ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১০ দিন পর মিলল মুক্তার দেহাবশেষ, গলার লকেটেই স্ত্রীকে চিনলেন স্বামী কক্সবাজারে এসে পৌঁছাল মহানগর এক্সপ্রেসের প্রথম ট্রেন, পর্যটন মৌসুমে বাড়তি সুবিধার আশা পর্যটনের পাশাপাশি সংস্কৃতিতেও এগিয়ে যাবে কক্সবাজার: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী পেকুয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. কামাল হোসেনের ইন্তেকাল জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্নব’, সারাদেশে বৃষ্টির আভাস টেকনাফের বাহারছড়ার রিদুয়ান বাহিনীর সদস্য আব্দুর রহিম আটক মাটি থেকে বের হচ্ছে আগুন, গ্যাসের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ইনানী চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ মিথ্যা দাবি খোকন চেয়ারম্যানের : চাইলেন সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত কুতুবজোমের উন্নয়ন ও নতুন প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নামছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী এড. রহিম উল্লাহ টুপটুপের মামলায় ওসি তলব- ‘আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ’ পাটুয়ারটেক ট্রাজেডি, ডিএনএ টেস্টে নিহত ১০ জনের পরিচয় মিলেছে, মিলেনি ছাত্রদল নেতার স্ত্রীর পরিচয় কক্সবাজার রুটে বাড়ল ট্রেন, যুক্ত হলো মহানগর এক্সপ্রেস নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ কক্সবাজার জেলার উপ কারিগরি শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ সাঈদ চট্রগ্রামে আটক টেকনাফের পৌরমেয়র প্রার্থীর মিছিলে চাঁদাবাজি মামলার আসামী!

কক্সবাজারে এসে পৌঁছাল মহানগর এক্সপ্রেসের প্রথম ট্রেন, পর্যটন মৌসুমে বাড়তি সুবিধার আশা

  • দ্বীপেন দাশ
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • 57

পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই কক্সবাজারের রেল যোগাযোগে যুক্ত হলো নতুন সংযোজন। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মহানগর এক্সপ্রেসের প্রথম ট্রেনটি মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনে পৌঁছেছে। ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করা ট্রেনটির যাত্রাপথ কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের ফলে মধ্যবর্তী বিভিন্ন জেলার যাত্রীরাও এখন সরাসরি পর্যটন নগরীতে আসার সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের এ উদ্যোগে ঢাকা ও কক্সবাজারের মধ্যে ট্রেনের সংখ্যা বেড়ে তিন জোড়া হলো। নতুন পরিষেবায় নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও ফেনীসহ বিভিন্ন স্টেশন থেকে কক্সবাজারে যাতায়াত সহজ হবে।

শীতের শুরুতে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়তে শুরু করেছে। সমুদ্রসৈকত, হোটেল-রিসোর্ট ও পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে বাড়তি ব্যস্ততা। এ সময়ে নতুন ট্রেন চালু হওয়ায় যাত্রীদের জন্য পরিবহনের বিকল্প বাড়ল। তবে পর্যটকদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও যাত্রীচাপের ওপর এর প্রভাব বুঝতে আরও কিছুদিনের অপেক্ষার প্রয়োজন।

কুমিল্লা থেকে আসা সামিহা তাসনিম জানান, “ট্রেনে সরাসরি কক্সবাজারে আসার সুযোগ বাড়ায় ভ্রমণের পরিকল্পনা করা সহজ হবে। পথে বিভিন্ন স্টেশন থেকে যাত্রী ওঠানামার সুযোগ থাকায় অনেকের জন্য যাতায়াত আরও সুবিধাজনক হবে।”

নারায়ণগঞ্জের নিশাত সিকদার মুন জানায়, “কক্সবাজারে আসতে এখন যাতায়াতের বিকল্প বাড়ছে। পরিবার নিয়ে ভ্রমণে সময়, ভাড়া ও আসন পাওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। ট্রেনের আসন সহজে পাওয়া গেলে পর্যটকদের জন্য সুবিধা হবে।”

রেলস্টেশনে পর্যটক ও যাত্রীর সংখ্যা বাড়লে সেখান থেকে হোটেল, সমুদ্রসৈকত ও অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য অটোরিকশা ও অন্যান্য স্থানীয় পরিবহনের চাহিদাও বাড়তে পারে। বিশেষ করে পর্যটন মৌসুমে এ খাতের চালকদের জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইজিবাইক টমটম(অটো) চালক বোরহান উদ্দিন খোকা বলেন, “পর্যটক বাড়লে আমাদের যাত্রীও বাড়ে। রেলস্টেশন থেকে হোটেল বা সৈকতে যাতায়াতের জন্য অনেকে গাড়ি নেন। তবে আয় কতটা বাড়বে, তা নির্ভর করবে যাত্রীসংখ্যা, ভাড়া ও দৈনিক খরচের ওপর।”

নতুন ট্রেন চালুর সময়টি কক্সবাজারের পর্যটন খাতের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। আগামী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটক যাতায়াত চালু থাকবে। অনুমোদিত জাহাজগুলো কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে চলাচল করবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক যাতায়াত করতে পারবেন এবং প্রত্যেককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে।

এতে রেলপথে কক্সবাজারে আসা পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন ভ্রমণের পরিকল্পনা করাও সহজ হতে পারে। তবে রেলস্টেশন থেকে জাহাজঘাটে যাতায়াত, জাহাজের সময়সূচি এবং টিকিটের প্রাপ্যতা এসব বিষয়ে পর্যটকদের আগে থেকেই পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে। ফিরতি পথে কক্সবাজার থেকে সকাল ৯টায় ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে। রোববার ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ।

প্রদত্ত ভাড়ার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা–কক্সবাজার রুটে শোভন চেয়ারের ভাড়া ৬৮৫ টাকা, স্নিগ্ধা শ্রেণির ভাড়া ১ হাজার ৩১১ টাকা এবং এসি চেয়ারের ভাড়া ১ হাজার ৫৭০ টাকা। কক্সবাজার–চট্টগ্রাম রুটে শোভন চেয়ারের ভাড়া ২৪০ টাকা, স্নিগ্ধা শ্রেণির ভাড়া ৪৫৫ টাকা এবং এসি চেয়ারের ভাড়া ৫৪৭ টাকা। প্রকাশের আগে শ্রেণিভেদে ভাড়ার তথ্য বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্বশেষ তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

কক্সবাজারে রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণ পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। তবে এ সুবিধা কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে নিয়মিত ট্রেন চলাচল, টিকিটের প্রাপ্যতা, স্টেশনকেন্দ্রিক পরিবহন ব্যবস্থাপনা এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের সমন্বয়ের ওপর।

পর্যটন মৌসুমে যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাত্রা নিশ্চিত করা গেলে নতুন ট্রেনটি কক্সবাজারের পর্যটন এবং স্থানীয় পরিবহন অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

১০ দিন পর মিলল মুক্তার দেহাবশেষ, গলার লকেটেই স্ত্রীকে চিনলেন স্বামী

কক্সবাজারে এসে পৌঁছাল মহানগর এক্সপ্রেসের প্রথম ট্রেন, পর্যটন মৌসুমে বাড়তি সুবিধার আশা

আপডেট সময় : ০৪:২৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই কক্সবাজারের রেল যোগাযোগে যুক্ত হলো নতুন সংযোজন। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মহানগর এক্সপ্রেসের প্রথম ট্রেনটি মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনে পৌঁছেছে। ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করা ট্রেনটির যাত্রাপথ কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের ফলে মধ্যবর্তী বিভিন্ন জেলার যাত্রীরাও এখন সরাসরি পর্যটন নগরীতে আসার সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের এ উদ্যোগে ঢাকা ও কক্সবাজারের মধ্যে ট্রেনের সংখ্যা বেড়ে তিন জোড়া হলো। নতুন পরিষেবায় নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও ফেনীসহ বিভিন্ন স্টেশন থেকে কক্সবাজারে যাতায়াত সহজ হবে।

শীতের শুরুতে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়তে শুরু করেছে। সমুদ্রসৈকত, হোটেল-রিসোর্ট ও পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে বাড়তি ব্যস্ততা। এ সময়ে নতুন ট্রেন চালু হওয়ায় যাত্রীদের জন্য পরিবহনের বিকল্প বাড়ল। তবে পর্যটকদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও যাত্রীচাপের ওপর এর প্রভাব বুঝতে আরও কিছুদিনের অপেক্ষার প্রয়োজন।

কুমিল্লা থেকে আসা সামিহা তাসনিম জানান, “ট্রেনে সরাসরি কক্সবাজারে আসার সুযোগ বাড়ায় ভ্রমণের পরিকল্পনা করা সহজ হবে। পথে বিভিন্ন স্টেশন থেকে যাত্রী ওঠানামার সুযোগ থাকায় অনেকের জন্য যাতায়াত আরও সুবিধাজনক হবে।”

নারায়ণগঞ্জের নিশাত সিকদার মুন জানায়, “কক্সবাজারে আসতে এখন যাতায়াতের বিকল্প বাড়ছে। পরিবার নিয়ে ভ্রমণে সময়, ভাড়া ও আসন পাওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। ট্রেনের আসন সহজে পাওয়া গেলে পর্যটকদের জন্য সুবিধা হবে।”

রেলস্টেশনে পর্যটক ও যাত্রীর সংখ্যা বাড়লে সেখান থেকে হোটেল, সমুদ্রসৈকত ও অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য অটোরিকশা ও অন্যান্য স্থানীয় পরিবহনের চাহিদাও বাড়তে পারে। বিশেষ করে পর্যটন মৌসুমে এ খাতের চালকদের জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইজিবাইক টমটম(অটো) চালক বোরহান উদ্দিন খোকা বলেন, “পর্যটক বাড়লে আমাদের যাত্রীও বাড়ে। রেলস্টেশন থেকে হোটেল বা সৈকতে যাতায়াতের জন্য অনেকে গাড়ি নেন। তবে আয় কতটা বাড়বে, তা নির্ভর করবে যাত্রীসংখ্যা, ভাড়া ও দৈনিক খরচের ওপর।”

নতুন ট্রেন চালুর সময়টি কক্সবাজারের পর্যটন খাতের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। আগামী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটক যাতায়াত চালু থাকবে। অনুমোদিত জাহাজগুলো কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে চলাচল করবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক যাতায়াত করতে পারবেন এবং প্রত্যেককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে।

এতে রেলপথে কক্সবাজারে আসা পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন ভ্রমণের পরিকল্পনা করাও সহজ হতে পারে। তবে রেলস্টেশন থেকে জাহাজঘাটে যাতায়াত, জাহাজের সময়সূচি এবং টিকিটের প্রাপ্যতা এসব বিষয়ে পর্যটকদের আগে থেকেই পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজার পৌঁছাবে। ফিরতি পথে কক্সবাজার থেকে সকাল ৯টায় ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে। রোববার ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ।

প্রদত্ত ভাড়ার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা–কক্সবাজার রুটে শোভন চেয়ারের ভাড়া ৬৮৫ টাকা, স্নিগ্ধা শ্রেণির ভাড়া ১ হাজার ৩১১ টাকা এবং এসি চেয়ারের ভাড়া ১ হাজার ৫৭০ টাকা। কক্সবাজার–চট্টগ্রাম রুটে শোভন চেয়ারের ভাড়া ২৪০ টাকা, স্নিগ্ধা শ্রেণির ভাড়া ৪৫৫ টাকা এবং এসি চেয়ারের ভাড়া ৫৪৭ টাকা। প্রকাশের আগে শ্রেণিভেদে ভাড়ার তথ্য বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্বশেষ তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

কক্সবাজারে রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণ পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। তবে এ সুবিধা কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে নিয়মিত ট্রেন চলাচল, টিকিটের প্রাপ্যতা, স্টেশনকেন্দ্রিক পরিবহন ব্যবস্থাপনা এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের সমন্বয়ের ওপর।

পর্যটন মৌসুমে যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাত্রা নিশ্চিত করা গেলে নতুন ট্রেনটি কক্সবাজারের পর্যটন এবং স্থানীয় পরিবহন অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।