কক্সবাজারে ‘জুলাই যোদ্ধা’ ও ছাত্রদল নেতা খোরশেদ আলম হত্যার ঘটনায় অবশেষে মামলা দায়ের হয়েছে।
মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৩ থেকে ৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নিহত খোরশেদের ভাই নওশাদ আলম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছমিউদ্দিন।
এজাহারে শহরের ঝাউতলা গাড়ির মাঠ এলাকার মোহাম্মদুল হক তারেককে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—রাকিব হাছান, আরিফুল ইসলাম সামি, মো. সোহেল, মো. আইয়ুব, সাইফুল ইসলাম হৃদয়, মো. জোবায়ের, মো. রিদুয়ান করিম, মো. নবী উল্লাহ,মোঃ রাকিব।
আলোচনায় থাকা খোরশেদ আলমের বান্ধবী রাইসা তারিন সোলতানাকে মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে।
এর আগে, এক সংবাদ সম্মেলনে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান জানিয়েছেন, এই হত্যাকাণ্ডে তারিনের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তবে ঘটনার পরপরই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। হেফাজতে নেওয়ার আগে তারিন সাংবাদিকদের জানান, কবিতা চত্বর এলাকায় অবস্থানকালে একদল দুর্বৃত্ত তাদের ঘিরে ধরে খোরশেদের কাছে মূল্যবান জিনিসপত্র দাবি করে। একপর্যায়ে ‘আরিফ’ নামে একজনকে মারধরের অভিযোগ তুলে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে সৈকতের কবিতা চত্বর সংলগ্ন এলাকায় খোরশেদ আলমকে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত খোরশেদ শহরের পাহাড়তলী এলাকার বাসিন্দা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ঘটনার পরপরই প্রধান অভিযুক্ত তারেককে চকরিয়ার খুটাখালী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
সিয়াম সোহেল 

















