ঢাকা ১১:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত, বাড়ছে লোডশেডিং নাইক্ষ্যংছড়িতে সেতুর রেলিং থেকে পড়ে যুবকের প্রাণহানি কক্সবাজারে আসছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী: পরিদর্শন করবেন এসপিএমসহ মেগা প্রকল্প ঈদগাঁও উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের অফিস উদ্বোধন ঈদগাঁও উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের অফিস উদ্বোধন লামায় মাতামুহুরি নদীতে গোসলে নেমে এক পর্যটকের মৃত্যু সীমান্তে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ কক্সবাজার সরকারি কলেজে চালু হলো গনিত ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স নৌবাহিনীর অভিযানে ৭২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২ পাকস্থলীতে ইয়াবা, দুই যুবক আটক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খুঁটিতে ধাক্কা, পিকআপের যাত্রী নিহত ঋণের বোঝা,পারিবারিক কলহ,রামুতে ওড়না পেঁচিয়ে যুবকের আত্মহত্যা! কক্সবাজার-মহেশখালী সেতু নির্মাণের কাজ শীঘ্রই শুরু হবে-সেতু সচিব… আ.লীগ সরকারের রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কক্সবাজার উপকূলে শত পরিবারে কান্না

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানালো বাংলাদেশ

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন পুনরায় শুরু হওয়ার তীব্র নিন্দা এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ। আগ্রাসনের ফলে শিশু ও নারীসহ নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে এবং এই অঞ্চলে ইতোমধ্যেই ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। সহিংসতার এই নতুন চক্র আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং প্রতিষ্ঠিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রতি গুরুতর অবজ্ঞার প্রতিনিধিত্ব করে বলে অভিমত বাংলাদেশ সরকারের।

বুধবার (১৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশ দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘনবসতিপূর্ণ বেসামরিক এলাকায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর অব্যাহত নির্বিচার বিমান হামলার নিন্দা জানায়, যা মানবিক দুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে এবং অসহায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ভয়াবহ পরিণতি ডেকে এনেছে। বাংলাদেশ সরকার ইসরায়েলকে অবিলম্বে সব সামরিক অভিযান বন্ধ, সর্বাধিক সংযম প্রদর্শন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে তার বাধ্যবাধকতাগুলোকে সম্মান করার আহ্বান জানিয়েছে।

আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে, তারা যেন যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত, বেসামরিক নাগরিকদের জীবন রক্ষা এবং গাজার অবরুদ্ধ জনগণের কাছে মানবিক সহায়তা নিরবচ্ছিন্নভাবে পৌঁছে দিতে জরুরি ও সিদ্ধান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়।

ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকারের প্রতি তার অটল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে। যার মধ্যে রয়েছে তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী সীমান্ত বরাবর একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, যার রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, আন্তর্জাতিক আইনের নীতিমালা, জাতিসংঘের প্রস্তাবনা এবং শান্তি, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের জন্য ফিলিস্তিনি জনগণের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ফিলিস্তিনি প্রশ্নের টেকসই সমাধান অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানালো বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৬:২৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসন পুনরায় শুরু হওয়ার তীব্র নিন্দা এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ। আগ্রাসনের ফলে শিশু ও নারীসহ নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে এবং এই অঞ্চলে ইতোমধ্যেই ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। সহিংসতার এই নতুন চক্র আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং প্রতিষ্ঠিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রতি গুরুতর অবজ্ঞার প্রতিনিধিত্ব করে বলে অভিমত বাংলাদেশ সরকারের।

বুধবার (১৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশ দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘনবসতিপূর্ণ বেসামরিক এলাকায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর অব্যাহত নির্বিচার বিমান হামলার নিন্দা জানায়, যা মানবিক দুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে এবং অসহায় ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ভয়াবহ পরিণতি ডেকে এনেছে। বাংলাদেশ সরকার ইসরায়েলকে অবিলম্বে সব সামরিক অভিযান বন্ধ, সর্বাধিক সংযম প্রদর্শন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে তার বাধ্যবাধকতাগুলোকে সম্মান করার আহ্বান জানিয়েছে।

আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে, তারা যেন যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত, বেসামরিক নাগরিকদের জীবন রক্ষা এবং গাজার অবরুদ্ধ জনগণের কাছে মানবিক সহায়তা নিরবচ্ছিন্নভাবে পৌঁছে দিতে জরুরি ও সিদ্ধান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়।

ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকারের প্রতি তার অটল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে। যার মধ্যে রয়েছে তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী সীমান্ত বরাবর একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, যার রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, আন্তর্জাতিক আইনের নীতিমালা, জাতিসংঘের প্রস্তাবনা এবং শান্তি, মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের জন্য ফিলিস্তিনি জনগণের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ফিলিস্তিনি প্রশ্নের টেকসই সমাধান অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।