ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম, সামনে লিখতে হবে যেভাবে শ্রমিক আন্দোলনের নামে স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পোশাকখাতে অস্থিরতার পেছনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মালিক-শ্রমিকরা দায়ী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্তের ওপারের ইশারায় অনেকে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছেন:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শক্তি বেড়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিল ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায় মিয়ানমারের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল টেকনাফের হ্নীলা-হোয়াইক্যং সীমান্ত সমুদ্রভ্রমণ থেকে অ’গ্নি’দ’গ্ধ দুঃস্বপ্ন, ১১ দিন পর দাদার কবরের পাশে মুক্তা মহেশখালীতে অস্ত্রসহ মালেককে আটকের দাবি পুলিশের “আহমদ গিয়াস থেকে যাবে, তাঁর না থাকা জুড়ে” রামুতে ৩ লাখ পিস ইয়াবাসহ নারী গ্রেফতার দেশে ৪ কোটি ১৬ লাখ মানুষ সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে না সাতকানিয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, বাসে আগুন, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, এমপি কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ১৮ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-বিস্ফোরক মজুদের অভিযোগ, অভিযানের আবেদন

কক্সবাজার সদরে প্রতিনিধি কমিটি গঠন করলো জাতীয় নাগরিক কমিটি

কক্সবাজার সদর উপজেলায় ১৩৬ সদস্য বিশিষ্ট “প্রতিনিধি কমিটি” ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালীন শহীদ হওয়া ভাই ও বোনদের আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে এই কমিটি প্রতিনিধিরা সংকল্পবদ্ধ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

ঘোষিত কমিটির এক নম্বর সদস্য হিসেবে আছেন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ আহসান হাবিবের মা হাসিনা বেগম।

নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম সুজা উদ্দিন জানিয়েছেন, পুরো কমিটিতে আইনজীবী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, ইঞ্জিনিয়ারসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধিরা আছেন। যারা সামনের দিনে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য কাজ করবেন।

এদিকে এই কমিটি গঠনের মধ্যদিয়ে ১২দফা লক্ষ্য দিয়েছেন। যা নিয়ে তারা কাজ করবেন।

১)জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে শহিদদের নামে বিভিন্ন সড়ক ও প্রতিষ্ঠানের নামকরণ, আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতকরণ এবং শহিদ ও আহত পরিবারের অন্তত একজনের কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ।
২)দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় তরুণদের পর্যটন খাতে অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ।
৩)কক্সবাজারের ব্যবসায়ী সমাজের সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকরণ এবং মনিটরিং সেল গঠন।
কক্সবাজারে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।
৪)ট্যুরিস্ট হাসপাতাল স্থাপন এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
৫)কক্সবাজারের মহাপরিকল্পনায় স্থানীয়দের অংশগ্রহন নিশ্চিতকরণ।
৬) যুবকদের তথ্য প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মমুখী ক্যারিয়ার গঠনে উদ্ভুদ্ধকরণ।
৭) রোহিঙ্গা ইস্যুর সমস্যা সমাধানে স্থানীয় নীতি নির্ধারকদের অংশগ্রহণ।
৮)ফিশিং ও ফিশারিজকে আধুনিকায়ন করে মৎস শিল্পের উৎকর্ষ সাধন।সমুদ্র অর্থনীতির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশ বান্ধব বিশ্ব মানের পর্যটন খাত নিশ্চিতকরণ ।
৯)প্রতিটা ওয়ার্ডে একটা করে পাঠাগার স্থাপন করে পাঠ্যাভ্যাস ও মূল্যবোধ তৈরি।
১০)কক্সবাজারের মেগা প্রজেক্টসমূহ এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাসমূহে স্থানীয় দক্ষ কর্মীর কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ।
১১) দক্ষিণ চট্টগ্রামের সর্ব বৃহৎ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কক্সবাজার সিটি কলেজকে জাতীয়করণ করে ইন্ডাস্ট্রি বেইজড উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিতকরণ।
১২) শহরের বর্জ্য এবং পয়োঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করে একটি মডেল শহর স্থাপন।

মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম, সামনে লিখতে হবে যেভাবে

কক্সবাজার সদরে প্রতিনিধি কমিটি গঠন করলো জাতীয় নাগরিক কমিটি

আপডেট সময় : ০৯:২৯:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪

কক্সবাজার সদর উপজেলায় ১৩৬ সদস্য বিশিষ্ট “প্রতিনিধি কমিটি” ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালীন শহীদ হওয়া ভাই ও বোনদের আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে এই কমিটি প্রতিনিধিরা সংকল্পবদ্ধ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

ঘোষিত কমিটির এক নম্বর সদস্য হিসেবে আছেন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ আহসান হাবিবের মা হাসিনা বেগম।

নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম সুজা উদ্দিন জানিয়েছেন, পুরো কমিটিতে আইনজীবী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, ইঞ্জিনিয়ারসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধিরা আছেন। যারা সামনের দিনে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য কাজ করবেন।

এদিকে এই কমিটি গঠনের মধ্যদিয়ে ১২দফা লক্ষ্য দিয়েছেন। যা নিয়ে তারা কাজ করবেন।

১)জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে শহিদদের নামে বিভিন্ন সড়ক ও প্রতিষ্ঠানের নামকরণ, আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতকরণ এবং শহিদ ও আহত পরিবারের অন্তত একজনের কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ।
২)দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় তরুণদের পর্যটন খাতে অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ।
৩)কক্সবাজারের ব্যবসায়ী সমাজের সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকরণ এবং মনিটরিং সেল গঠন।
কক্সবাজারে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।
৪)ট্যুরিস্ট হাসপাতাল স্থাপন এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
৫)কক্সবাজারের মহাপরিকল্পনায় স্থানীয়দের অংশগ্রহন নিশ্চিতকরণ।
৬) যুবকদের তথ্য প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মমুখী ক্যারিয়ার গঠনে উদ্ভুদ্ধকরণ।
৭) রোহিঙ্গা ইস্যুর সমস্যা সমাধানে স্থানীয় নীতি নির্ধারকদের অংশগ্রহণ।
৮)ফিশিং ও ফিশারিজকে আধুনিকায়ন করে মৎস শিল্পের উৎকর্ষ সাধন।সমুদ্র অর্থনীতির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশ বান্ধব বিশ্ব মানের পর্যটন খাত নিশ্চিতকরণ ।
৯)প্রতিটা ওয়ার্ডে একটা করে পাঠাগার স্থাপন করে পাঠ্যাভ্যাস ও মূল্যবোধ তৈরি।
১০)কক্সবাজারের মেগা প্রজেক্টসমূহ এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাসমূহে স্থানীয় দক্ষ কর্মীর কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ।
১১) দক্ষিণ চট্টগ্রামের সর্ব বৃহৎ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কক্সবাজার সিটি কলেজকে জাতীয়করণ করে ইন্ডাস্ট্রি বেইজড উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিতকরণ।
১২) শহরের বর্জ্য এবং পয়োঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করে একটি মডেল শহর স্থাপন।