ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অন্যের দুর্দশার খবর লিখি, আমাদের দুর্দশা লিখবে কে? তাজমিনের মৃত্যু :রাজুর বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ডের নির্দেশ আদালতের রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান চায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি ভূমধ্যসাগরীয় খাবার নিয়ে ওশ্যান প্যারাডাইসে ১০ দিনের ‘মেডিটেরেনিয়ান ফুড ফেস্টিভ্যাল’ ঈদগাঁওয়ে অগ্নিকাণ্ডে ৩ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভস্মীভূত, ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা লোহাগাড়ায় ব্যবসায়ীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ, স্বামীকে অক্ষত ফেরত চেয়ে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার করেছে এসআরবি-১৫ টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রামুর সেক্টর কমান্ডার শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার করেছে এসআরবি-১৫ লামায় বিদায়ী ইউএনও মঈন উদ্দিনকে প্রেসক্লাবের বিদায় সংবর্ধনা প্রশাসন-গণমাধ্যমের সমন্বয়ে জনসেবা গতিশীল হবে- উখিয়া প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইউএনওর মতবিনিময় পেকুয়ায় করাতকলে অভিযান, মেশিন ও গাছ জব্দ কয়েক যুগেও লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া , দুর্ভোগে দুই গ্রামের হাজার মানুষ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম

লামায় জব্দ করা ৮ লাখ ৭০ হাজার ঘনফুট বালুর নিলাম : সরকারি কোষাগারে জমা ২০ লাখ ২২ হাজার টাকা

বান্দরবানের লামা উপজেলায় মোবাইল কোর্টের অভিযানে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ অবৈধ বালুর মধ্যে দুই এলাকায় ৫ লাখ ঘনফুট বালুর উন্মুক্ত নিলাম সম্পন্ন হয়েছে। নিলামে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ২১ জন অংশগ্রহণ করেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার আমতলী বাজার পাড়া ও সরই মসজিদ ভিটা এলাকায় এ নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

নিলামে আমতলী হোছেন মেম্বার পাড়া এলাকার ৩ লাখ ঘনফুট বালু ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকায় সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে নাজিম উদ্দিন এবং সরই বাজার পাড়া এলাকার ২ লাখ ঘনফুট বালু ১২ লাখ ৭২ হাজার টাকায় তাজ উদ্দিন ক্রয় করেন। দুই স্পটের বালু বিক্রি করে মোট ২০ লাখ ২২ হাজার টাকা নিলামমূল্য পাওয়া গেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ২২ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের অভিযানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুত করা বালু জব্দ করা হয়।

অভিযানে হাবিবুর রহমান পাড়া থেকে ২০ হাজার, জোড়মনি পাড়া থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার, আমতলী হোছেন মেম্বার পাড়া থেকে ৩ লাখ, সরই বাজার পাড়া থেকে ২ লাখ এবং সরই মসজিদ ভিটা এলাকা থেকে ১ লাখ ঘনফুটসহ মোট ৮ লাখ ৭০ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়।

মোবাইল কোর্টের আদেশ অনুযায়ী জব্দ করা বালু উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে গত ৩১ আগস্ট নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

রোববার নির্ধারিত সময়ে নিলাম কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে আমতলী বাজার পাড়া ও সরই মসজিদ ভিটা এলাকায় নিলাম কার্যক্রম শুরু হয়। এতে মোট ২১ জন নিলামকারী অংশ নেন।

স্থানীয়রা জব্দকৃত অবৈধ বালু নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দেওয়ার উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। একই সঙ্গে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও মজুত বন্ধে নিয়মিত অভিযান এবং কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে জব্দ করা বালুর অবশিষ্ট অংশের নিলাম এবং সেখান থেকে প্রাপ্ত অর্থের হিসাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

অন্যের দুর্দশার খবর লিখি, আমাদের দুর্দশা লিখবে কে?

লামায় জব্দ করা ৮ লাখ ৭০ হাজার ঘনফুট বালুর নিলাম : সরকারি কোষাগারে জমা ২০ লাখ ২২ হাজার টাকা

আপডেট সময় : ০৯:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বান্দরবানের লামা উপজেলায় মোবাইল কোর্টের অভিযানে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ অবৈধ বালুর মধ্যে দুই এলাকায় ৫ লাখ ঘনফুট বালুর উন্মুক্ত নিলাম সম্পন্ন হয়েছে। নিলামে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ২১ জন অংশগ্রহণ করেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার আমতলী বাজার পাড়া ও সরই মসজিদ ভিটা এলাকায় এ নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

নিলামে আমতলী হোছেন মেম্বার পাড়া এলাকার ৩ লাখ ঘনফুট বালু ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকায় সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে নাজিম উদ্দিন এবং সরই বাজার পাড়া এলাকার ২ লাখ ঘনফুট বালু ১২ লাখ ৭২ হাজার টাকায় তাজ উদ্দিন ক্রয় করেন। দুই স্পটের বালু বিক্রি করে মোট ২০ লাখ ২২ হাজার টাকা নিলামমূল্য পাওয়া গেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ২২ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের অভিযানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুত করা বালু জব্দ করা হয়।

অভিযানে হাবিবুর রহমান পাড়া থেকে ২০ হাজার, জোড়মনি পাড়া থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার, আমতলী হোছেন মেম্বার পাড়া থেকে ৩ লাখ, সরই বাজার পাড়া থেকে ২ লাখ এবং সরই মসজিদ ভিটা এলাকা থেকে ১ লাখ ঘনফুটসহ মোট ৮ লাখ ৭০ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়।

মোবাইল কোর্টের আদেশ অনুযায়ী জব্দ করা বালু উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে গত ৩১ আগস্ট নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

রোববার নির্ধারিত সময়ে নিলাম কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে আমতলী বাজার পাড়া ও সরই মসজিদ ভিটা এলাকায় নিলাম কার্যক্রম শুরু হয়। এতে মোট ২১ জন নিলামকারী অংশ নেন।

স্থানীয়রা জব্দকৃত অবৈধ বালু নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দেওয়ার উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। একই সঙ্গে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও মজুত বন্ধে নিয়মিত অভিযান এবং কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে জব্দ করা বালুর অবশিষ্ট অংশের নিলাম এবং সেখান থেকে প্রাপ্ত অর্থের হিসাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।