ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাফ নদীতে রোহিঙ্গা ডাকাতদলের সাথে বিজিবির গোলাগুলি : ২ ডাকাত আটক কোরবানির পশুর নামকরণ ও ভূরাজনৈতিক সংবেদনশীলতা প্রেমিকাকে উদ্ধারে গিয়ে প্রেমিকের ওপর চড়াও পুলিশ, লঙ্কাকাণ্ড ৪০০ জনকে ঔষুধসহ ফ্রি চিকিৎসা দিলো কর্মবীর মোটরসাইকেল চালককে বাঁচাতে গিয়ে অটোরিকশা যাত্রীর মৃত্যু  টেকনাফে মাদক মামলায় ৮ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি জহির গ্রেফতার শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে জেলা বিএনপির খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল পেকুয়ায় শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত সবাইকে দেশ গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ ২০ হাজার টাকায় আড়াই মাসের শিশু কেনার চেষ্টা, পুলিশ হেফাজতে পর্যটক দম্পতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: ছাত্রদলের রাজনীতি ও স্বপ্নময় বাংলাদেশের অভিযাত্রা পূর্ব সীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের আত্মপ্রকাশ সভাপতি মাঈনুদ্দিন, সম্পাদক হুমায়ুন সেন্টমার্টিনে সালিশ বৈঠকে সাবেক মেম্বারের নেতৃত্বে হামলা : আহত বর্তমান মেম্বার শিল্পী ইয়াসির আরাফাত-এর দ্বিতীয় একক চিত্রপ্রদর্শনী শুরু ৩০ মে
কলাম

মিয়ানমার সীমান্তে ‘কোলাবরেটিভ ফোর্স’ সময়ের দাবি

মিয়ানমারে চলমান মাল্টিফ্রন্ট যুদ্ধের ভয়াবহতা দিন দিন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সরকারের উচিত সকল রাজনৈতিক অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত একটি জরুরি (ইমার্জেন্সি) বৈঠক আহ্বান করা।

সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকদের মধ্যে বর্ডার লিটারেসি ও আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে পরিবার ও সমাজকে আরও সতর্ক হতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সীমান্তে নিরীহ নাগরিক হত্যাকাণ্ড কাম্য নয়।

বান্দরবানের ঘুমধুম এলাকা এবং উখিয়া–টেকনাফ অঞ্চলে সরকার, প্রশাসন ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কোলাবরেটিভ ফোর্স গঠন করে কার্যকরভাবে কাজ করা প্রয়োজন। জান্তা সরকার গেরিলা যুদ্ধে দুর্বল হলেও তারা বিমান হামলার (এয়ার স্ট্রাইক) পথ বেছে নিতে পারে—এ ক্ষেত্রে আমাদের আকাশসীমা ও বিমানবাহিনীর নিরাপত্তা কতটা প্রস্তুত, সে বিষয়েও গভীরভাবে ভাবতে হবে।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রেক্ষাপটে যেন কোনোভাবেই নিরীহ বাংলাদেশিরা ভিক্টিম না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও একাধিক মাল্টিফ্রন্ট চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান—একদিকে নির্বাচন, অন্যদিকে ফ্যাসিবাদী প্রবণতা, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এক্টরের চাপ।

এ অবস্থায় সীমান্ত এলাকার রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ও কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করা অত্যাবশ্যক। আবেগতাড়িত বা দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ প্রতিটি কথাই রাষ্ট্রের অবস্থান ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।

লেখক : সাংবাদিক ও এনসিপি মনোনীত প্রার্থী বান্দরবান-৩০০

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাফ নদীতে রোহিঙ্গা ডাকাতদলের সাথে বিজিবির গোলাগুলি : ২ ডাকাত আটক

কলাম

মিয়ানমার সীমান্তে ‘কোলাবরেটিভ ফোর্স’ সময়ের দাবি

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমারে চলমান মাল্টিফ্রন্ট যুদ্ধের ভয়াবহতা দিন দিন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সরকারের উচিত সকল রাজনৈতিক অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত একটি জরুরি (ইমার্জেন্সি) বৈঠক আহ্বান করা।

সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকদের মধ্যে বর্ডার লিটারেসি ও আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে পরিবার ও সমাজকে আরও সতর্ক হতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সীমান্তে নিরীহ নাগরিক হত্যাকাণ্ড কাম্য নয়।

বান্দরবানের ঘুমধুম এলাকা এবং উখিয়া–টেকনাফ অঞ্চলে সরকার, প্রশাসন ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কোলাবরেটিভ ফোর্স গঠন করে কার্যকরভাবে কাজ করা প্রয়োজন। জান্তা সরকার গেরিলা যুদ্ধে দুর্বল হলেও তারা বিমান হামলার (এয়ার স্ট্রাইক) পথ বেছে নিতে পারে—এ ক্ষেত্রে আমাদের আকাশসীমা ও বিমানবাহিনীর নিরাপত্তা কতটা প্রস্তুত, সে বিষয়েও গভীরভাবে ভাবতে হবে।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রেক্ষাপটে যেন কোনোভাবেই নিরীহ বাংলাদেশিরা ভিক্টিম না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও একাধিক মাল্টিফ্রন্ট চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান—একদিকে নির্বাচন, অন্যদিকে ফ্যাসিবাদী প্রবণতা, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এক্টরের চাপ।

এ অবস্থায় সীমান্ত এলাকার রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ও কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করা অত্যাবশ্যক। আবেগতাড়িত বা দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ প্রতিটি কথাই রাষ্ট্রের অবস্থান ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।

লেখক : সাংবাদিক ও এনসিপি মনোনীত প্রার্থী বান্দরবান-৩০০