ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এসএসসিতে ১২৪৭ নম্বর পেয়ে ফাউজিয়া আফিয়া করিম কক্সবাজার জেলায় চতুর্থ ইপসা’র উদ্যোগে মানবপাচার প্রতিরোধ বিষয়ক পরামর্শ সভা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ, বিলবোর্ড ৭টায় টিটিএনে সংবাদ প্রকাশের পর লোহাগাড়ায় সড়ক দখলকরে ছাগলের বাজার বসানো ইজারাদারকে জরিমানা ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন এসএসসিতে পেকুয়ার সেরা মাহাথিরের পুলিশে রদবদল, বিদায় নিচ্ছেন কক্সবাজারের এসপি? রামু থেকে অটোরিকশা ভাড়া করে ছিনতাই : রক্তাক্ত অবস্থায় চালককে পেকুয়া থেকে উদ্ধার  লোহাগাড়ার পদুয়ায় সড়ক দখল করে ছাগলের বাজার, মহাসড়কে তীব্র যানজট কক্সবাজার আদালতে গোলাগুলি, আত্মসমর্পণ করে কারাগারে বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী এসএসসিতে কক্সবাজারে সেরা মুনতাকা সাইবা,বিজ্ঞান, ব্যবসা ও মানবিক বিভাগে সেরা যারা আবারও রিমান্ডে ডেভিড ইমন সার ছি’নতাইয়ে আলোচিত সেই কামাল মেম্বারের ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ হারালো দুই বন্ধু ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার কাজ করছে : তথ্যমন্ত্রী আবাসস্থল ও করিডর হারিয়ে সংকটে বন্য হাতি রোনালদো এখন আর্জেন্টিনার জামাই!

কুতুপালংয়ের ‘হিন্দু’ শরণার্থী ক্যাম্পে শুরু হলো দুর্গোৎসব

মিয়ানমার থেকে ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় দেশটি রাখাইন প্রদেশের শতাধিক হিন্দু পরিবার।

কক্সবাজারের দুই উপজেলায় রয়েছে ৩৩ টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প, এর মধ্যে উখিয়ার কুতুপালংয়ে ১ নং (ইস্ট ও ওয়েস্ট) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী হিন্দু শরণার্থী ক্যাম্পে পরিবারগুলো আশ্রয় পায়।

২০১৮ সাল থেকে এই ক্যাম্পে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হয়ে আসছে।

রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে হিন্দু ক্যাম্পের একমাত্র ধর্মীয় উপসনালয় ‘ শক্তি রাধাকৃষ্ণ’ মন্দিরে দূর্গাপূজা শুরু হয়।

দুপুরে ক্যাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি কক্সবাজারের সহযোগিতায় আশ্রিত ১২৭ পরিবারের মধ্যে শাড়ী সহ প্রসাদ হিসেবে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্প ইনচার্জ ও সহকারী সচিব মোহাম্মদ মুনিবুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘ হিন্দু শরণার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে নিজেদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন সে ক্ষেত্রে ক্যাম্প প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠানের অতিথি মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে বলেন, ‘ মুক্তি কক্সবাজার মানবিক এই কার্যক্রমে ক্যাম্প প্রশাসনের সাথে থাকতে পেরে গর্বিত, আমরা এই উদ্যোগ আগামীতে অব্যাহত রাখব।’

ক্যাম্পের কমিউনিটি নেতা কাজল শীল বলেন,’বাংলাদেশের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ, অনিশ্চিত আশ্রয় জীবনেও পরিবার পরিজন দুর্গোৎসব পালন করতে পারছি। ‘

মুক্তির শিক্ষা প্রকল্পের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহীন জানান, ক্যাম্প প্রশাসনের নির্দেশনায়  মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে ২০১৭ থেকে মুক্তি ভূমিকা রাখছে, তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই কার্যক্রম। নতুন পোশাকের পাশাপাশি চাল,ডাল,তেলও প্রসাদ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

এসএসসিতে ১২৪৭ নম্বর পেয়ে ফাউজিয়া আফিয়া করিম কক্সবাজার জেলায় চতুর্থ

কুতুপালংয়ের ‘হিন্দু’ শরণার্থী ক্যাম্পে শুরু হলো দুর্গোৎসব

আপডেট সময় : ১০:০৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মিয়ানমার থেকে ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় দেশটি রাখাইন প্রদেশের শতাধিক হিন্দু পরিবার।

কক্সবাজারের দুই উপজেলায় রয়েছে ৩৩ টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প, এর মধ্যে উখিয়ার কুতুপালংয়ে ১ নং (ইস্ট ও ওয়েস্ট) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী হিন্দু শরণার্থী ক্যাম্পে পরিবারগুলো আশ্রয় পায়।

২০১৮ সাল থেকে এই ক্যাম্পে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হয়ে আসছে।

রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে হিন্দু ক্যাম্পের একমাত্র ধর্মীয় উপসনালয় ‘ শক্তি রাধাকৃষ্ণ’ মন্দিরে দূর্গাপূজা শুরু হয়।

দুপুরে ক্যাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি কক্সবাজারের সহযোগিতায় আশ্রিত ১২৭ পরিবারের মধ্যে শাড়ী সহ প্রসাদ হিসেবে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্প ইনচার্জ ও সহকারী সচিব মোহাম্মদ মুনিবুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘ হিন্দু শরণার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে নিজেদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন সে ক্ষেত্রে ক্যাম্প প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠানের অতিথি মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে বলেন, ‘ মুক্তি কক্সবাজার মানবিক এই কার্যক্রমে ক্যাম্প প্রশাসনের সাথে থাকতে পেরে গর্বিত, আমরা এই উদ্যোগ আগামীতে অব্যাহত রাখব।’

ক্যাম্পের কমিউনিটি নেতা কাজল শীল বলেন,’বাংলাদেশের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ, অনিশ্চিত আশ্রয় জীবনেও পরিবার পরিজন দুর্গোৎসব পালন করতে পারছি। ‘

মুক্তির শিক্ষা প্রকল্পের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহীন জানান, ক্যাম্প প্রশাসনের নির্দেশনায়  মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে ২০১৭ থেকে মুক্তি ভূমিকা রাখছে, তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই কার্যক্রম। নতুন পোশাকের পাশাপাশি চাল,ডাল,তেলও প্রসাদ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।