুল আলম। বাংলাদেশী এই বরেন্য মানবাধিকার কর্মী ও আলোকচিত্রশিল্পী কক্সবাজারের এসেছিলেন কিছু সময়ের জন্য। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার আগে সাগর পাড়ের একটি হোটেলে মিলিত হন সাংবাদিকদের সাথে।

আলোচনা দীর্ঘ না হলেও যাওয়ার বেলায় কথা হয় খুবই সীমিত পরিসরে। টিটিএন এর সিইও তৌফিক লিপু ড. শহিদুল আলমকে মনে করিয়ে দেন ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে তাঁর সমুদ্র যাত্রার বার্তা নিয়মিত প্রচারের কথা এবং বিশেষ করে সেসময় কক্সবাজার সৈকতে সনাতন সম্প্রদায়ের দূর্গাপুজার প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে পুণাার্থীদের ফ্রী প্যালেস্টাইন লেখা প্লেকার্ড নিয়ে টিটিএন সম্পাদক সৌরভ দেবের করা প্রতিবেদনের কথা যা তিনি নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেছিলেন।
এসময় টিটিএন’কে ধন্যবাদ জানান এই মানবাধিকার কর্মী। সেই সাথে ক্যামেরার ক্লীকে সৌরভ দেব আর তৌফিক লিপুর সাথে স্মৃতিবন্দি হলেন তিনি।

ড. শহিদুল বুধবার সকালে কক্সবাজারে আসেন ডা. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মেডিকেল ক্যাম্প এবং বন্ধ হয় যাওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা-কার্যক্রম ফের চালুর উদ্যোগের বিষয়ে জানতে। সারাদিন ক্যাম্পে কাটিয়ে বিকেলে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি। ক্যাম্পে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলগুলোকে কিভাবে পাঠদানের উপযোগী করা যায় সেসব বিষয়ে একেবারে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের জন্য সংগ্রাম করার কথাও উচ্চারিত হয় তাঁর কন্ঠে। তিনি বলেন, বাস্তুহারা এসব মানুষ (রোহিঙ্গা)এতোদিন এখানে রয়েছে, তাদের বিষয়ে কোন কোন প্রতিকার নেই।যারা তাদের  অত্যাচার করেছে, তাদের কোন বিচার হয়নি। এতোদিনেও এদের ফিরে যাওয়ার কোন জায়গা তৈরী হয়নি।এটা আমাদের লজ্জ্বার বিষয়।বাংলাদেশ অনেক কিছু করেছে, কিন্তু আরো কিছু করার প্রযোজন রয়েছে।
ক্যাম্পের পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখে এসে সাংবাদিকদের শহিদুল বলেন, আমরা নিজেরাই নিপড়িত ছিলাম।মুক্তিযুদ্ধের সময় পাশের দেশে আস্রয় নিয়েছি।আমরা এই মানুষদের যে আশ্রয় দিচ্ছি সেটা  যেমন অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ তাদের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবাও আমাদের দায়িত্ব।

রোহিঙ্গারা নির্দ্বিধায় নির্ভয়ে নিজের দেশে শান্তিপূর্ণ ভাবে যতদিন ফিরে যেতে পারবে না।ততদিন আমাদের এই আন্দোলন করতে হবে।তাদের জন্য আমাদের সংগ্রাম করতে হবে।যারা এখানে আছে তারা যাতে ভালো ভাবে থাকে।
যে বাচ্চা গুলো বড় হচ্ছে তারা যাতে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে বড় হয় সে দায়িত্বটা কিন্তু আমাদের সকলের।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেমন ছিল বিশ্বকাপের প্রথম কিস্তি?

টিটিএন কে ধন্যবাদ জানালেন বরেণ্য মানবাধিকার কর্মী ড.শহিদুল আলম

আপডেট সময় : ১০:২৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

ড. শহিদুল আলম। বাংলাদেশী এই বরেন্য মানবাধিকার কর্মী ও আলোকচিত্রশিল্পী কক্সবাজারের এসেছিলেন কিছু সময়ের জন্য। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার আগে সাগর পাড়ের একটি হোটেলে মিলিত হন সাংবাদিকদের সাথে।

আলোচনা দীর্ঘ না হলেও যাওয়ার বেলায় কথা হয় খুবই সীমিত পরিসরে। টিটিএন এর সিইও তৌফিক লিপু ড. শহিদুল আলমকে মনে করিয়ে দেন ফিলিস্তিনের মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে তাঁর সমুদ্র যাত্রার বার্তা নিয়মিত প্রচারের কথা এবং বিশেষ করে সেসময় কক্সবাজার সৈকতে সনাতন সম্প্রদায়ের দূর্গাপুজার প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে পুণাার্থীদের ফ্রী প্যালেস্টাইন লেখা প্লেকার্ড নিয়ে টিটিএন সম্পাদক সৌরভ দেবের করা প্রতিবেদনের কথা যা তিনি নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেছিলেন।
এসময় টিটিএন’কে ধন্যবাদ জানান এই মানবাধিকার কর্মী। সেই সাথে ক্যামেরার ক্লীকে সৌরভ দেব আর তৌফিক লিপুর সাথে স্মৃতিবন্দি হলেন তিনি।

ড. শহিদুল বুধবার সকালে কক্সবাজারে আসেন ডা. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মেডিকেল ক্যাম্প এবং বন্ধ হয় যাওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা-কার্যক্রম ফের চালুর উদ্যোগের বিষয়ে জানতে। সারাদিন ক্যাম্পে কাটিয়ে বিকেলে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি। ক্যাম্পে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলগুলোকে কিভাবে পাঠদানের উপযোগী করা যায় সেসব বিষয়ে একেবারে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের জন্য সংগ্রাম করার কথাও উচ্চারিত হয় তাঁর কন্ঠে। তিনি বলেন, বাস্তুহারা এসব মানুষ (রোহিঙ্গা)এতোদিন এখানে রয়েছে, তাদের বিষয়ে কোন কোন প্রতিকার নেই।যারা তাদের  অত্যাচার করেছে, তাদের কোন বিচার হয়নি। এতোদিনেও এদের ফিরে যাওয়ার কোন জায়গা তৈরী হয়নি।এটা আমাদের লজ্জ্বার বিষয়।বাংলাদেশ অনেক কিছু করেছে, কিন্তু আরো কিছু করার প্রযোজন রয়েছে।
ক্যাম্পের পরিস্থিতি নিজ চোখে দেখে এসে সাংবাদিকদের শহিদুল বলেন, আমরা নিজেরাই নিপড়িত ছিলাম।মুক্তিযুদ্ধের সময় পাশের দেশে আস্রয় নিয়েছি।আমরা এই মানুষদের যে আশ্রয় দিচ্ছি সেটা  যেমন অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ তাদের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবাও আমাদের দায়িত্ব।

রোহিঙ্গারা নির্দ্বিধায় নির্ভয়ে নিজের দেশে শান্তিপূর্ণ ভাবে যতদিন ফিরে যেতে পারবে না।ততদিন আমাদের এই আন্দোলন করতে হবে।তাদের জন্য আমাদের সংগ্রাম করতে হবে।যারা এখানে আছে তারা যাতে ভালো ভাবে থাকে।
যে বাচ্চা গুলো বড় হচ্ছে তারা যাতে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে বড় হয় সে দায়িত্বটা কিন্তু আমাদের সকলের।