ঢাকা ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অবশেষে গ্রেফতার হলো নিহত তাজমিনের প্রেমিক রাজু উখিয়ার কোটবাজার থেকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি জসিম গ্রেপ্তার আরব আমিরাত থেকে ৯৬ লাখ টাকা চুরি করে পালিয়ে এলো চকরিয়ার নোমান, খুঁজছে পুলিশ কক্সবাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান : ৫৬ হাজার টাকা জরিমানা উখিয়ায় কমিউনিটি রিপোর্টিং জোরদারে এমবোলডেন বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা তাজমিন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ‘সম্পর্ক নেই’ রাজুর পেকুয়ায় চিংড়িঘেরে ডাকাতি, গুলিবিদ্ধ ৩ ৫০ হাজার টাকার জন্য ৪ বছরের ওমাইরকে অপহরণ করে হত্যা এমপি কাজলের সহধর্মিণী শিরিন রহমানের সুস্থতা কামনায় রামুতে বিএনপির দোয়া মাহফিল উখিয়ায় চার বছরের শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার দম্পতি পবিত্র রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ জানালেন আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা স্ত্রী পরিচয়ে রাজুর সঙ্গেই কক্সবাজারের হোটেলে উঠেছিলো তাজমিন! রিয়াদে হুথি হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস আজ জাতীয় পর্যায়ে ডিজি’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন নাইক্ষ্যংছড়ি কলেজের নীলোৎপল বড়ুয়া

কক্সবাজার সদরে প্রতিনিধি কমিটি গঠন করলো জাতীয় নাগরিক কমিটি

কক্সবাজার সদর উপজেলায় ১৩৬ সদস্য বিশিষ্ট “প্রতিনিধি কমিটি” ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালীন শহীদ হওয়া ভাই ও বোনদের আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে এই কমিটি প্রতিনিধিরা সংকল্পবদ্ধ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

ঘোষিত কমিটির এক নম্বর সদস্য হিসেবে আছেন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ আহসান হাবিবের মা হাসিনা বেগম।

নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম সুজা উদ্দিন জানিয়েছেন, পুরো কমিটিতে আইনজীবী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, ইঞ্জিনিয়ারসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধিরা আছেন। যারা সামনের দিনে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য কাজ করবেন।

এদিকে এই কমিটি গঠনের মধ্যদিয়ে ১২দফা লক্ষ্য দিয়েছেন। যা নিয়ে তারা কাজ করবেন।

১)জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে শহিদদের নামে বিভিন্ন সড়ক ও প্রতিষ্ঠানের নামকরণ, আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতকরণ এবং শহিদ ও আহত পরিবারের অন্তত একজনের কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ।
২)দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় তরুণদের পর্যটন খাতে অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ।
৩)কক্সবাজারের ব্যবসায়ী সমাজের সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকরণ এবং মনিটরিং সেল গঠন।
কক্সবাজারে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।
৪)ট্যুরিস্ট হাসপাতাল স্থাপন এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
৫)কক্সবাজারের মহাপরিকল্পনায় স্থানীয়দের অংশগ্রহন নিশ্চিতকরণ।
৬) যুবকদের তথ্য প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মমুখী ক্যারিয়ার গঠনে উদ্ভুদ্ধকরণ।
৭) রোহিঙ্গা ইস্যুর সমস্যা সমাধানে স্থানীয় নীতি নির্ধারকদের অংশগ্রহণ।
৮)ফিশিং ও ফিশারিজকে আধুনিকায়ন করে মৎস শিল্পের উৎকর্ষ সাধন।সমুদ্র অর্থনীতির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশ বান্ধব বিশ্ব মানের পর্যটন খাত নিশ্চিতকরণ ।
৯)প্রতিটা ওয়ার্ডে একটা করে পাঠাগার স্থাপন করে পাঠ্যাভ্যাস ও মূল্যবোধ তৈরি।
১০)কক্সবাজারের মেগা প্রজেক্টসমূহ এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাসমূহে স্থানীয় দক্ষ কর্মীর কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ।
১১) দক্ষিণ চট্টগ্রামের সর্ব বৃহৎ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কক্সবাজার সিটি কলেজকে জাতীয়করণ করে ইন্ডাস্ট্রি বেইজড উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিতকরণ।
১২) শহরের বর্জ্য এবং পয়োঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করে একটি মডেল শহর স্থাপন।

জনপ্রিয় সংবাদ

অবশেষে গ্রেফতার হলো নিহত তাজমিনের প্রেমিক রাজু

কক্সবাজার সদরে প্রতিনিধি কমিটি গঠন করলো জাতীয় নাগরিক কমিটি

আপডেট সময় : ০৯:২৯:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪

কক্সবাজার সদর উপজেলায় ১৩৬ সদস্য বিশিষ্ট “প্রতিনিধি কমিটি” ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালীন শহীদ হওয়া ভাই ও বোনদের আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে এই কমিটি প্রতিনিধিরা সংকল্পবদ্ধ বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

ঘোষিত কমিটির এক নম্বর সদস্য হিসেবে আছেন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ আহসান হাবিবের মা হাসিনা বেগম।

নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য এসএম সুজা উদ্দিন জানিয়েছেন, পুরো কমিটিতে আইনজীবী, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, ইঞ্জিনিয়ারসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধিরা আছেন। যারা সামনের দিনে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য কাজ করবেন।

এদিকে এই কমিটি গঠনের মধ্যদিয়ে ১২দফা লক্ষ্য দিয়েছেন। যা নিয়ে তারা কাজ করবেন।

১)জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে শহিদদের নামে বিভিন্ন সড়ক ও প্রতিষ্ঠানের নামকরণ, আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতকরণ এবং শহিদ ও আহত পরিবারের অন্তত একজনের কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ।
২)দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় তরুণদের পর্যটন খাতে অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ।
৩)কক্সবাজারের ব্যবসায়ী সমাজের সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকরণ এবং মনিটরিং সেল গঠন।
কক্সবাজারে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।
৪)ট্যুরিস্ট হাসপাতাল স্থাপন এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
৫)কক্সবাজারের মহাপরিকল্পনায় স্থানীয়দের অংশগ্রহন নিশ্চিতকরণ।
৬) যুবকদের তথ্য প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মমুখী ক্যারিয়ার গঠনে উদ্ভুদ্ধকরণ।
৭) রোহিঙ্গা ইস্যুর সমস্যা সমাধানে স্থানীয় নীতি নির্ধারকদের অংশগ্রহণ।
৮)ফিশিং ও ফিশারিজকে আধুনিকায়ন করে মৎস শিল্পের উৎকর্ষ সাধন।সমুদ্র অর্থনীতির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে পরিবেশ বান্ধব বিশ্ব মানের পর্যটন খাত নিশ্চিতকরণ ।
৯)প্রতিটা ওয়ার্ডে একটা করে পাঠাগার স্থাপন করে পাঠ্যাভ্যাস ও মূল্যবোধ তৈরি।
১০)কক্সবাজারের মেগা প্রজেক্টসমূহ এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাসমূহে স্থানীয় দক্ষ কর্মীর কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ।
১১) দক্ষিণ চট্টগ্রামের সর্ব বৃহৎ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কক্সবাজার সিটি কলেজকে জাতীয়করণ করে ইন্ডাস্ট্রি বেইজড উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিতকরণ।
১২) শহরের বর্জ্য এবং পয়োঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করে একটি মডেল শহর স্থাপন।