ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চিঠি দিবসে নিঃসঙ্গ পড়ে আছে কক্সবাজারের ডাকবাক্স : নেই ডাকপিয়নের আনাগোনা মায়ের কোলে ফিরল চার মাস বয়সী মাহি, ৩ অপহরণকারী গ্রেফতার চাম্বি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হলেন সাংবাদিক ইলিয়াছ পেকুয়ায় মাছে বিষ প্রয়োগ করে বিক্রির অভিযোগে আটক ১ কক্সবাজারে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন : গুরুত্ব পায় পরিবেশ ও জলজ সম্পদ রক্ষার ইস্যু কক্সবাজারে সাংবাদিকদের ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপন অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পেকুয়ায় র‍্যালি ও পথসভা দশ মিনিটেই পুড়ে ছাই ব্যবসায়ী কাইছারের শেষ সম্বল দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য খুলল যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার পথ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানের জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস : প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার থেকে ফেরা হলো না, লোহাগাড়ায় মিনিট্রাকের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দু’র্ঘ’ট’না, বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নি’হ’ত

কথিত দালাল ‘কালা সোনা’কে সাথে নিয়ে উখিয়ায় বনবিভাগের ‘বির্তকিত’ উচ্ছেদ!

নেই কোন স্থায়ী পদ-পদবী, বিলুপ্ত হওয়া ভিলেজার পরিচয়ে তিনি যেন বনবিভাগের একছত্র নিয়ন্ত্রক। উখিয়ায় লোকেমুখে তার নাম উচ্চারিত হয় রাষ্ট্রীয় সংস্থার কথিত দালাল হিসেবে।

কালা সোনা (৫০) নামে উখিয়া সদর এলাকার সেই ব্যক্তিকে দেখা গেছে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগ পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে।

শনিবার (২৮ মার্চ) উখিয়া রেঞ্জের সদর বিট আওতাধীন হাঙ্গরঘোনা ও আমগাছতলা এলাকায় চলা এই অভিযানে উদ্ধার করা হয় ৪ একর সংরক্ষিত বনভূমি, গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় স্থাপনা।

প্রতিবেদকের হাতে থাকা একটা ভিডিও চিত্রে দেখা যায়,রাজারকুল রেঞ্জ থেকে অতিরিক্ত কর্মী সহ পর্যাপ্ত বনকর্মী অভিযানে থাকলেও সেই কালো সোনা নিজেই ভাঙ্গছেন নির্মিতব্য স্থাপনার দেয়াল যেখানে স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন উখিয়া রেঞ্জের প্রধান (সহকারী বন সংরক্ষক) মো. শাহীনুর ইসলাম।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, পাশে স্থাপনা থাকলেও সেগুলো উচ্ছেদ না করে কালা সোনার মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে বন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ না করায় তাদেরকে ক্ষতিগ্রস্থ করা হয়েছে।

হাঙ্গরঘোনা এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ কালো সোনা আমাদের কাছে আতংকের নাম, সে বনের জায়গা কন্ট্রাক্টে বৈধ করায়। বনবিভাগের আসকারায় এসব ওপেন সিক্রেট।’

কালো সোনার নামে ‘উখিয়া রেঞ্জের অঘোষিত বিট কর্মকর্তা কালা সোনা!’ নানা শিরোনামে কয়েক বছর ধরে অসংখ্য সংবাদ গণমাধ্যমে আসলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা চোখে পড়েনি।

এমনকি এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা থাকলেও সরকারি অভিযানে তার অংশগ্রহণের যৌক্তিকতা এবং বনবিভাগের কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

যদিও অভিযোগ প্রসঙ্গে কালা সোনা বলেন, ‘ আমি পুরাতন ভিলেজার, টুকটাক বনবিভাগকে সহায়তা করি কিন্তু অবৈধ কিছু করি না।’

উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা (সহকারী বন সংরক্ষক) মো. শাহীনুর ইসলাম বলেন, ‘সরকারি রক্ষিত বনভূমি দখলমুক্ত রাখতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি, বনভূমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ বেআইনি এবং পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি।এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

এছাড়াও তিনি বনবিভাগের নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ যদি চাঁদাবাজি করে তাহলে তাদের আইনের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চিঠি দিবসে নিঃসঙ্গ পড়ে আছে কক্সবাজারের ডাকবাক্স : নেই ডাকপিয়নের আনাগোনা

কথিত দালাল ‘কালা সোনা’কে সাথে নিয়ে উখিয়ায় বনবিভাগের ‘বির্তকিত’ উচ্ছেদ!

আপডেট সময় : ১০:১৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

নেই কোন স্থায়ী পদ-পদবী, বিলুপ্ত হওয়া ভিলেজার পরিচয়ে তিনি যেন বনবিভাগের একছত্র নিয়ন্ত্রক। উখিয়ায় লোকেমুখে তার নাম উচ্চারিত হয় রাষ্ট্রীয় সংস্থার কথিত দালাল হিসেবে।

কালা সোনা (৫০) নামে উখিয়া সদর এলাকার সেই ব্যক্তিকে দেখা গেছে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগ পরিচালিত উচ্ছেদ অভিযানে।

শনিবার (২৮ মার্চ) উখিয়া রেঞ্জের সদর বিট আওতাধীন হাঙ্গরঘোনা ও আমগাছতলা এলাকায় চলা এই অভিযানে উদ্ধার করা হয় ৪ একর সংরক্ষিত বনভূমি, গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় স্থাপনা।

প্রতিবেদকের হাতে থাকা একটা ভিডিও চিত্রে দেখা যায়,রাজারকুল রেঞ্জ থেকে অতিরিক্ত কর্মী সহ পর্যাপ্ত বনকর্মী অভিযানে থাকলেও সেই কালো সোনা নিজেই ভাঙ্গছেন নির্মিতব্য স্থাপনার দেয়াল যেখানে স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন উখিয়া রেঞ্জের প্রধান (সহকারী বন সংরক্ষক) মো. শাহীনুর ইসলাম।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, পাশে স্থাপনা থাকলেও সেগুলো উচ্ছেদ না করে কালা সোনার মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে বন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ না করায় তাদেরকে ক্ষতিগ্রস্থ করা হয়েছে।

হাঙ্গরঘোনা এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ কালো সোনা আমাদের কাছে আতংকের নাম, সে বনের জায়গা কন্ট্রাক্টে বৈধ করায়। বনবিভাগের আসকারায় এসব ওপেন সিক্রেট।’

কালো সোনার নামে ‘উখিয়া রেঞ্জের অঘোষিত বিট কর্মকর্তা কালা সোনা!’ নানা শিরোনামে কয়েক বছর ধরে অসংখ্য সংবাদ গণমাধ্যমে আসলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা চোখে পড়েনি।

এমনকি এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা থাকলেও সরকারি অভিযানে তার অংশগ্রহণের যৌক্তিকতা এবং বনবিভাগের কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

যদিও অভিযোগ প্রসঙ্গে কালা সোনা বলেন, ‘ আমি পুরাতন ভিলেজার, টুকটাক বনবিভাগকে সহায়তা করি কিন্তু অবৈধ কিছু করি না।’

উখিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা (সহকারী বন সংরক্ষক) মো. শাহীনুর ইসলাম বলেন, ‘সরকারি রক্ষিত বনভূমি দখলমুক্ত রাখতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি, বনভূমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ বেআইনি এবং পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি।এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

এছাড়াও তিনি বনবিভাগের নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ যদি চাঁদাবাজি করে তাহলে তাদের আইনের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলেন।