ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৮ বছর পর আলোয় আলোকময় রাতের সৈকত টেকনাফে ট্রাকের ধাক্কায় খাদে অটোরিকশা, চালকসহ নিহত ২ নারীর নিরাপত্তা, অধিকার,ক্ষমতায়ন নিশ্চিতের ডাক রোকেয়া দিবসে: পুরস্কৃত হলো জেলার ৪ নারী চলতি সপ্তাহে তফসিল: সিইসি উখিয়া উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ‘অদম্য নারী’ কামরুন তানিয়া রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে দুর্নীতি কমবে : অর্থ উপদেষ্টা  রোকেয়া দিবস আজ ডিসি’র ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, জেলা প্রশাসনের সতর্কতা জারি ৪ নারীর হাতে বেগম রোকেয়া পদক তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা অপরিবর্তিত খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা, দেশেই চলবে চিকিৎসা পুতিনের ভারত সফর : এনার্জি বাণিজ্যের আড়ালে নতুন বৈশ্বিক শক্তির সমীকরণ ৭দিন ধরে নিখোঁজ চকরিয়ার তানভীর সাংবাদিকতা ও ওকালতি পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মহেশখালীতে অবৈধ বালু ভর্তি ৩ টি ডাম্পার জব্দ, লাখ টাকা জরিমানা মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট ও ময়দাসহ ৭ পাচারকারী আটক

নির্বাচনে জয়ের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেলেন ট্রাম্প

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী হিসেবে স্বীকৃতি দিলো মার্কিন কংগ্রেস। সোমবার (৬ জানুয়ারি) ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সভাপতিত্বে আয়োজিত পার্লামেন্টারি অধিবেশনে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, আজকের আমরা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে যাচ্ছি। আমাদের নির্বাচনী জয়কে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে কংগ্রেস। মেইক আমেরিকা গ্রেইট অ্যাগেইন!

তীব্র তুষারঝড়ের মধ্যেও কংগ্রেস অধিবেশন নিয়মমাফিক পরিচালিত হয়।

চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিতে বলা হয়, সর্বশেষ নির্বাচনে ট্রাম্প পেয়েছেন ৩১২ ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট আর হ্যারিস পেয়েছেন ২২৬টি। এই স্বীকৃতির পর এখন কেবল ২০ জানুয়ারি ট্রাম্পের অভিষেকের অপেক্ষা।

সৌভাগ্যক্রমে, গতকালের আনুষ্ঠানিকতায় চার বছর আগের চিত্রের পুনরাবৃত্তি না হয়ে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে। আগের নির্বাচনে বাইডেনের কাছে পরাজয় মানতে না পেরে ইউএস ক্যাপিটলে হামলা চালিয়েছিলেন ট্রাম্পের সমর্থকরা।

কোনও প্রমাণ উপস্থাপন না করেই দিনের পর দিন ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন- ভোট জালিয়াতির কারণে আগের নির্বাচনের বাইডেনের কাছে তার পরাজয় হয়েছে। ৫ নভেম্বর কমলা হ্যারিসকে হারানোর আগ পর্যন্ত জালিয়াতি নিয়ে নিজের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।

সভার প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রতি অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিক ও ডেমোক্র্যাট ইলেকটোরাল ভোটের সার্টিফিকেট প্রদান করেন হ্যারিস। ক্যাপিটলে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তরের জন্য আজকের দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমেরিকার গণতন্ত্রের শক্তি নির্ভর করে এটি রক্ষায় জনগণের ইচ্ছাশক্তির উপর।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

নির্বাচনে জয়ের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেলেন ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০৯:০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী হিসেবে স্বীকৃতি দিলো মার্কিন কংগ্রেস। সোমবার (৬ জানুয়ারি) ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সভাপতিত্বে আয়োজিত পার্লামেন্টারি অধিবেশনে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, আজকের আমরা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে যাচ্ছি। আমাদের নির্বাচনী জয়কে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে কংগ্রেস। মেইক আমেরিকা গ্রেইট অ্যাগেইন!

তীব্র তুষারঝড়ের মধ্যেও কংগ্রেস অধিবেশন নিয়মমাফিক পরিচালিত হয়।

চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিতে বলা হয়, সর্বশেষ নির্বাচনে ট্রাম্প পেয়েছেন ৩১২ ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট আর হ্যারিস পেয়েছেন ২২৬টি। এই স্বীকৃতির পর এখন কেবল ২০ জানুয়ারি ট্রাম্পের অভিষেকের অপেক্ষা।

সৌভাগ্যক্রমে, গতকালের আনুষ্ঠানিকতায় চার বছর আগের চিত্রের পুনরাবৃত্তি না হয়ে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে। আগের নির্বাচনে বাইডেনের কাছে পরাজয় মানতে না পেরে ইউএস ক্যাপিটলে হামলা চালিয়েছিলেন ট্রাম্পের সমর্থকরা।

কোনও প্রমাণ উপস্থাপন না করেই দিনের পর দিন ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন- ভোট জালিয়াতির কারণে আগের নির্বাচনের বাইডেনের কাছে তার পরাজয় হয়েছে। ৫ নভেম্বর কমলা হ্যারিসকে হারানোর আগ পর্যন্ত জালিয়াতি নিয়ে নিজের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।

সভার প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রতি অঙ্গরাজ্যে রিপাবলিক ও ডেমোক্র্যাট ইলেকটোরাল ভোটের সার্টিফিকেট প্রদান করেন হ্যারিস। ক্যাপিটলে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তরের জন্য আজকের দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমেরিকার গণতন্ত্রের শক্তি নির্ভর করে এটি রক্ষায় জনগণের ইচ্ছাশক্তির উপর।