ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনার চেহারা দেখা যায়নি, অস্থিরতা সৃষ্টিতে বিদেশ থেকে মাঝে মধ্যে উঁকিঝুঁকি দেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সমুদ্রসৈকতে পানিতে ডুবে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু দুই ঘণ্টার ব্যবধানে সড়কে ঝরল ১৬ প্রাণ দরিয়ানগরে পর্যটক মৃত্যুর ঘটনায় প্যারাসেইলিং মালিক ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার দেশের ৭ অঞ্চলে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা ‘শীর্ষ মাদক কারবারিদের তালিকা হচ্ছে, চোরাচালানের রুটে বসছে ক্যাম্প’ – স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী শহীদ ইশমামের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী : ছেলের ছবির সামনে মায়ের আহাজারি, মামলার রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল আংশিক চালু, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু পেকুয়ায় ওযু করতে গিয়ে পা পিছলে মসজিদের ইমামের মৃত্যু অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: ট্যুরিস্ট জীপ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান:জরিমানা ও গাড়ি জব্দ লোহাগাড়ায় বিএনপির বিজয় র‍্যালি, নেতাকর্মীদের ঢল নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ বিজিবির অভিযান : ইয়াবা উদ্ধার নারীদের সুরক্ষায় টেকনাফে সাইবার নিরাপত্তা ও অনলাইন অভিযোগ বিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত টেকনাফে ৫৭ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনায় আটক ২ : উদ্ধার হয়নি টাকা কথিত ছোটন সিন্ডিকেটের মাদক আনতেই কি মাইন বিস্ফোরণে পা হারালেন বালুখালীর সেই জেলে?

রিজার্ভ এখন ২১.৪০ বিলিয়ন ডলার

রফতানি আয় ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের কল্যাণে বাড়ছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ৬ মার্চ পর্যন্ত আইএমএফের হিসাব পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার, বা ২ হাজার ১৪০ কোটি ডলার। যা গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছিল ২০ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ৬ মার্চে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী (গ্রস রিজার্ভ) দাঁড়ায় ২৬ দশমিক ৬০ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৬৬০ কোটি ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন বা ২ হাজার ১৪০ কোটি ডলার।

এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ১৩ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৬১৩ কোটি ডলার। ওই দিন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৯০ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৯০ কোটি ডলার।

তবে এ দুই হিসাবের বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের আরও একটি হিসাব রয়েছে, সেটি ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ। এ তথ্য আনুষ্ঠা‌নিকভাবে শুধু আইএমএফকে প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ হিসাবে আইএমএফের এসডিআর খাতে থাকা ডলার, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাবে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা এবং আকুর বিল বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করা হয়।

সে হিসাবে দেশের ব্যয়যোগ্য প্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৫ বিলিয়ন ডলারের কিছুটা ওপরে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। দেশে সে পরিমাণ রিজার্ভ রয়েছে। আর নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ মানদণ্ড অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী দায় বাদ দিলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি মাসে আড়াই বিলিয়ন (২.৫৩ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এছাড়া গত ফেব্রুয়ারি মাসে রফতানি আয় হয়েছে প্রায় চার বিলিয়ন (৩.৯৭ ) ডলার, যা গত বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি।

 

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনার চেহারা দেখা যায়নি, অস্থিরতা সৃষ্টিতে বিদেশ থেকে মাঝে মধ্যে উঁকিঝুঁকি দেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রিজার্ভ এখন ২১.৪০ বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় : ০৬:০৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫

রফতানি আয় ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের কল্যাণে বাড়ছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ৬ মার্চ পর্যন্ত আইএমএফের হিসাব পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার, বা ২ হাজার ১৪০ কোটি ডলার। যা গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছিল ২০ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ৬ মার্চে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী (গ্রস রিজার্ভ) দাঁড়ায় ২৬ দশমিক ৬০ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৬৬০ কোটি ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন বা ২ হাজার ১৪০ কোটি ডলার।

এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ১৩ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৬১৩ কোটি ডলার। ওই দিন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৯০ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৯০ কোটি ডলার।

তবে এ দুই হিসাবের বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের আরও একটি হিসাব রয়েছে, সেটি ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ। এ তথ্য আনুষ্ঠা‌নিকভাবে শুধু আইএমএফকে প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ হিসাবে আইএমএফের এসডিআর খাতে থাকা ডলার, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাবে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা এবং আকুর বিল বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করা হয়।

সে হিসাবে দেশের ব্যয়যোগ্য প্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৫ বিলিয়ন ডলারের কিছুটা ওপরে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। দেশে সে পরিমাণ রিজার্ভ রয়েছে। আর নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ মানদণ্ড অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী দায় বাদ দিলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি মাসে আড়াই বিলিয়ন (২.৫৩ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এছাড়া গত ফেব্রুয়ারি মাসে রফতানি আয় হয়েছে প্রায় চার বিলিয়ন (৩.৯৭ ) ডলার, যা গত বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি।