ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদরাসা কমিটি নিয়ে বিরোধ, শিক্ষককে পিটিয়ে আহত কক্সবাজারে সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান: ১৭ গ্রেপ্তার ওভারটেকের সময় ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেলো সিএনজি, প্রাণ গেল দুই যাত্রীর পেকুয়ায় গরুর কা/টা মাথার সূত্র ধরেই মিলল চোরের সন্ধান, গ্রেপ্তার ৩ শাহপরীর দ্বীপে সাড়ে চার কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো ৩ মাসব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল সেন্টমার্টিনে খতনার পর অসুস্থ হওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিলো সরকারি মেডিকেল টিম আবেগঘন স্ট্যাটাস :সহধর্মিণীর আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন এমপি কাজল কক্সবাজারে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার কক্সবাজারে বিলাস ভ্রমণে গিয়ে ধরা ‘কেডিসি বস্তি’র ৫ বাসিন্দা আজ পৃথিবীর মন খারাপ: ‘বিদায়’ বললেন, ফুটবলের কবি হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, এক মাসে দেওয়া হবে আরও ৩৫ লাখ প্রবাসীদের পরিবার নিয়ে সৌদি থাকার সুযোগ সাগরে লঘুচাপ, টানা বৃষ্টির আভাস দেশকে অস্থির করার জন্য পতিত দোসররা নানাভাবে কাজ করছে : রিজভী

লাল চান্দা নামে কুতুপালং বাজারে প্রতিদিন বিক্রি হয় লাখ টাকার নি’ষি’দ্ধ ‘পিরানহা’!

বিশ্বের অন্যতম শরণার্থী শিবির লাগোয়া উখিয়ার কুতুপালং বাজার, প্রতিদিন এই বাজারে লাখ টাকার নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ বিক্রি করে ভোক্তাদের সাথে প্রতারণা করছে সংঘবদ্ধ একটি অসাধু চক্র।

স্থানীয় ও রোহিঙ্গা ক্রেতাদের টার্গেট করে বাজারের কতিপয় কিছু মাছ ব্যবসায়ী এই প্রতারণায় লিপ্ত।

সরজমিনের তথ্যপ্রমাণ বলছে, লাল চান্দা মাছ দাবী করে কেজি প্রতি ৪৫০-৫০০ টাকা পিরানহা বিক্রি করছে তারা।

চক্রটির মূল হোতা কুতুপালংয়ের একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা খায়রুল আমিন, যার মাধ্যমে চকরিয়া-টেকনাফ সহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংগ্রহ করা হয় নিষিদ্ধ এই মাছ।

সোমবার সকালে বাজারে মাছ কিনতে আসেন একটি এনজিও সংস্থার কর্মকর্তা আবিদ ইসলাম, তিনি পিরানহার প্রকাশ্যে বিক্রি দেখে বিষ্ময় প্রকাশ করেন।

আবিদ বলেন, ‘ পিরানহার অপর নাম রাক্ষুসে মাছ, এটি পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এই মাছ বিক্রি বন্ধে প্রশাসনের তৎপর হওয়া উচিত।’

পরিবারের জন্য ‘লাল চান্দা’ মনে করে ক্রয় করা ২ কেজি পিরানহা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাস করা রোহিঙ্গা শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ আমি স্বল্প বেতনে ক্যাম্পের স্কুলে চাকরি করি। পরিবারের জন্য এই মাছ কিনেছি, বিক্রেতা আমাকে লাল চান্দা বলে বিক্রি করেছে।’

২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশ সরকারও রাক্ষুসে স্বভাবের কারণে পিরানহা মাছ চাষ, উৎপাদন, পোনা উৎপাদন, বংশ বৃদ্ধি, বাজারে বিক্রি এবং বাজার থেকে ক্রয় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করে সরকার।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওবায়দুল হক বলেন, রাক্ষুসে মাছ হিসেবে পরিচিত পিরানহা বাজারে ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

উপজেলায় যদি কেউ নিষিদ্ধ এই মাছ বিক্রি করে, তাহলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

ট্যাগ :

মাদরাসা কমিটি নিয়ে বিরোধ, শিক্ষককে পিটিয়ে আহত

লাল চান্দা নামে কুতুপালং বাজারে প্রতিদিন বিক্রি হয় লাখ টাকার নি’ষি’দ্ধ ‘পিরানহা’!

আপডেট সময় : ১১:২৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

বিশ্বের অন্যতম শরণার্থী শিবির লাগোয়া উখিয়ার কুতুপালং বাজার, প্রতিদিন এই বাজারে লাখ টাকার নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ বিক্রি করে ভোক্তাদের সাথে প্রতারণা করছে সংঘবদ্ধ একটি অসাধু চক্র।

স্থানীয় ও রোহিঙ্গা ক্রেতাদের টার্গেট করে বাজারের কতিপয় কিছু মাছ ব্যবসায়ী এই প্রতারণায় লিপ্ত।

সরজমিনের তথ্যপ্রমাণ বলছে, লাল চান্দা মাছ দাবী করে কেজি প্রতি ৪৫০-৫০০ টাকা পিরানহা বিক্রি করছে তারা।

চক্রটির মূল হোতা কুতুপালংয়ের একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা খায়রুল আমিন, যার মাধ্যমে চকরিয়া-টেকনাফ সহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংগ্রহ করা হয় নিষিদ্ধ এই মাছ।

সোমবার সকালে বাজারে মাছ কিনতে আসেন একটি এনজিও সংস্থার কর্মকর্তা আবিদ ইসলাম, তিনি পিরানহার প্রকাশ্যে বিক্রি দেখে বিষ্ময় প্রকাশ করেন।

আবিদ বলেন, ‘ পিরানহার অপর নাম রাক্ষুসে মাছ, এটি পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এই মাছ বিক্রি বন্ধে প্রশাসনের তৎপর হওয়া উচিত।’

পরিবারের জন্য ‘লাল চান্দা’ মনে করে ক্রয় করা ২ কেজি পিরানহা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাস করা রোহিঙ্গা শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ আমি স্বল্প বেতনে ক্যাম্পের স্কুলে চাকরি করি। পরিবারের জন্য এই মাছ কিনেছি, বিক্রেতা আমাকে লাল চান্দা বলে বিক্রি করেছে।’

২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশ সরকারও রাক্ষুসে স্বভাবের কারণে পিরানহা মাছ চাষ, উৎপাদন, পোনা উৎপাদন, বংশ বৃদ্ধি, বাজারে বিক্রি এবং বাজার থেকে ক্রয় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করে সরকার।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওবায়দুল হক বলেন, রাক্ষুসে মাছ হিসেবে পরিচিত পিরানহা বাজারে ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

উপজেলায় যদি কেউ নিষিদ্ধ এই মাছ বিক্রি করে, তাহলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।