ঢাকা ১২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাগর দেখতে এসে আটক নিষিদ্ধ ঘোষিত ৫ ছাত্রলীগ নেতা লামায় ২ ইটভাটায় ৫ লাখ টাকা জরিমানা লবণ আমদানির প্রতিবাদে ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন: আমদানি স্থগিত করার আশ্বাস আরকান আর্মির কথিত পার্টনার রোহিঙ্গা অলি’কে খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নৌবাহিনীর যৌথ অভিযান: হ্নীলায় অটোরিক্সা থেকে ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার ভারত থেকে ভেনামি চিংড়ির নপলি আমদানির অনুমতি বাতিলের দাবি চকরিয়ায় বসতঘর থেকে পিস্তল ও গুলি উদ্ধার : আটক ১ সালাহউদ্দিন আহমদকে গণঅধিকার প্রার্থীর সমর্থন, প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা টেকনাফে প্রায় ৪ কোটি টাকার ইয়াবাসহ ২ পাচারকারি আটক পেকুয়ায় সালাহউদ্দিন আহমদ- বিএনপি স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ বাস্তনায়নে অঙ্গীকারাবদ্ধ উখিয়ার আলোচিত কামাল মেম্বার হত্যা কান্ড: ৮ আসামি কারাগারে পেকুয়ায় কলেজ ছাত্রের আ ত্ম হ ত্যা/ প্ররোচনাকারীদের শাস্তি চায় স্থানীয়রা সরকারি চাকরিজীবীরা যেভাবে পাবেন টানা ৪ দিনের ছুটি শতাধিক গুম-খুনের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিচার শুরু নয়া পাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাকাতের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার
কলাম

মিয়ানমার সীমান্তে ‘কোলাবরেটিভ ফোর্স’ সময়ের দাবি

মিয়ানমারে চলমান মাল্টিফ্রন্ট যুদ্ধের ভয়াবহতা দিন দিন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সরকারের উচিত সকল রাজনৈতিক অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত একটি জরুরি (ইমার্জেন্সি) বৈঠক আহ্বান করা।

সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকদের মধ্যে বর্ডার লিটারেসি ও আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে পরিবার ও সমাজকে আরও সতর্ক হতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সীমান্তে নিরীহ নাগরিক হত্যাকাণ্ড কাম্য নয়।

বান্দরবানের ঘুমধুম এলাকা এবং উখিয়া–টেকনাফ অঞ্চলে সরকার, প্রশাসন ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কোলাবরেটিভ ফোর্স গঠন করে কার্যকরভাবে কাজ করা প্রয়োজন। জান্তা সরকার গেরিলা যুদ্ধে দুর্বল হলেও তারা বিমান হামলার (এয়ার স্ট্রাইক) পথ বেছে নিতে পারে—এ ক্ষেত্রে আমাদের আকাশসীমা ও বিমানবাহিনীর নিরাপত্তা কতটা প্রস্তুত, সে বিষয়েও গভীরভাবে ভাবতে হবে।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রেক্ষাপটে যেন কোনোভাবেই নিরীহ বাংলাদেশিরা ভিক্টিম না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও একাধিক মাল্টিফ্রন্ট চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান—একদিকে নির্বাচন, অন্যদিকে ফ্যাসিবাদী প্রবণতা, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এক্টরের চাপ।

এ অবস্থায় সীমান্ত এলাকার রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ও কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করা অত্যাবশ্যক। আবেগতাড়িত বা দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ প্রতিটি কথাই রাষ্ট্রের অবস্থান ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।

লেখক : সাংবাদিক ও এনসিপি মনোনীত প্রার্থী বান্দরবান-৩০০

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাগর দেখতে এসে আটক নিষিদ্ধ ঘোষিত ৫ ছাত্রলীগ নেতা

This will close in 6 seconds

কলাম

মিয়ানমার সীমান্তে ‘কোলাবরেটিভ ফোর্স’ সময়ের দাবি

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমারে চলমান মাল্টিফ্রন্ট যুদ্ধের ভয়াবহতা দিন দিন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সরকারের উচিত সকল রাজনৈতিক অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত একটি জরুরি (ইমার্জেন্সি) বৈঠক আহ্বান করা।

সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকদের মধ্যে বর্ডার লিটারেসি ও আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে পরিবার ও সমাজকে আরও সতর্ক হতে হবে। কোনো অবস্থাতেই সীমান্তে নিরীহ নাগরিক হত্যাকাণ্ড কাম্য নয়।

বান্দরবানের ঘুমধুম এলাকা এবং উখিয়া–টেকনাফ অঞ্চলে সরকার, প্রশাসন ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কোলাবরেটিভ ফোর্স গঠন করে কার্যকরভাবে কাজ করা প্রয়োজন। জান্তা সরকার গেরিলা যুদ্ধে দুর্বল হলেও তারা বিমান হামলার (এয়ার স্ট্রাইক) পথ বেছে নিতে পারে—এ ক্ষেত্রে আমাদের আকাশসীমা ও বিমানবাহিনীর নিরাপত্তা কতটা প্রস্তুত, সে বিষয়েও গভীরভাবে ভাবতে হবে।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রেক্ষাপটে যেন কোনোভাবেই নিরীহ বাংলাদেশিরা ভিক্টিম না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জরুরি। একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও একাধিক মাল্টিফ্রন্ট চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান—একদিকে নির্বাচন, অন্যদিকে ফ্যাসিবাদী প্রবণতা, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এক্টরের চাপ।

এ অবস্থায় সীমান্ত এলাকার রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ও কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করা অত্যাবশ্যক। আবেগতাড়িত বা দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ প্রতিটি কথাই রাষ্ট্রের অবস্থান ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।

লেখক : সাংবাদিক ও এনসিপি মনোনীত প্রার্থী বান্দরবান-৩০০