ঢাকা ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় দুই রেস্তোরাঁয় অনিয়ম, ৪ লাখ টাকা জরিমানা বাঁকখালী নয়, রামু অথবা ঈদগাঁও উপজেলার সাথে থাকতে চেয়ে ঈদগড়বাসীর স্মারকলিপি কক্সবাজারে বহুল প্রত্যাশিত মেরিন ড্রাইভ সংযোগ সড়ক বাস্তবায়নের পক্ষে অবস্থান ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ‎ একরাম হত্যায় মিফতাহ ও বদিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী সাতকানিয়ার জাবেদের মৃত্যু মহাসড়কে অভিযান, চারটি বাসকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা , ৭ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ লোহাগাড়ায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড প্রবীণ আইনজীবী প্রফেসর নুর আহমদ এডভোকেটের ১ম মৃত্যু বার্ষিকী ২৬ আগস্ট আশ্রয়প্রার্থী বিদেশিদের জন্য বড় দুঃসংবাদ দিল আমেরিকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন : কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের নতুন হোস্টেল একনেকে অনুমোদন ঢেউয়ের কবলে ট্রলার দ্বিখণ্ডিত, নিউজিল্যান্ডের এক পরিবারের ৩ সদস্য উদ্ধার: শিশু নিখোঁজ অশ্রুজলে ২৫ আগস্ট স্মরণ: বিশ্বের কাছে ১০ মিনিট চাইলো লাখো রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি দ্রুত সকল রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন সমাবেশ অনুষ্ঠিত বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবে ৫ জেলে নিখোঁজ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: ভেঙ্গে দেয়া হলো ডাকাত নবী হোসেনের আস্তানা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতদলের আস্তানা খ্যাত একটি ঘর গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ঘরটি ব্যবহার হয়ে আসছিল অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইট, রড, বালু, সিমেন্টের তৈরি সেমিপাকা ঘর! এমন দৃশ্য আগে কেউ দেখেনি। অথচ উখিয়ার ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর বি-৪১ ব্লকে গড়ে তোলা হয়েছিল এমনই একটি স্থাপনা। দীর্ঘদিন ধরে সেটি ব্যবহার হতো অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে। আর নিয়ন্ত্রণে ছিল রোহিঙ্গা ডাকাত নবী হোসেনের।

জানা যায়, পুরো ক্যাম্পজুড়ে যেখানে রোহিঙ্গাদের ঘর বাঁশ, ত্রিপল ও প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয়, সেখানে হঠাৎ সেমিপাকা স্থাপনার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এই স্থাপনাটি নবী হোসেনের ‘অবৈধ দখলদারিত্বের আস্তানা’ যেখান থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হতো তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এক রোহিঙ্গা নেতা বলেন, “ঘরটি নবী হোসেনের অপরাধের আস্তানা ছিল। ডাকাতি, অপহরণ আর মাদকের পরিকল্পনা হতো এখানেই। এতদিন ভয়ে কেউ মুখ খুলেনি, অবশেষে প্রশাসন সাহসী পদক্ষেপ নেয়।”

রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ বলেন, “ক্যাম্পে এমন পাকা ঘর আগে কখনো দেখিনি। এটা পুরো নিয়মের বাইরে। এখানে ইট সিমেন্ট রড দিয়ে স্থাপনা তৈরির কোন অনুমতি নেই।‌”

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পরিচালিত যৌথ অভিযানে ঘরের একাংশ এবং ভেতরের কংক্রিটের তাক ভেঙে ফেলা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) গাজী শরিফুল হাসান।

তিনি জানান, অভিযানে সহায়তা করে সেনাবাহিনী ও ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

গাজী শরিফুল হাসান বলেন, “কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই ঘরের একাংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। তবে পুরো অবৈধ স্থাপনাটি সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে না দেওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় দুই রেস্তোরাঁয় অনিয়ম, ৪ লাখ টাকা জরিমানা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: ভেঙ্গে দেয়া হলো ডাকাত নবী হোসেনের আস্তানা

আপডেট সময় : ০৫:২৪:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতদলের আস্তানা খ্যাত একটি ঘর গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ঘরটি ব্যবহার হয়ে আসছিল অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইট, রড, বালু, সিমেন্টের তৈরি সেমিপাকা ঘর! এমন দৃশ্য আগে কেউ দেখেনি। অথচ উখিয়ার ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর বি-৪১ ব্লকে গড়ে তোলা হয়েছিল এমনই একটি স্থাপনা। দীর্ঘদিন ধরে সেটি ব্যবহার হতো অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে। আর নিয়ন্ত্রণে ছিল রোহিঙ্গা ডাকাত নবী হোসেনের।

জানা যায়, পুরো ক্যাম্পজুড়ে যেখানে রোহিঙ্গাদের ঘর বাঁশ, ত্রিপল ও প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয়, সেখানে হঠাৎ সেমিপাকা স্থাপনার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এই স্থাপনাটি নবী হোসেনের ‘অবৈধ দখলদারিত্বের আস্তানা’ যেখান থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হতো তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এক রোহিঙ্গা নেতা বলেন, “ঘরটি নবী হোসেনের অপরাধের আস্তানা ছিল। ডাকাতি, অপহরণ আর মাদকের পরিকল্পনা হতো এখানেই। এতদিন ভয়ে কেউ মুখ খুলেনি, অবশেষে প্রশাসন সাহসী পদক্ষেপ নেয়।”

রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ বলেন, “ক্যাম্পে এমন পাকা ঘর আগে কখনো দেখিনি। এটা পুরো নিয়মের বাইরে। এখানে ইট সিমেন্ট রড দিয়ে স্থাপনা তৈরির কোন অনুমতি নেই।‌”

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পরিচালিত যৌথ অভিযানে ঘরের একাংশ এবং ভেতরের কংক্রিটের তাক ভেঙে ফেলা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) গাজী শরিফুল হাসান।

তিনি জানান, অভিযানে সহায়তা করে সেনাবাহিনী ও ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

গাজী শরিফুল হাসান বলেন, “কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই ঘরের একাংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। তবে পুরো অবৈধ স্থাপনাটি সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে না দেওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে।”