ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্প: বাড়ছে নিহতের সংখ্যা, এখনো নিখোঁজ ৫০ হাজার সাভারে ফ্ল্যাটে নারীর লাশ: পুলিশের ধারণা, ‘ধর্ষণের পর হত্যা’ সারাদেশে ১০ লাখ কিউআর কোড চালু, বাড়ছে ডিজিটাল লেনদেন ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আবারও পাল্টালো পুলিশের পোশাক কক্সবাজার পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থিতা ঘোষণা, তৃণমূলে আলোচনায় কারানির্যাতিত ছাত্রদল নেতা রায়হান বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসে কক্সবাজারে বিএসপিএ’র আলোচনা সভা বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতায় বাংলাদেশের পাশে আছে চীন : রাষ্ট্রদূত মিয়ানমারে সংঘর্ষ : সতর্ক অবস্থানে বিজিবি,ড্রোন দিয়ে নজরদারি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হলেন ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক মাদক মামলার ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোরশেদ গ্রেফতার টেকনাফে বিজিবির অভিযান, বিপুল পরিমাণ আইস ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার সৈকতের বালুচরে ছুটছে ‘মেসি’, স্বপ্নে আর্জেন্টিনার শিরোপা লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল হতে পারে সাগর, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

কুতুপালংয়ের ‘হিন্দু’ শরণার্থী ক্যাম্পে শুরু হলো দুর্গোৎসব

মিয়ানমার থেকে ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় দেশটি রাখাইন প্রদেশের শতাধিক হিন্দু পরিবার।

কক্সবাজারের দুই উপজেলায় রয়েছে ৩৩ টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প, এর মধ্যে উখিয়ার কুতুপালংয়ে ১ নং (ইস্ট ও ওয়েস্ট) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী হিন্দু শরণার্থী ক্যাম্পে পরিবারগুলো আশ্রয় পায়।

২০১৮ সাল থেকে এই ক্যাম্পে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হয়ে আসছে।

রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে হিন্দু ক্যাম্পের একমাত্র ধর্মীয় উপসনালয় ‘ শক্তি রাধাকৃষ্ণ’ মন্দিরে দূর্গাপূজা শুরু হয়।

দুপুরে ক্যাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি কক্সবাজারের সহযোগিতায় আশ্রিত ১২৭ পরিবারের মধ্যে শাড়ী সহ প্রসাদ হিসেবে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্প ইনচার্জ ও সহকারী সচিব মোহাম্মদ মুনিবুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘ হিন্দু শরণার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে নিজেদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন সে ক্ষেত্রে ক্যাম্প প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠানের অতিথি মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে বলেন, ‘ মুক্তি কক্সবাজার মানবিক এই কার্যক্রমে ক্যাম্প প্রশাসনের সাথে থাকতে পেরে গর্বিত, আমরা এই উদ্যোগ আগামীতে অব্যাহত রাখব।’

ক্যাম্পের কমিউনিটি নেতা কাজল শীল বলেন,’বাংলাদেশের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ, অনিশ্চিত আশ্রয় জীবনেও পরিবার পরিজন দুর্গোৎসব পালন করতে পারছি। ‘

মুক্তির শিক্ষা প্রকল্পের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহীন জানান, ক্যাম্প প্রশাসনের নির্দেশনায়  মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে ২০১৭ থেকে মুক্তি ভূমিকা রাখছে, তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই কার্যক্রম। নতুন পোশাকের পাশাপাশি চাল,ডাল,তেলও প্রসাদ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্প: বাড়ছে নিহতের সংখ্যা, এখনো নিখোঁজ ৫০ হাজার

কুতুপালংয়ের ‘হিন্দু’ শরণার্থী ক্যাম্পে শুরু হলো দুর্গোৎসব

আপডেট সময় : ১০:০৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মিয়ানমার থেকে ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় দেশটি রাখাইন প্রদেশের শতাধিক হিন্দু পরিবার।

কক্সবাজারের দুই উপজেলায় রয়েছে ৩৩ টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প, এর মধ্যে উখিয়ার কুতুপালংয়ে ১ নং (ইস্ট ও ওয়েস্ট) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী হিন্দু শরণার্থী ক্যাম্পে পরিবারগুলো আশ্রয় পায়।

২০১৮ সাল থেকে এই ক্যাম্পে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হয়ে আসছে।

রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে হিন্দু ক্যাম্পের একমাত্র ধর্মীয় উপসনালয় ‘ শক্তি রাধাকৃষ্ণ’ মন্দিরে দূর্গাপূজা শুরু হয়।

দুপুরে ক্যাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি কক্সবাজারের সহযোগিতায় আশ্রিত ১২৭ পরিবারের মধ্যে শাড়ী সহ প্রসাদ হিসেবে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্প ইনচার্জ ও সহকারী সচিব মোহাম্মদ মুনিবুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘ হিন্দু শরণার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে নিজেদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন সে ক্ষেত্রে ক্যাম্প প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠানের অতিথি মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে বলেন, ‘ মুক্তি কক্সবাজার মানবিক এই কার্যক্রমে ক্যাম্প প্রশাসনের সাথে থাকতে পেরে গর্বিত, আমরা এই উদ্যোগ আগামীতে অব্যাহত রাখব।’

ক্যাম্পের কমিউনিটি নেতা কাজল শীল বলেন,’বাংলাদেশের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ, অনিশ্চিত আশ্রয় জীবনেও পরিবার পরিজন দুর্গোৎসব পালন করতে পারছি। ‘

মুক্তির শিক্ষা প্রকল্পের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহীন জানান, ক্যাম্প প্রশাসনের নির্দেশনায়  মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে ২০১৭ থেকে মুক্তি ভূমিকা রাখছে, তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই কার্যক্রম। নতুন পোশাকের পাশাপাশি চাল,ডাল,তেলও প্রসাদ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।