ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি প্রধানমন্ত্রীকে বরনে প্রস্তুত পেকুয়া কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হলো ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চাই -কক্সবাজারে ক্রীড়ামন্ত্রী কুতুবদিয়ায় উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে দিনব্যাপী কর্মসূচি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগুন, ক্ষতি প্রায় ১২ লাখ টাকা কক্সবাজারে ১২ ঘন্টার সফরে ১১ কর্মসূচীতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজের দোকানে ফাঁসিতে ঝুলেছে মুজিব: পরকিয়া ও টাকার লেনদেন বলছে স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভা করার দাবি জানালেন ছাত্রনেতা বাসেত মির্জা বৃহত্তর মনোহরখালী ঐক্য পরিষদের জার্সি উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সফর, ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান জসিম বিশ্বকাপে নামার আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে দুঃসংবাদ দাপট দেখিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করল মেক্সিকো

কুতুপালংয়ের ‘হিন্দু’ শরণার্থী ক্যাম্পে শুরু হলো দুর্গোৎসব

মিয়ানমার থেকে ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় দেশটি রাখাইন প্রদেশের শতাধিক হিন্দু পরিবার।

কক্সবাজারের দুই উপজেলায় রয়েছে ৩৩ টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প, এর মধ্যে উখিয়ার কুতুপালংয়ে ১ নং (ইস্ট ও ওয়েস্ট) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী হিন্দু শরণার্থী ক্যাম্পে পরিবারগুলো আশ্রয় পায়।

২০১৮ সাল থেকে এই ক্যাম্পে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হয়ে আসছে।

রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে হিন্দু ক্যাম্পের একমাত্র ধর্মীয় উপসনালয় ‘ শক্তি রাধাকৃষ্ণ’ মন্দিরে দূর্গাপূজা শুরু হয়।

দুপুরে ক্যাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি কক্সবাজারের সহযোগিতায় আশ্রিত ১২৭ পরিবারের মধ্যে শাড়ী সহ প্রসাদ হিসেবে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্প ইনচার্জ ও সহকারী সচিব মোহাম্মদ মুনিবুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘ হিন্দু শরণার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে নিজেদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন সে ক্ষেত্রে ক্যাম্প প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠানের অতিথি মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে বলেন, ‘ মুক্তি কক্সবাজার মানবিক এই কার্যক্রমে ক্যাম্প প্রশাসনের সাথে থাকতে পেরে গর্বিত, আমরা এই উদ্যোগ আগামীতে অব্যাহত রাখব।’

ক্যাম্পের কমিউনিটি নেতা কাজল শীল বলেন,’বাংলাদেশের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ, অনিশ্চিত আশ্রয় জীবনেও পরিবার পরিজন দুর্গোৎসব পালন করতে পারছি। ‘

মুক্তির শিক্ষা প্রকল্পের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহীন জানান, ক্যাম্প প্রশাসনের নির্দেশনায়  মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে ২০১৭ থেকে মুক্তি ভূমিকা রাখছে, তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই কার্যক্রম। নতুন পোশাকের পাশাপাশি চাল,ডাল,তেলও প্রসাদ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি

কুতুপালংয়ের ‘হিন্দু’ শরণার্থী ক্যাম্পে শুরু হলো দুর্গোৎসব

আপডেট সময় : ১০:০৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মিয়ানমার থেকে ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় দেশটি রাখাইন প্রদেশের শতাধিক হিন্দু পরিবার।

কক্সবাজারের দুই উপজেলায় রয়েছে ৩৩ টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প, এর মধ্যে উখিয়ার কুতুপালংয়ে ১ নং (ইস্ট ও ওয়েস্ট) রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পার্শ্ববর্তী হিন্দু শরণার্থী ক্যাম্পে পরিবারগুলো আশ্রয় পায়।

২০১৮ সাল থেকে এই ক্যাম্পে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপিত হয়ে আসছে।

রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে হিন্দু ক্যাম্পের একমাত্র ধর্মীয় উপসনালয় ‘ শক্তি রাধাকৃষ্ণ’ মন্দিরে দূর্গাপূজা শুরু হয়।

দুপুরে ক্যাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তি কক্সবাজারের সহযোগিতায় আশ্রিত ১২৭ পরিবারের মধ্যে শাড়ী সহ প্রসাদ হিসেবে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্প ইনচার্জ ও সহকারী সচিব মোহাম্মদ মুনিবুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘ হিন্দু শরণার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে নিজেদের ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন সে ক্ষেত্রে ক্যাম্প প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠানের অতিথি মুক্তি কক্সবাজারের প্রধান নির্বাহী বিমল চন্দ্র দে বলেন, ‘ মুক্তি কক্সবাজার মানবিক এই কার্যক্রমে ক্যাম্প প্রশাসনের সাথে থাকতে পেরে গর্বিত, আমরা এই উদ্যোগ আগামীতে অব্যাহত রাখব।’

ক্যাম্পের কমিউনিটি নেতা কাজল শীল বলেন,’বাংলাদেশের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ, অনিশ্চিত আশ্রয় জীবনেও পরিবার পরিজন দুর্গোৎসব পালন করতে পারছি। ‘

মুক্তির শিক্ষা প্রকল্পের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহীন জানান, ক্যাম্প প্রশাসনের নির্দেশনায়  মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে ২০১৭ থেকে মুক্তি ভূমিকা রাখছে, তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই কার্যক্রম। নতুন পোশাকের পাশাপাশি চাল,ডাল,তেলও প্রসাদ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।