ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চৌফলদন্ডীতে ৬০ বছরের বৃদ্ধা গুলিবিদ্ধ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইস্টার সানডে উদযাপিত: সম্প্রীতি ও আলোর বার্তা রোহিঙ্গা নারীকে নৃশংসভাবে পঙ্গু করার চাঞ্চল্যকর মামলার ৩ আসামি র‍্যাবের জালে মাটিতে পুঁতে আলোচিত ছৈয়দ হ/ত্যা, পালংখালীতে প্রকাশ্যে ঘুরছে আসামিরা খোরশেদ মরে গিয়ে বেঁচে গেছে, আমাকে বানিয়ে গেছে জিন্দা লাশ-তারিন ৬৬/৩ পানি ব্যবস্হাপনা এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী ২ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ দুর্গম এলাকায় টিকা ঘাটতি, বাড়ছে ঝুঁকি শহরে নকল বিদেশি মদ তৈরির কারখানার সন্ধান, গ্রেপ্তার ১ দেশ থেকে হাম নির্মূলের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামুতে হাম-রুবেলা টিকাদান শুরু: প্রথমদিনেই ২ হাজার শিশুকে টিকা মাদক কারবারির ঘরে ৬০ হাজার ইয়াবা, র‍্যাবের উদ্ধার টেকনাফে বিএনপি অফিসে আগুন ‘মঙ্গলের’ পর ‘আনন্দ’ও বাদ, বর্ষবরণে হবে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’

‘ইয়াবা’ ছিনতাইকান্ডে কোটবাজারে তোলপাড়!

এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর ইয়াবা ছিনতাই করেছে ‘সংঘবদ্ধ’ একটি চক্র। উখিয়ার ব্যস্ততম এলাকা কোটবাজারের টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে এই ঘটনা।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে কোটবাজারের চৌধুরী পাড়া রাস্তার মাথা এম.আর কনভেনশন হল-এর সামনে এ ঘটনা ঘটে। মূল পাচারকারীর পরিচয় সনাক্ত করা না গেলেও ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত তিন যুবকের পরিচয় মিলেছে।

তারা হলেন, চৌধুরী পাড়া এলাকার নুরু সওদাগরের ছেলে জসিম উদ্দিন,মোক্তার আহাম্মদের ছেলে আবছার উদ্দিন, এবং
আব্দু শুক্কুরের ছেলে মোহাম্মদ দিদার।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে নানা মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা।

ঘটনাস্থল ও কোটবাজারের একাধিক স্থানীয় সূত্র বলছে , সকালে কক্সবাজারগামী একটি মোটরসাইকেল করে ইয়াবা নিয়ে যাচ্ছিলো দুই ব্যক্তি। এম.আর কনভেনশন হলের সামনে তাদের গতিরোধ করে নাম আসা তিনজন সহ ছয়জন যুবক পাচারকারী থেকে ২৪ হাজার ইয়াবা (আনুমানিক) নিয়ে দ্রুত গতিতে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়।

সূত্রের দাবি, ইয়াবাগুলোর মালিক মরিচ্যার বাসিন্দা মোহাম্মদ জালালের এবং যার বিরুদ্ধে আগে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সংশ্লিষ্ট যারাই আছে তাঁদের বিরুদ্ধে চিরুনি অভিযান চলছে। কোনোভাবেই মাদকের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের ছাড় দেওয়া হবেনা বলে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দায়িত্ব গ্রহণের পর সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যার ধারাবাহিকতায় কক্সবাজারে বিজিবি, পুলিশ সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাদক নির্মুলে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করে।

বিশেষ অভিযানের প্রথম চার দিনে ১৫ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত এসব মাদকের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা। এছাড়াও অভিযানে এক নারীসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চৌফলদন্ডীতে ৬০ বছরের বৃদ্ধা গুলিবিদ্ধ

‘ইয়াবা’ ছিনতাইকান্ডে কোটবাজারে তোলপাড়!

আপডেট সময় : ০৯:২০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীর ইয়াবা ছিনতাই করেছে ‘সংঘবদ্ধ’ একটি চক্র। উখিয়ার ব্যস্ততম এলাকা কোটবাজারের টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে এই ঘটনা।

রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে কোটবাজারের চৌধুরী পাড়া রাস্তার মাথা এম.আর কনভেনশন হল-এর সামনে এ ঘটনা ঘটে। মূল পাচারকারীর পরিচয় সনাক্ত করা না গেলেও ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত তিন যুবকের পরিচয় মিলেছে।

তারা হলেন, চৌধুরী পাড়া এলাকার নুরু সওদাগরের ছেলে জসিম উদ্দিন,মোক্তার আহাম্মদের ছেলে আবছার উদ্দিন, এবং
আব্দু শুক্কুরের ছেলে মোহাম্মদ দিদার।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে নানা মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা।

ঘটনাস্থল ও কোটবাজারের একাধিক স্থানীয় সূত্র বলছে , সকালে কক্সবাজারগামী একটি মোটরসাইকেল করে ইয়াবা নিয়ে যাচ্ছিলো দুই ব্যক্তি। এম.আর কনভেনশন হলের সামনে তাদের গতিরোধ করে নাম আসা তিনজন সহ ছয়জন যুবক পাচারকারী থেকে ২৪ হাজার ইয়াবা (আনুমানিক) নিয়ে দ্রুত গতিতে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়।

সূত্রের দাবি, ইয়াবাগুলোর মালিক মরিচ্যার বাসিন্দা মোহাম্মদ জালালের এবং যার বিরুদ্ধে আগে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ বলেন, মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদক সংশ্লিষ্ট যারাই আছে তাঁদের বিরুদ্ধে চিরুনি অভিযান চলছে। কোনোভাবেই মাদকের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের ছাড় দেওয়া হবেনা বলে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দায়িত্ব গ্রহণের পর সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যার ধারাবাহিকতায় কক্সবাজারে বিজিবি, পুলিশ সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাদক নির্মুলে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করে।

বিশেষ অভিযানের প্রথম চার দিনে ১৫ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত এসব মাদকের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা। এছাড়াও অভিযানে এক নারীসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।