ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনানোটিশে স্থানীয়দের ৩শ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি! নয়াবাজারে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, অপহরণ চেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ দাবি প্রতিপক্ষের কুতুবদিয়ায় দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘মেসি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবে না’ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু টেকনাফে দুই বোটসহ ৭ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি পেকুয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষ: দুই যাত্রীর মৃত্যু কুতুবদিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব মনোনীত হলেন সাংবাদিক আবুল কাশেম রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে ইইউর সহযোগিতা চাইলেন মন্ত্রী টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী মনছুর আটক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি কাজল -রোহিঙ্গা ক্যাম্প মাদক ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির হেড কোয়ার্টার শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে, সৃজনশীল হোক: শিক্ষামন্ত্রী গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, কার্যকর হবে ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তে ১১ স্কাইডাইভার ও পাইলট নিহত চকরিয়ার দুই মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ, ‎সন্ধান চায় পরিবার

কালের স্বাক্ষী মগনামা সিকদার বাড়ী: শতবর্ষী স্থাপত্য সংরক্ষনের দাবী

সময়ের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে পেকুয়ার মগনামা সিকদার বাড়ির এই শতবর্ষী স্থাপত্য।

একসময় যেখানে জমিদারের আসর বসতো, অতিথিদের পদচারণায় মুখর থাকতো চারপাশ— আজ সেখানে নীরবতা আর ইতিহাসের দীর্ঘশ্বাস।

ভাঙা দেয়াল, শেকড়ে জড়িয়ে থাকা ইটগুলো যেন বলে যায় হারিয়ে যাওয়া এক ঐতিহ্যের গল্প।

প্রকৃতি ধীরে ধীরে নিজের করে নিচ্ছে এই প্রাচীন নিদর্শনকে, তবুও এর গায়ে লেগে আছে অতীতের গৌরব ও অহংকারের ছাপ।

মগনামা সিকদার বাড়ি শুধু একটি পুরোনো স্থাপনা নয়, এটি আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি আর শেকড়ের এক জীবন্ত স্মৃতি।

ঐতিহ্যের এই স্মারক সংরক্ষণের দাবী জানিয়েছে স্থানীয়রা। স্থানীয়রা জানান, সিকদার বাড়ী টি জমিদারদের ছিলো তবে জমিদার বাড়ী হিসেবে নয় শতবর্ষী স্থাপত্য হিসেবে সংরক্ষণ করা হোক।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিনানোটিশে স্থানীয়দের ৩শ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি!

কালের স্বাক্ষী মগনামা সিকদার বাড়ী: শতবর্ষী স্থাপত্য সংরক্ষনের দাবী

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

সময়ের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে পেকুয়ার মগনামা সিকদার বাড়ির এই শতবর্ষী স্থাপত্য।

একসময় যেখানে জমিদারের আসর বসতো, অতিথিদের পদচারণায় মুখর থাকতো চারপাশ— আজ সেখানে নীরবতা আর ইতিহাসের দীর্ঘশ্বাস।

ভাঙা দেয়াল, শেকড়ে জড়িয়ে থাকা ইটগুলো যেন বলে যায় হারিয়ে যাওয়া এক ঐতিহ্যের গল্প।

প্রকৃতি ধীরে ধীরে নিজের করে নিচ্ছে এই প্রাচীন নিদর্শনকে, তবুও এর গায়ে লেগে আছে অতীতের গৌরব ও অহংকারের ছাপ।

মগনামা সিকদার বাড়ি শুধু একটি পুরোনো স্থাপনা নয়, এটি আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি আর শেকড়ের এক জীবন্ত স্মৃতি।

ঐতিহ্যের এই স্মারক সংরক্ষণের দাবী জানিয়েছে স্থানীয়রা। স্থানীয়রা জানান, সিকদার বাড়ী টি জমিদারদের ছিলো তবে জমিদার বাড়ী হিসেবে নয় শতবর্ষী স্থাপত্য হিসেবে সংরক্ষণ করা হোক।