ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফলোআপ-মাতামুহুরিতে ধর্ষণ ও ডাকাতির ঘটনায় ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা : গ্রেফতার ৫ প্রধানমন্ত্রীর সফরের ১ দিন আগেই কক্সবাজারে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অপেক্ষায় সাজছে কক্সবাজার, নিরাপত্তা জোরদার প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে পেকুয়ায় চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি রামুর কাউয়ারখোপে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার উত্তপ্ত উখিয়ার আঞ্জুমান সীমান্ত / ৫ কোটি টাকার ইয়াবা লুট নিয়ে মুখোমুখি দুই মাদককারবারি! ফুটবল ইতিহাসে যে লজ্জার রেকর্ডে শীর্ষে ব্রাজিল কক্সবাজারে কোরাল, চিংড়ি, কাঁকড়া, সী-উইড উৎপাদনে সম্ভাবনা ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে কি নেইমার খেলবেন? মাটির নিচে লুকিয়ে মৃত্যুভয়, মাইন অপসারণ চায় সীমান্তবাসী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ১৭৫ বাংলাদেশি শহীদ হয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী টেকপাড়ায় বাসায় ঢুকে ছুরিকাঘাত, হাসপাতালে প্রাণ গেল নারীর : আটক ৩ বরফ গলেছে টিটিএনের টকশোতে: কর্মসূচী প্রত্যাহার ব্রাজিল সমর্থকদের,আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কৃতজ্ঞতা ‎কুতুবদিয়ায় বাপার উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ, কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সীমান্তের ৩ শতাধিক রোগীর ফ্রী সেবায় নাইক্ষ্যংছড়িস্থ ১১ বিজিবি

মগনামায় জেলে কার্ড নিয়ে চেয়ারম্যানকে হেনস্তা-গালমন্দ

পেকুয়া উপজেলার মগনামায় জেলে কার্ড বিতরণ নিয়ে চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরীকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে একই ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য নুর মুহাম্মদের বিরুদ্ধে। রবিবার ১২টার দিকে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

হেনস্তার শিকার ইউনুস চৌধুরী মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। হেনস্তাকারী ইউপি সদস্য নুর মোহাম্মদও একই ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য।

চেয়ারম্যানকে হেনস্তা ও গালমন্দের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনা সবার নজরে আসে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদ এবং এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করেছে।

মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, তাকে অহেতুকভাবে হেনস্তা করেছে মেম্বার নুর মুহাম্মদ। নুর মোহাম্মদ প্রতিবারই চাল বিতরণের সময় চালের কার্ড ভুক্তভোগীদের না দিয়ে নিজে আত্মসাৎ করেছে। এলাকা থেকে চলে গেছে এমন কিছু অসহায় মানুষের কার্ড নিয়ে আত্মাসাৎ করতে চেয়েছে। কিন্তু আমি সেই অবৈধ সুযোগ না দেওয়ার কারণে আমাকে চরমভাবে হেনস্তা করেছে। আমি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পেকুয়া থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি।

এদিকে ইউপি সদস্য নুর মুহাম্মদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, জেলে কার্ড বিতরণে বরাদ্দ তালিকায় অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের কারণে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হচ্ছে। আমি একজন ইউপি সদস্য হিসেবে আমাকে আমার প্রাপ্য অধিকার দেওয়া হচ্ছে না। আমার ওয়ার্ডে একজনকেও কার্ড দেওয়া হয়নি।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, ঘটনাটি শুনার সাথে সাথে ইউনিয়ন পরিষদে পুলিশ পাঠিয়েছি। এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফলোআপ-মাতামুহুরিতে ধর্ষণ ও ডাকাতির ঘটনায় ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা : গ্রেফতার ৫

মগনামায় জেলে কার্ড নিয়ে চেয়ারম্যানকে হেনস্তা-গালমন্দ

আপডেট সময় : ০৯:০৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

পেকুয়া উপজেলার মগনামায় জেলে কার্ড বিতরণ নিয়ে চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরীকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে একই ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য নুর মুহাম্মদের বিরুদ্ধে। রবিবার ১২টার দিকে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

হেনস্তার শিকার ইউনুস চৌধুরী মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। হেনস্তাকারী ইউপি সদস্য নুর মোহাম্মদও একই ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য।

চেয়ারম্যানকে হেনস্তা ও গালমন্দের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনা সবার নজরে আসে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদ এবং এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করেছে।

মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, তাকে অহেতুকভাবে হেনস্তা করেছে মেম্বার নুর মুহাম্মদ। নুর মোহাম্মদ প্রতিবারই চাল বিতরণের সময় চালের কার্ড ভুক্তভোগীদের না দিয়ে নিজে আত্মসাৎ করেছে। এলাকা থেকে চলে গেছে এমন কিছু অসহায় মানুষের কার্ড নিয়ে আত্মাসাৎ করতে চেয়েছে। কিন্তু আমি সেই অবৈধ সুযোগ না দেওয়ার কারণে আমাকে চরমভাবে হেনস্তা করেছে। আমি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পেকুয়া থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি।

এদিকে ইউপি সদস্য নুর মুহাম্মদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, জেলে কার্ড বিতরণে বরাদ্দ তালিকায় অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের কারণে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হচ্ছে। আমি একজন ইউপি সদস্য হিসেবে আমাকে আমার প্রাপ্য অধিকার দেওয়া হচ্ছে না। আমার ওয়ার্ডে একজনকেও কার্ড দেওয়া হয়নি।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, ঘটনাটি শুনার সাথে সাথে ইউনিয়ন পরিষদে পুলিশ পাঠিয়েছি। এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।