ঢাকা ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর বসছে শনিবার- লালদীঘিতে জমবে বৈশাখী মেলা সহকারী বন সংরক্ষক শাহীনুর ইসলামের বিবৃতি রামুতে সড়ক সংস্কারে ঠিকাদার-এলজিইডি কর্তার অনিয়ম, কাজ শেষ হওয়ার আগেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গলায় ফাঁস দিয়ে নারীর আত্মহত্যা কুতুবদিয়ায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্বোধন  মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বনভূমিতে নতুন করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান উচ্ছেদ উখিয়ায় পরিবেশ ও বন অপরাধ দমনে প্রশাসনের অভিযান: ৩ লাখ টাকা জরিমানা, ড্রেজার জব্দ টেকনাফের জেলেপল্লীতে অগ্নিদুর্গতদের পাশে দাঁড়ালেন শাহজাহান চৌধুরী হ্নীলায় সহায়তা প্রদানকালে জেলা জামায়াত আমীর আনোয়ারী -অবিলম্বে নাফ নদী খুলে দিন ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা মেরিন ড্রাইভে ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ গেল পর্যটকের টেকনাফে পিস্তলসহ সিএনজি চালক আটক কক্সবাজারে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল কক্সবাজারে পর্যাপ্ত বিমান শক্তি থাকলে রোহিঙ্গা সংকট সৃষ্টি হত না: সেনাপ্রধান আজ বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস

আগামী নির্বাচনে আ.লীগ অংশ নিতে পারবে কী, যা জানালেন আইন উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের যে টাইমলাইন দিয়েছেন, এর কোনোরকম ব্যত্যয় হবে না। তার কথা সবার বিশ্বাস করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

সম্প্রতি রাজধানীর হেয়ার রোডে তার সরকারি বাসভবনে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যুতে খোলামেলা কথা বলেন সরকারের এই উপদেষ্টা।

যুগান্তরের পক্ষ থেকে আইন উপদেষ্টার কাছে জানতে চাওয়া হয়, আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে চাইলে তাদের সেই সুযোগ দেওয়া হবে কিনা?

প্রশ্নোত্তরে ড. আসিফ নজরুল বলেন, আগামী ডিসেম্বরের আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হচ্ছে না। এখনো অনেক সময় বাকি আছে। এ সময়ের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া এবং জনমতের আরও সুস্পষ্ট প্রকাশ আমরা দেখতে পারব। এটার মধ্য দিয়েই ব্যাপারটা নির্ধারিত হবে। নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক এজেন্ডায় আসেনি, ওইভাবে আলোচনা হয়নি। বিচারিক প্রক্রিয়া আছে, জনমত আছে, সেগুলোর মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।

অন্তর্বর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় আপনার বিশেষ ভূমিকা ছিল। ওই সময়ে আপনার সামনে কী কী চ্যালেঞ্জ ছিল?

জবাবে অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, আমি এটা নিয়ে এখনই বিস্তারিত বলতে চাই না। কারণ, আমি তো গোপনীয়তার শপথ নিয়েছি। ব্যক্তিগত ভূমিকার চেয়ে সরকারের প্রতি আমার যে দায়িত্বশীলতা, সেটার দিকে বেশি লক্ষ রাখা উচিত। ফলে আমি বিস্তারিত বলব না। শুধু এটুকু বলব, আমার প্রচেষ্টা ছিল অভ্যুত্থানের পক্ষে যত শক্তি আছে, তাদের মধ্যে যেন ঐক্য থাকে এবং গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রনেতাদের ভয়েসটা যেন যথেষ্ট সম্মান ও গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়, সেই প্রচেষ্টা ছিল। ওই সময় আমি সবার মধ্যে একধরনের কঠিন ঐক্য, সমঝোতা, পরস্পরকে বোঝার প্রচেষ্টা, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ দেখেছিলাম। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পরবর্তীকালে কোনো কোনো সময়ে যেটার অভাব দেখেছি এবং তা দেখামাত্র আমার মনেই আশঙ্কা তৈরি হয় যে, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষশক্তির মধ্যে মতভেদ থাকবে, মতভিন্নতা থাকবে; কিন্তু বড় ধরনের কোনো বিরোধ যেন না থাকে। ওই সময়ে মতবিরোধ থাকলে আমরা কঠিন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারতাম না।

সূত্র : যুগান্তর

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর বসছে শনিবার- লালদীঘিতে জমবে বৈশাখী মেলা

আগামী নির্বাচনে আ.লীগ অংশ নিতে পারবে কী, যা জানালেন আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৭:১২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের যে টাইমলাইন দিয়েছেন, এর কোনোরকম ব্যত্যয় হবে না। তার কথা সবার বিশ্বাস করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

সম্প্রতি রাজধানীর হেয়ার রোডে তার সরকারি বাসভবনে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যুতে খোলামেলা কথা বলেন সরকারের এই উপদেষ্টা।

যুগান্তরের পক্ষ থেকে আইন উপদেষ্টার কাছে জানতে চাওয়া হয়, আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে চাইলে তাদের সেই সুযোগ দেওয়া হবে কিনা?

প্রশ্নোত্তরে ড. আসিফ নজরুল বলেন, আগামী ডিসেম্বরের আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হচ্ছে না। এখনো অনেক সময় বাকি আছে। এ সময়ের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া এবং জনমতের আরও সুস্পষ্ট প্রকাশ আমরা দেখতে পারব। এটার মধ্য দিয়েই ব্যাপারটা নির্ধারিত হবে। নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক এজেন্ডায় আসেনি, ওইভাবে আলোচনা হয়নি। বিচারিক প্রক্রিয়া আছে, জনমত আছে, সেগুলোর মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।

অন্তর্বর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় আপনার বিশেষ ভূমিকা ছিল। ওই সময়ে আপনার সামনে কী কী চ্যালেঞ্জ ছিল?

জবাবে অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, আমি এটা নিয়ে এখনই বিস্তারিত বলতে চাই না। কারণ, আমি তো গোপনীয়তার শপথ নিয়েছি। ব্যক্তিগত ভূমিকার চেয়ে সরকারের প্রতি আমার যে দায়িত্বশীলতা, সেটার দিকে বেশি লক্ষ রাখা উচিত। ফলে আমি বিস্তারিত বলব না। শুধু এটুকু বলব, আমার প্রচেষ্টা ছিল অভ্যুত্থানের পক্ষে যত শক্তি আছে, তাদের মধ্যে যেন ঐক্য থাকে এবং গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রনেতাদের ভয়েসটা যেন যথেষ্ট সম্মান ও গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়, সেই প্রচেষ্টা ছিল। ওই সময় আমি সবার মধ্যে একধরনের কঠিন ঐক্য, সমঝোতা, পরস্পরকে বোঝার প্রচেষ্টা, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ দেখেছিলাম। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পরবর্তীকালে কোনো কোনো সময়ে যেটার অভাব দেখেছি এবং তা দেখামাত্র আমার মনেই আশঙ্কা তৈরি হয় যে, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষশক্তির মধ্যে মতভেদ থাকবে, মতভিন্নতা থাকবে; কিন্তু বড় ধরনের কোনো বিরোধ যেন না থাকে। ওই সময়ে মতবিরোধ থাকলে আমরা কঠিন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারতাম না।

সূত্র : যুগান্তর