ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে ভুল চিকিৎসায় অসুস্থ ৫০ শিশু! ইউএনও’র হস্তক্ষেপে উখিয়ায় শ্মশানের ভাঙচুর করা দেয়াল পুন:র্নির্মাণ শুরু সোনাদিয়া দ্বীপে প্যারাবন দখলদারদের উচ্ছেদে নামছে নৌবাহিনী : পরিবেশবাদীদের স্বস্তি জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ বৈঠকে আমীর -“তেল, গ্যাস ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে” কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে চেইন্দায় ট্রাকের ধাক্কায় সিএনজি যাত্রী নিহত বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ২৫ জন, ১৭ কিশোর গ্যাং সদস্য আটক লোহাগাড়ায় বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু ১.৫ লাখ টন লবণ আমদানির অনুমতি, তার মধ্যে ৫,৭৬৬ টন লবণ গায়েব উখিয়ায় কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার কক্সবাজারে ৩ কোটি টাকা মূল্যের ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি চকরিয়ায় ৫ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ ৩ জন আটক শহরে অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে পর্যটকের মৃত্যু ৭০ বছর পর আসাম থেকে নৌপথে পণ্য এলো বাংলাদেশে আ.লীগ সমঝোতা চাইলে আগে অপরাধ স্বীকার করতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

পেকুয়ায় টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিতে মানববন্ধন

কক্সবাজারের পেকুয়ার রাজাখালীতে স্থায়ী বেড়িবাঁধের দাবীতে মানববন্ধন করেছে উপকূলীয় সাহিত্য ফোরাম।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৫ টায় রাজাখালী ইউনিয়নের বকশিয়া ঘোনা এলাকায় অরক্ষিত বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

উপকূলীয় সাহিত্য ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাহেদুল আলম রিফাতের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবু জাফর এমএ, সদস্য সচিব আবুল বশর বাবু, রাজাখালী এয়ার আলী খাঁন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহেদ উল্লাহ, বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম, সিপিপির ইউনিয়ন টিম লিডার আহমদ কবির আজাদ, রাজাখালী ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি এস.এম. আমিন উল্লাহ, রাজাখালী এয়ার আলী খাঁন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হারুন অর রশিদ, রাজাখালী উম্মুক্ত পাঠাগারের প্রতিনিধি মোস্তাক আহমেদ, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি পাঠাগারের সদস্য সাইদুল ইসলাম রোমানসহ অনেকে। এ সময় বক্তারা অবিলম্বে রাজাখালীর বিস্তীর্ণ বেড়িবাঁধের বিধ্বস্ত অংশ দ্রুত সংষ্কার ও টেকসই বেড়িবাঁধ রক্ষার দাবী তুলে ধরেন।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের মধ্যরাতে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী ও রবগুনাসহ দেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ১২ থেকে ২০ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। এতে উপকূলীয় ১৯ জেলার ১০২ থানা ও ৯টি পৌরসভায় সরকারি হিসাব মতে নিহত হয়েছিল ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৮২ জন লোক। নিখোঁজ ছিল ১২ হাজার ১২৫ জন। আহত হয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪ জন। গৃহহারা হয়েছিল প্রায় ২০ লাখ মানুষ। তবে বেসরকারি হিসেবে এই সংখ্যা দ্বিগুণ। ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে কয়েক হাজার পরিবার। সেই কালরাত্রির নানা ঘটনা এখনো উপকূলীয় এলাকার লোকের মুখে মুখে ফেরে। কিন্তু এতো প্রাণ-সম্পদহানির ৩৪ বছর পরও মানুষের সুরক্ষায় গড়ে উঠেনি টেকসই বেড়িবাঁধ। উপকূলে এখন প্রতিনিয়ত জোয়ার-ভাটা। স্বজন হারানোর চোখেও কেবল বিভীষিকা।

ট্যাগ :

সেন্টমার্টিনে ভুল চিকিৎসায় অসুস্থ ৫০ শিশু!

পেকুয়ায় টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১০:২১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৫

কক্সবাজারের পেকুয়ার রাজাখালীতে স্থায়ী বেড়িবাঁধের দাবীতে মানববন্ধন করেছে উপকূলীয় সাহিত্য ফোরাম।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল ৫ টায় রাজাখালী ইউনিয়নের বকশিয়া ঘোনা এলাকায় অরক্ষিত বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

উপকূলীয় সাহিত্য ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাহেদুল আলম রিফাতের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবু জাফর এমএ, সদস্য সচিব আবুল বশর বাবু, রাজাখালী এয়ার আলী খাঁন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহেদ উল্লাহ, বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম, সিপিপির ইউনিয়ন টিম লিডার আহমদ কবির আজাদ, রাজাখালী ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি এস.এম. আমিন উল্লাহ, রাজাখালী এয়ার আলী খাঁন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হারুন অর রশিদ, রাজাখালী উম্মুক্ত পাঠাগারের প্রতিনিধি মোস্তাক আহমেদ, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি পাঠাগারের সদস্য সাইদুল ইসলাম রোমানসহ অনেকে। এ সময় বক্তারা অবিলম্বে রাজাখালীর বিস্তীর্ণ বেড়িবাঁধের বিধ্বস্ত অংশ দ্রুত সংষ্কার ও টেকসই বেড়িবাঁধ রক্ষার দাবী তুলে ধরেন।

তথ্যসূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের মধ্যরাতে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী ও রবগুনাসহ দেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ১২ থেকে ২০ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। এতে উপকূলীয় ১৯ জেলার ১০২ থানা ও ৯টি পৌরসভায় সরকারি হিসাব মতে নিহত হয়েছিল ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৮২ জন লোক। নিখোঁজ ছিল ১২ হাজার ১২৫ জন। আহত হয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪ জন। গৃহহারা হয়েছিল প্রায় ২০ লাখ মানুষ। তবে বেসরকারি হিসেবে এই সংখ্যা দ্বিগুণ। ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে কয়েক হাজার পরিবার। সেই কালরাত্রির নানা ঘটনা এখনো উপকূলীয় এলাকার লোকের মুখে মুখে ফেরে। কিন্তু এতো প্রাণ-সম্পদহানির ৩৪ বছর পরও মানুষের সুরক্ষায় গড়ে উঠেনি টেকসই বেড়িবাঁধ। উপকূলে এখন প্রতিনিয়ত জোয়ার-ভাটা। স্বজন হারানোর চোখেও কেবল বিভীষিকা।