ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৮ বছর পর আলোয় আলোকময় রাতের সৈকত টেকনাফে ট্রাকের ধাক্কায় খাদে অটোরিকশা, চালকসহ নিহত ২ নারীর নিরাপত্তা, অধিকার,ক্ষমতায়ন নিশ্চিতের ডাক রোকেয়া দিবসে: পুরস্কৃত হলো জেলার ৪ নারী চলতি সপ্তাহে তফসিল: সিইসি উখিয়া উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ‘অদম্য নারী’ কামরুন তানিয়া রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে দুর্নীতি কমবে : অর্থ উপদেষ্টা  রোকেয়া দিবস আজ ডিসি’র ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, জেলা প্রশাসনের সতর্কতা জারি ৪ নারীর হাতে বেগম রোকেয়া পদক তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা অপরিবর্তিত খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা, দেশেই চলবে চিকিৎসা পুতিনের ভারত সফর : এনার্জি বাণিজ্যের আড়ালে নতুন বৈশ্বিক শক্তির সমীকরণ ৭দিন ধরে নিখোঁজ চকরিয়ার তানভীর সাংবাদিকতা ও ওকালতি পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মহেশখালীতে অবৈধ বালু ভর্তি ৩ টি ডাম্পার জব্দ, লাখ টাকা জরিমানা মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট ও ময়দাসহ ৭ পাচারকারী আটক

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: ভেঙ্গে দেয়া হলো ডাকাত নবী হোসেনের আস্তানা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতদলের আস্তানা খ্যাত একটি ঘর গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ঘরটি ব্যবহার হয়ে আসছিল অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইট, রড, বালু, সিমেন্টের তৈরি সেমিপাকা ঘর! এমন দৃশ্য আগে কেউ দেখেনি। অথচ উখিয়ার ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর বি-৪১ ব্লকে গড়ে তোলা হয়েছিল এমনই একটি স্থাপনা। দীর্ঘদিন ধরে সেটি ব্যবহার হতো অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে। আর নিয়ন্ত্রণে ছিল রোহিঙ্গা ডাকাত নবী হোসেনের।

জানা যায়, পুরো ক্যাম্পজুড়ে যেখানে রোহিঙ্গাদের ঘর বাঁশ, ত্রিপল ও প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয়, সেখানে হঠাৎ সেমিপাকা স্থাপনার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এই স্থাপনাটি নবী হোসেনের ‘অবৈধ দখলদারিত্বের আস্তানা’ যেখান থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হতো তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এক রোহিঙ্গা নেতা বলেন, “ঘরটি নবী হোসেনের অপরাধের আস্তানা ছিল। ডাকাতি, অপহরণ আর মাদকের পরিকল্পনা হতো এখানেই। এতদিন ভয়ে কেউ মুখ খুলেনি, অবশেষে প্রশাসন সাহসী পদক্ষেপ নেয়।”

রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ বলেন, “ক্যাম্পে এমন পাকা ঘর আগে কখনো দেখিনি। এটা পুরো নিয়মের বাইরে। এখানে ইট সিমেন্ট রড দিয়ে স্থাপনা তৈরির কোন অনুমতি নেই।‌”

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পরিচালিত যৌথ অভিযানে ঘরের একাংশ এবং ভেতরের কংক্রিটের তাক ভেঙে ফেলা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) গাজী শরিফুল হাসান।

তিনি জানান, অভিযানে সহায়তা করে সেনাবাহিনী ও ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

গাজী শরিফুল হাসান বলেন, “কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই ঘরের একাংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। তবে পুরো অবৈধ স্থাপনাটি সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে না দেওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযান: ভেঙ্গে দেয়া হলো ডাকাত নবী হোসেনের আস্তানা

আপডেট সময় : ০৫:২৪:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতদলের আস্তানা খ্যাত একটি ঘর গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ঘরটি ব্যবহার হয়ে আসছিল অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইট, রড, বালু, সিমেন্টের তৈরি সেমিপাকা ঘর! এমন দৃশ্য আগে কেউ দেখেনি। অথচ উখিয়ার ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর বি-৪১ ব্লকে গড়ে তোলা হয়েছিল এমনই একটি স্থাপনা। দীর্ঘদিন ধরে সেটি ব্যবহার হতো অপহরণ ও মাদকের ঘাঁটি হিসেবে। আর নিয়ন্ত্রণে ছিল রোহিঙ্গা ডাকাত নবী হোসেনের।

জানা যায়, পুরো ক্যাম্পজুড়ে যেখানে রোহিঙ্গাদের ঘর বাঁশ, ত্রিপল ও প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয়, সেখানে হঠাৎ সেমিপাকা স্থাপনার বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এই স্থাপনাটি নবী হোসেনের ‘অবৈধ দখলদারিত্বের আস্তানা’ যেখান থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হতো তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।

পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এক রোহিঙ্গা নেতা বলেন, “ঘরটি নবী হোসেনের অপরাধের আস্তানা ছিল। ডাকাতি, অপহরণ আর মাদকের পরিকল্পনা হতো এখানেই। এতদিন ভয়ে কেউ মুখ খুলেনি, অবশেষে প্রশাসন সাহসী পদক্ষেপ নেয়।”

রোহিঙ্গা নেতা দিল মোহাম্মদ বলেন, “ক্যাম্পে এমন পাকা ঘর আগে কখনো দেখিনি। এটা পুরো নিয়মের বাইরে। এখানে ইট সিমেন্ট রড দিয়ে স্থাপনা তৈরির কোন অনুমতি নেই।‌”

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে পরিচালিত যৌথ অভিযানে ঘরের একাংশ এবং ভেতরের কংক্রিটের তাক ভেঙে ফেলা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যাম্প-৮ ইস্ট-এর ক্যাম্প ইনচার্জ (সিআইসি) গাজী শরিফুল হাসান।

তিনি জানান, অভিযানে সহায়তা করে সেনাবাহিনী ও ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

গাজী শরিফুল হাসান বলেন, “কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই ঘরের একাংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। তবে পুরো অবৈধ স্থাপনাটি সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে না দেওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে।”