ঢাকা ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২ দশকেরও বেশী সময় পর রামুর হাতে শিরোপা টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর রোহিঙ্গা কিশোরী উদ্ধার, অভিযুক্ত পলাতক টেকনাফে মুক্তিপণ আদায়ের পরও অপহৃত ঈদগাঁওর ২ বাসিন্দা উদ্ধার পেকুয়ার শিলখালীতে মাদকবিরোধী অভিযান, আটক ২ মুরগির ওজনে কারসাজি : ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বলে বিক্রি, অন্য দোকানে ওজন ২ কেজি ২০০ গ্রাম বিষপান করে উখিয়া হাসপাতালে দিনমজুর মমতাজ : অ্যাম্বুলেন্স দিল না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জসিম উদ্দিন হেলাল কে ভারতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে : দোয়া কামনা পরিবারের ঈদগাঁও উপজেলা সমবায় অফিসারের নিয়োগকৃত পশ্চিম গোমাতলী ভূমিহীন কৃষি সমবায় সমিতির নির্বাচন কমিটি বাতিল বাঁকখালী নদীকে সংকটাপন্ন ঘোষণা, দখলদার উচ্ছেদে হাইকোর্টের পুর্ণাঙ্গ রায় চট্রগ্রামে পুলিশের উপর হামলা: সন্ত্রাসী ‘বিহারী বগা’কে প্রধান করে ২৭১ জনের বিরুদ্ধে মামলা রান্নাঘর রেস্টুরেন্টসহ ৩ প্রতিষ্ঠানকে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা উখিয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি শাহীন,সহ-সভাপতি সেলিম, সম্পাদক ফারুক কলেজে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ইমতিয়াজের মৃত্যু সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার ১৬ ডিসেম্বর আংশিক চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল

মগনামায় জেলে কার্ড নিয়ে চেয়ারম্যানকে হেনস্তা-গালমন্দ

পেকুয়া উপজেলার মগনামায় জেলে কার্ড বিতরণ নিয়ে চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরীকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে একই ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য নুর মুহাম্মদের বিরুদ্ধে। রবিবার ১২টার দিকে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

হেনস্তার শিকার ইউনুস চৌধুরী মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। হেনস্তাকারী ইউপি সদস্য নুর মোহাম্মদও একই ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য।

চেয়ারম্যানকে হেনস্তা ও গালমন্দের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনা সবার নজরে আসে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদ এবং এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করেছে।

মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, তাকে অহেতুকভাবে হেনস্তা করেছে মেম্বার নুর মুহাম্মদ। নুর মোহাম্মদ প্রতিবারই চাল বিতরণের সময় চালের কার্ড ভুক্তভোগীদের না দিয়ে নিজে আত্মসাৎ করেছে। এলাকা থেকে চলে গেছে এমন কিছু অসহায় মানুষের কার্ড নিয়ে আত্মাসাৎ করতে চেয়েছে। কিন্তু আমি সেই অবৈধ সুযোগ না দেওয়ার কারণে আমাকে চরমভাবে হেনস্তা করেছে। আমি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পেকুয়া থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি।

এদিকে ইউপি সদস্য নুর মুহাম্মদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, জেলে কার্ড বিতরণে বরাদ্দ তালিকায় অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের কারণে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হচ্ছে। আমি একজন ইউপি সদস্য হিসেবে আমাকে আমার প্রাপ্য অধিকার দেওয়া হচ্ছে না। আমার ওয়ার্ডে একজনকেও কার্ড দেওয়া হয়নি।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, ঘটনাটি শুনার সাথে সাথে ইউনিয়ন পরিষদে পুলিশ পাঠিয়েছি। এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

২ দশকেরও বেশী সময় পর রামুর হাতে শিরোপা

মগনামায় জেলে কার্ড নিয়ে চেয়ারম্যানকে হেনস্তা-গালমন্দ

আপডেট সময় : ০৯:০৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

পেকুয়া উপজেলার মগনামায় জেলে কার্ড বিতরণ নিয়ে চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরীকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে একই ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য নুর মুহাম্মদের বিরুদ্ধে। রবিবার ১২টার দিকে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

হেনস্তার শিকার ইউনুস চৌধুরী মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। হেনস্তাকারী ইউপি সদস্য নুর মোহাম্মদও একই ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য।

চেয়ারম্যানকে হেনস্তা ও গালমন্দের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনা সবার নজরে আসে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদ এবং এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করেছে।

মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, তাকে অহেতুকভাবে হেনস্তা করেছে মেম্বার নুর মুহাম্মদ। নুর মোহাম্মদ প্রতিবারই চাল বিতরণের সময় চালের কার্ড ভুক্তভোগীদের না দিয়ে নিজে আত্মসাৎ করেছে। এলাকা থেকে চলে গেছে এমন কিছু অসহায় মানুষের কার্ড নিয়ে আত্মাসাৎ করতে চেয়েছে। কিন্তু আমি সেই অবৈধ সুযোগ না দেওয়ার কারণে আমাকে চরমভাবে হেনস্তা করেছে। আমি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং পেকুয়া থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি।

এদিকে ইউপি সদস্য নুর মুহাম্মদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, জেলে কার্ড বিতরণে বরাদ্দ তালিকায় অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের কারণে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হচ্ছে। আমি একজন ইউপি সদস্য হিসেবে আমাকে আমার প্রাপ্য অধিকার দেওয়া হচ্ছে না। আমার ওয়ার্ডে একজনকেও কার্ড দেওয়া হয়নি।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, ঘটনাটি শুনার সাথে সাথে ইউনিয়ন পরিষদে পুলিশ পাঠিয়েছি। এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।