ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সফরের ১ দিন আগেই কক্সবাজারে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অপেক্ষায় সাজছে কক্সবাজার, নিরাপত্তা জোরদার প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে পেকুয়ায় চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি রামুর কাউয়ারখোপে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার উত্তপ্ত উখিয়ার আঞ্জুমান সীমান্ত / ৫ কোটি টাকার ইয়াবা লুট নিয়ে মুখোমুখি দুই মাদককারবারি! ফুটবল ইতিহাসে যে লজ্জার রেকর্ডে শীর্ষে ব্রাজিল কক্সবাজারে কোরাল, চিংড়ি, কাঁকড়া, সী-উইড উৎপাদনে সম্ভাবনা ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে কি নেইমার খেলবেন? মাটির নিচে লুকিয়ে মৃত্যুভয়, মাইন অপসারণ চায় সীমান্তবাসী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ১৭৫ বাংলাদেশি শহীদ হয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী টেকপাড়ায় বাসায় ঢুকে ছুরিকাঘাত, হাসপাতালে প্রাণ গেল নারীর : আটক ৩ বরফ গলেছে টিটিএনের টকশোতে: কর্মসূচী প্রত্যাহার ব্রাজিল সমর্থকদের,আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কৃতজ্ঞতা ‎কুতুবদিয়ায় বাপার উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ, কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সীমান্তের ৩ শতাধিক রোগীর ফ্রী সেবায় নাইক্ষ্যংছড়িস্থ ১১ বিজিবি মাতামুহুরীতে ডাকাতির সময় মা-মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ৬

রোহিঙ্গাদের জন্য এ বছর চাওয়া হয়েছে ৭১০ মিলিয়ন ডলার

রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা তহবিল যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় (জেআরপি) ২০২৬ সালের জন্য ৭১০ মিলিয়ন ডলার চাওয়া হয়েছে। খাদ্যনিরাপত্তা, সুরক্ষা, শিক্ষাসহ আটটি খাতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী, টেকনাফের স্থানীয় বাসিন্দা এবং ভাষানচরে স্থানান্তরিত রোহিঙ্গা মিলিয়ে মোট ১৫ লাখ মানুষের সহায়তায় এই তহবিল চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ১২ লাখ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠী ৩ লাখ ৭ হাজার।

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর গুলশানে জাতিসংঘের দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক সভায় জেআরপি ২০২৬–এর তহবিলের ঘোষণা দেওয়া হয়। জেআরপির তহবিল ঘোষণার আলোচনায় জানানো হয়েছে, চলতি বছরের ৭১০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে ৬৭৪ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার রোহিঙ্গাদের জন্য এবং অবশিষ্ট ৩৬ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দের কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব এম ফরহাদুল ইসলাম, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক উপহাইকমিশনার কেলি ক্লিমেন্টস, ইউএনউইমেনের উপনির্বাহী পরিচালক নিয়ারাদজায়ি গুমবুন্দজভান্দা, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সহকারী নির্বাহী পরিচালক রানিয়া দাগাশ কামারা, বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক সমন্বয়কারী কেরোল ফ্লোরে। আলোচনায় সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন।

জেআরপি ২০২৬ উপস্থাপনা করেন কক্সবাজারে শরণার্থী প্ল্যাটফর্মের প্রধান ডেভিড বাগডেন। তিনি জানান, চলতি বছরের জেআরপিতে সর্বোচ্চ ২৫৩ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ ধরা হয়েছে খাদ্যনিরাপত্তায়। আশ্রায়ণের জন্য ১৩২ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার, নিরাপত্তার জন্য ৭৮ মিলিয়ন ডলার, পানি, স্যানিটেশন ও পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতার জন্য মোট ৬৪ মিলিয়ন ডলার। শিক্ষায় ধরা হয়েছে ৫৪ মিলিয়ন ডলার ও স্বাস্থ্যে ৫৩ মিলিয়ন ডলার। দক্ষতা উন্নয়নের জন্য খরচ হবে ৪০ মিলিয়ন ডলারের মতো। পুষ্টির জন্য ৩১ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলারের মতো খরচ ধরা হয়েছে। তিনি জানান, জেআরপির মোট তহবিলের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাকি অর্থ দেওয়ার কথা ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য দাতা সংস্থা।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন জানান, চলতি বছরের মোট চাহিদার মধ্যে গত এপ্রিল পর্যন্ত ৬৩ শতাংশ তহবিল জোগাড় করা হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সফরের ১ দিন আগেই কক্সবাজারে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের জন্য এ বছর চাওয়া হয়েছে ৭১০ মিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা তহবিল যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় (জেআরপি) ২০২৬ সালের জন্য ৭১০ মিলিয়ন ডলার চাওয়া হয়েছে। খাদ্যনিরাপত্তা, সুরক্ষা, শিক্ষাসহ আটটি খাতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী, টেকনাফের স্থানীয় বাসিন্দা এবং ভাষানচরে স্থানান্তরিত রোহিঙ্গা মিলিয়ে মোট ১৫ লাখ মানুষের সহায়তায় এই তহবিল চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ১২ লাখ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠী ৩ লাখ ৭ হাজার।

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর গুলশানে জাতিসংঘের দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক সভায় জেআরপি ২০২৬–এর তহবিলের ঘোষণা দেওয়া হয়। জেআরপির তহবিল ঘোষণার আলোচনায় জানানো হয়েছে, চলতি বছরের ৭১০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে ৬৭৪ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার রোহিঙ্গাদের জন্য এবং অবশিষ্ট ৩৬ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দের কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব এম ফরহাদুল ইসলাম, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক উপহাইকমিশনার কেলি ক্লিমেন্টস, ইউএনউইমেনের উপনির্বাহী পরিচালক নিয়ারাদজায়ি গুমবুন্দজভান্দা, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সহকারী নির্বাহী পরিচালক রানিয়া দাগাশ কামারা, বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক সমন্বয়কারী কেরোল ফ্লোরে। আলোচনায় সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন।

জেআরপি ২০২৬ উপস্থাপনা করেন কক্সবাজারে শরণার্থী প্ল্যাটফর্মের প্রধান ডেভিড বাগডেন। তিনি জানান, চলতি বছরের জেআরপিতে সর্বোচ্চ ২৫৩ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ ধরা হয়েছে খাদ্যনিরাপত্তায়। আশ্রায়ণের জন্য ১৩২ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার, নিরাপত্তার জন্য ৭৮ মিলিয়ন ডলার, পানি, স্যানিটেশন ও পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতার জন্য মোট ৬৪ মিলিয়ন ডলার। শিক্ষায় ধরা হয়েছে ৫৪ মিলিয়ন ডলার ও স্বাস্থ্যে ৫৩ মিলিয়ন ডলার। দক্ষতা উন্নয়নের জন্য খরচ হবে ৪০ মিলিয়ন ডলারের মতো। পুষ্টির জন্য ৩১ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলারের মতো খরচ ধরা হয়েছে। তিনি জানান, জেআরপির মোট তহবিলের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাকি অর্থ দেওয়ার কথা ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ অন্যান্য দাতা সংস্থা।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন জানান, চলতি বছরের মোট চাহিদার মধ্যে গত এপ্রিল পর্যন্ত ৬৩ শতাংশ তহবিল জোগাড় করা হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো