ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬: বিজয়–পরাজয়ের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্র প্রতিমন্ত্রী নাকি চিফ হুইপ? শহীদ জিয়ার সঙ্গী শাহজাহান চৌধুরীকে যা দিতে পারে বিএনপি ২০ বছর পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে বিএনপি কক্সবাজারে গণভোটের ফলাফল : “হ্যাঁ” ৭ লাখ ২৯ হাজার ৭৩১,”না” ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৬২৩ জেলা জামায়াত কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন : কক্সবাজার-৪ আসনে ভোট পুনঃগণনার দাবী নুর আহমদ আনোয়ারীর জেলায় পোস্টাল ভোটের ফলাফল: বিএনপি ৫ হাজার ২৯৪, জামায়াত ১৪ হাজার ২৩৪ ২৯৯ আসনের ফলাফল: বিএনপি ২১১, জামায়াত ৬৮ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পেতে যাচ্ছে কক্সবাজার গুলশান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সালাহউদ্দিন আহমদ-“আওয়ামীলীগের বিচার শুরু হবে বলে আশা করছি” কবে গঠিত হবে নতুন সরকার? চট্টগ্রামে ১৬টির মধ্যে ১৪ আসন বিএনপির, কে কত ভোট পেলেন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতেছে, কী কী বদল আসবে গোপালগঞ্জে শেখ হাসিনার আসনে জয় পেয়েছে বিএনপির জিলানী কক্সবাজারের চার আসনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল; কে কতো ভোটে জিতলেন কত ভোট পেলেন তাসনিম জারা

আগামী নির্বাচনে আ.লীগ অংশ নিতে পারবে কী, যা জানালেন আইন উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের যে টাইমলাইন দিয়েছেন, এর কোনোরকম ব্যত্যয় হবে না। তার কথা সবার বিশ্বাস করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

সম্প্রতি রাজধানীর হেয়ার রোডে তার সরকারি বাসভবনে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যুতে খোলামেলা কথা বলেন সরকারের এই উপদেষ্টা।

যুগান্তরের পক্ষ থেকে আইন উপদেষ্টার কাছে জানতে চাওয়া হয়, আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে চাইলে তাদের সেই সুযোগ দেওয়া হবে কিনা?

প্রশ্নোত্তরে ড. আসিফ নজরুল বলেন, আগামী ডিসেম্বরের আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হচ্ছে না। এখনো অনেক সময় বাকি আছে। এ সময়ের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া এবং জনমতের আরও সুস্পষ্ট প্রকাশ আমরা দেখতে পারব। এটার মধ্য দিয়েই ব্যাপারটা নির্ধারিত হবে। নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক এজেন্ডায় আসেনি, ওইভাবে আলোচনা হয়নি। বিচারিক প্রক্রিয়া আছে, জনমত আছে, সেগুলোর মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।

অন্তর্বর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় আপনার বিশেষ ভূমিকা ছিল। ওই সময়ে আপনার সামনে কী কী চ্যালেঞ্জ ছিল?

জবাবে অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, আমি এটা নিয়ে এখনই বিস্তারিত বলতে চাই না। কারণ, আমি তো গোপনীয়তার শপথ নিয়েছি। ব্যক্তিগত ভূমিকার চেয়ে সরকারের প্রতি আমার যে দায়িত্বশীলতা, সেটার দিকে বেশি লক্ষ রাখা উচিত। ফলে আমি বিস্তারিত বলব না। শুধু এটুকু বলব, আমার প্রচেষ্টা ছিল অভ্যুত্থানের পক্ষে যত শক্তি আছে, তাদের মধ্যে যেন ঐক্য থাকে এবং গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রনেতাদের ভয়েসটা যেন যথেষ্ট সম্মান ও গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়, সেই প্রচেষ্টা ছিল। ওই সময় আমি সবার মধ্যে একধরনের কঠিন ঐক্য, সমঝোতা, পরস্পরকে বোঝার প্রচেষ্টা, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ দেখেছিলাম। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পরবর্তীকালে কোনো কোনো সময়ে যেটার অভাব দেখেছি এবং তা দেখামাত্র আমার মনেই আশঙ্কা তৈরি হয় যে, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষশক্তির মধ্যে মতভেদ থাকবে, মতভিন্নতা থাকবে; কিন্তু বড় ধরনের কোনো বিরোধ যেন না থাকে। ওই সময়ে মতবিরোধ থাকলে আমরা কঠিন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারতাম না।

সূত্র : যুগান্তর

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬: বিজয়–পরাজয়ের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্র

This will close in 6 seconds

আগামী নির্বাচনে আ.লীগ অংশ নিতে পারবে কী, যা জানালেন আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৭:১২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের যে টাইমলাইন দিয়েছেন, এর কোনোরকম ব্যত্যয় হবে না। তার কথা সবার বিশ্বাস করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

সম্প্রতি রাজধানীর হেয়ার রোডে তার সরকারি বাসভবনে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যুতে খোলামেলা কথা বলেন সরকারের এই উপদেষ্টা।

যুগান্তরের পক্ষ থেকে আইন উপদেষ্টার কাছে জানতে চাওয়া হয়, আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে চাইলে তাদের সেই সুযোগ দেওয়া হবে কিনা?

প্রশ্নোত্তরে ড. আসিফ নজরুল বলেন, আগামী ডিসেম্বরের আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হচ্ছে না। এখনো অনেক সময় বাকি আছে। এ সময়ের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া এবং জনমতের আরও সুস্পষ্ট প্রকাশ আমরা দেখতে পারব। এটার মধ্য দিয়েই ব্যাপারটা নির্ধারিত হবে। নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক এজেন্ডায় আসেনি, ওইভাবে আলোচনা হয়নি। বিচারিক প্রক্রিয়া আছে, জনমত আছে, সেগুলোর মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।

অন্তর্বর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় আপনার বিশেষ ভূমিকা ছিল। ওই সময়ে আপনার সামনে কী কী চ্যালেঞ্জ ছিল?

জবাবে অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, আমি এটা নিয়ে এখনই বিস্তারিত বলতে চাই না। কারণ, আমি তো গোপনীয়তার শপথ নিয়েছি। ব্যক্তিগত ভূমিকার চেয়ে সরকারের প্রতি আমার যে দায়িত্বশীলতা, সেটার দিকে বেশি লক্ষ রাখা উচিত। ফলে আমি বিস্তারিত বলব না। শুধু এটুকু বলব, আমার প্রচেষ্টা ছিল অভ্যুত্থানের পক্ষে যত শক্তি আছে, তাদের মধ্যে যেন ঐক্য থাকে এবং গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রনেতাদের ভয়েসটা যেন যথেষ্ট সম্মান ও গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়, সেই প্রচেষ্টা ছিল। ওই সময় আমি সবার মধ্যে একধরনের কঠিন ঐক্য, সমঝোতা, পরস্পরকে বোঝার প্রচেষ্টা, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ দেখেছিলাম। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পরবর্তীকালে কোনো কোনো সময়ে যেটার অভাব দেখেছি এবং তা দেখামাত্র আমার মনেই আশঙ্কা তৈরি হয় যে, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষশক্তির মধ্যে মতভেদ থাকবে, মতভিন্নতা থাকবে; কিন্তু বড় ধরনের কোনো বিরোধ যেন না থাকে। ওই সময়ে মতবিরোধ থাকলে আমরা কঠিন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারতাম না।

সূত্র : যুগান্তর