ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লামায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে ছিটানো হলো ঔষধ টেকনাফ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করলো ছাত্রনেতা হাফিজ উল্লাহ প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক এর বক্তব্য কালের স্বাক্ষী মগনামা সিকদার বাড়ী: শতবর্ষী স্থাপত্য সংরক্ষনের দাবী রামু প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি: আবদুল্লাহ আল মামুন সভাপতি, সোয়েব সাঈদ সাধারণ সম্পাদক তারিনকে পুলিশি হেফাজতে নেয়ার গুঞ্জন কতোটা সত্য! চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০০ শয্যায় ও পেকুয়া ৫০ শয্যায় উন্নীত টাকা পরিশোধ করতে না পারায় মরদেহ আটকে রেখেছে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। দেশবাসীর কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়েছেন পরিবার স্কপ কক্সবাজার জেলা কমিটি গঠিত পাকিস্তানের বিপক্ষে ‘হ্যাটট্রিক’ টেস্ট জয় বাংলাদেশের মাদক বিক্রি ও সেবনে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে কঠোর ব্যবস্থা: আইজিপি অসঙ্গতি ও দুর্নীতির নিউজ অবশ্যই করবেন কিন্তু তা যাচাই করে করবেন- জেলা প্রশাসক সীমান্তে কাঁটাতার বসানো নিয়ে রাজ্য সরকারের মন্তব্যে বাংলাদেশ বিচলিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেকনাফে অপহরণ-মানবপাচার চক্রের মূলহোতা ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার ইসরায়েলের ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় নিন্দা

কালের স্বাক্ষী মগনামা সিকদার বাড়ী: শতবর্ষী স্থাপত্য সংরক্ষনের দাবী

সময়ের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে পেকুয়ার মগনামা সিকদার বাড়ির এই শতবর্ষী স্থাপত্য।

একসময় যেখানে জমিদারের আসর বসতো, অতিথিদের পদচারণায় মুখর থাকতো চারপাশ— আজ সেখানে নীরবতা আর ইতিহাসের দীর্ঘশ্বাস।

ভাঙা দেয়াল, শেকড়ে জড়িয়ে থাকা ইটগুলো যেন বলে যায় হারিয়ে যাওয়া এক ঐতিহ্যের গল্প।

প্রকৃতি ধীরে ধীরে নিজের করে নিচ্ছে এই প্রাচীন নিদর্শনকে, তবুও এর গায়ে লেগে আছে অতীতের গৌরব ও অহংকারের ছাপ।

মগনামা সিকদার বাড়ি শুধু একটি পুরোনো স্থাপনা নয়, এটি আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি আর শেকড়ের এক জীবন্ত স্মৃতি।

ঐতিহ্যের এই স্মারক সংরক্ষণের দাবী জানিয়েছে স্থানীয়রা। স্থানীয়রা জানান, সিকদার বাড়ী টি জমিদারদের ছিলো তবে জমিদার বাড়ী হিসেবে নয় শতবর্ষী স্থাপত্য হিসেবে সংরক্ষণ করা হোক।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

লামায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে ছিটানো হলো ঔষধ

কালের স্বাক্ষী মগনামা সিকদার বাড়ী: শতবর্ষী স্থাপত্য সংরক্ষনের দাবী

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

সময়ের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে পেকুয়ার মগনামা সিকদার বাড়ির এই শতবর্ষী স্থাপত্য।

একসময় যেখানে জমিদারের আসর বসতো, অতিথিদের পদচারণায় মুখর থাকতো চারপাশ— আজ সেখানে নীরবতা আর ইতিহাসের দীর্ঘশ্বাস।

ভাঙা দেয়াল, শেকড়ে জড়িয়ে থাকা ইটগুলো যেন বলে যায় হারিয়ে যাওয়া এক ঐতিহ্যের গল্প।

প্রকৃতি ধীরে ধীরে নিজের করে নিচ্ছে এই প্রাচীন নিদর্শনকে, তবুও এর গায়ে লেগে আছে অতীতের গৌরব ও অহংকারের ছাপ।

মগনামা সিকদার বাড়ি শুধু একটি পুরোনো স্থাপনা নয়, এটি আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি আর শেকড়ের এক জীবন্ত স্মৃতি।

ঐতিহ্যের এই স্মারক সংরক্ষণের দাবী জানিয়েছে স্থানীয়রা। স্থানীয়রা জানান, সিকদার বাড়ী টি জমিদারদের ছিলো তবে জমিদার বাড়ী হিসেবে নয় শতবর্ষী স্থাপত্য হিসেবে সংরক্ষণ করা হোক।