ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে দোকান কর্মচারীকে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ হিমছড়িতে গোসলে নেমে সানি, আকাশ ও হারুনের মৃত্যু রামুর বাঁকখালী নদীতে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠিত তারেক রহমানের নেতৃত্বে সব ধর্মের,বর্নের মানুষের উন্নয়ন করা হবে- কক্সবাজার সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে মীর হেলাল হিমছড়িতে সৈকতে গোসলে নেমে ২ পর্যটক নিখোঁজ: ৩ জনের মৃত্যু টেকনাফ সমুদ্র সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন সমুদ্রে জনসমুদ্র বিসর্জনে যা অর্জন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুর্গাপূজা: বিবর্ণ জীবনে রঙিন উৎসব দুর্গাপূজা ও টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, তিন স্তরের নিরাপত্তা ট্যুরিস্ট পুলিশের ‎বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম আজ বিজয়া দশমী, মণ্ডপে মণ্ডপে বিদায়ের সুর ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চর্চায় বিশ্বাসী’ – হিন্দু ক্যাম্পে ত্রাণ সচিব টেকনাফের বাহারছড়ায় বাড়িতে ঢুকে অস্ত্রের মুখে কৃষক রফিককে অপহরণ ধর্মের পরিচয়ে নয়, নাগরিক হিসেবে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান”

দাবানলের ক্ষয় এখনও থামেনি

লস অ্যাঞ্জেলেসে চলমান দাবানলে এখনো ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দমকলকর্মীরা দাবানল নেভানোর জন্য নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে পরবর্তী সপ্তাহে ঝড়ের কারণে দাবানল আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

এরই মধ্যে দাবানলে ১৫ হাজার একর এলাকা পুড়ে গেছে। এতে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। দাবানলের কারণে পুরো এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও বাড়ছে। লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির বাসিন্দাদের তাদের বাড়ি ফিরে ক্ষতি পরিদর্শন করতে কমপক্ষে এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। পরিবেশ সুরক্ষা দল বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ সরানোর কাজ শুরু করেছে। দূষিত পানি ও ভূমিধস এখনও বড় ঝুঁকি হয়ে রয়েছে।

অগ্নি বিশেষজ্ঞরা ও অগ্নিসংযোগ তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, দাবানল কীভাবে শুরু হয়েছিল, তা জানার জন্য তাদের কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। এখনও দাবানলে ক্ষয়ক্ষতি চলছে। তবে আশা করা হচ্ছে আগামী কিছু মাসে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি ঘটবে।

সূত্র : সিএনএন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে দোকান কর্মচারীকে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগ

দাবানলের ক্ষয় এখনও থামেনি

আপডেট সময় : ০৭:৫২:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৫

লস অ্যাঞ্জেলেসে চলমান দাবানলে এখনো ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দমকলকর্মীরা দাবানল নেভানোর জন্য নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে পরবর্তী সপ্তাহে ঝড়ের কারণে দাবানল আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

এরই মধ্যে দাবানলে ১৫ হাজার একর এলাকা পুড়ে গেছে। এতে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। দাবানলের কারণে পুরো এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও বাড়ছে। লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির বাসিন্দাদের তাদের বাড়ি ফিরে ক্ষতি পরিদর্শন করতে কমপক্ষে এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। পরিবেশ সুরক্ষা দল বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ সরানোর কাজ শুরু করেছে। দূষিত পানি ও ভূমিধস এখনও বড় ঝুঁকি হয়ে রয়েছে।

অগ্নি বিশেষজ্ঞরা ও অগ্নিসংযোগ তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, দাবানল কীভাবে শুরু হয়েছিল, তা জানার জন্য তাদের কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। এখনও দাবানলে ক্ষয়ক্ষতি চলছে। তবে আশা করা হচ্ছে আগামী কিছু মাসে পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি ঘটবে।

সূত্র : সিএনএন।