ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামুর উখিয়ারঘোনাতে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি কাজল বাংলাদেশ-ভারত অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারের আলোচনা তেলের সংকট নেই, দাম বাড়ছে না: সেতুমন্ত্রী আজ পবিত্র শবে কদর হঠাৎ বৃষ্টি পর্যটন শহরে বিএসপিএ কক্সবাজার শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য হলেন তারেক অসুস্থ রোগীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করলেন ছাত্রদল নেতা জনি বিএসপিএ কক্সবাজারের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন: মাহবুবসভাপতি, সুমন সম্পাদক টিটিএনের প্রতিনিধি সম্মেলন: নব উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন কুতুবদিয়ার নুরুল বশর চৌধুরী উঠে গেলো সৈকতের বালিয়াড়ীর দোকান: পুনর্বাসনের আকুতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ​ ২ হাজার কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ নামমাত্র মূল্যে বিক্রির অভিযোগ: বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত শুরু পর্যটক এক্সপ্রেসে পাথর নিক্ষেপে যাত্রী আহত, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার অভিযোগ মাতারবাড়ি থেকে অস্ত্রসহ যুবক আটক সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চকরিয়া-পেকুয়া : অভিজ্ঞের সাথে নতুনের লড়াই

কক্সবাজার-১ চকরিয়া-পেকুয়া আসনে শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রচারণার সময়।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় নির্বাচনি প্রচারণার সময় শেষ হয়।

বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি এ সংসদীয় আসনের জনগণ নির্ধারণ করবেন কে হচ্ছেন এমপি।

এর আগে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় বিভিন্ন স্থানে মধ্যরাতেও গণসংযোগ করেন প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা। প্রার্থী ও তাদের কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন।এসময় তারা এলাকার নীজ নীজ প্রতীকের জন্যে ভোট চান।

এই আসনে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকার কারণে রাজনৈতিক দৃশ্যপট অনেকটাই বদলে গেছে।মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে এই আসনের সাবেক তিন বারের এমপি ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের সাথে কক্সবাজার শহর জামায়াত ইসলামীর আমীর অপেক্ষাকৃত কমবয়সী আব্দুল্লাহ আল ফারুকের সাথে।এমনটি ধারণা করছেন এই আসনের ভোটারেরা।এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা ছরওয়ার আলম কুতুবী হাতপাখা প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিলেও মাঠে তার তৎপরতা নেই বললে চলে।

চকরিয়া-পেকুয়া নিয়ে গঠিত কক্সবাজার ১ আসনে ২৫ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা রয়েছে।
যার ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৮৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৮৪ হাজার ৪৬৯ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৪৮ হাজার ৬২০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন ভোটার ও রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন বিএনপি-জামায়াত ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট করেছিল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে। এইবার আওয়ামী লীগ নির্বাচনে নেই।তাই এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভোট সংখ্যালঘু ভোটার,নারী ও তরুণদের ভোট জয়-পরাজয়ের মূল চাবিকাঠি হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এই আসন থেকে তিনবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।পরে সালাউদ্দিন আহমদের স্ত্রী হাসিনা আহমদও একবার এমপি নির্বাচিত হয়।

অন্যদিকে,তরুণ রাজনীতিবিদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক বড় শোডাউনের চেয়ে তৃণমূলভিত্তিক সংযোগ ও নীরব ভোটব্যাংকের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। দীর্ঘদিনের সুসংগঠিত সাংগঠনিক কাঠামো, ধর্মীয় ও সামাজিক নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে তিনি ভোটের মাঠে শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, জামায়াতের ভোটাররা প্রকাশ্যে খুব বেশি সরব না হলেও ভোটের দিন তাদের উপস্থিতি এবং নীরব ভোট বিপ্লব নির্বাচনের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

এবার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশে অভিজ্ঞ সালাহউদ্দিন আহমদের জনপ্রিয়তা নাকি আব্দুল্লাহ আল ফারুকের সাংগঠনিক শক্তির জয় হবে, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী।

ট্যাগ :

চকরিয়া-পেকুয়া : অভিজ্ঞের সাথে নতুনের লড়াই

আপডেট সময় : ১২:১৪:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজার-১ চকরিয়া-পেকুয়া আসনে শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রচারণার সময়।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় নির্বাচনি প্রচারণার সময় শেষ হয়।

বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি এ সংসদীয় আসনের জনগণ নির্ধারণ করবেন কে হচ্ছেন এমপি।

এর আগে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় বিভিন্ন স্থানে মধ্যরাতেও গণসংযোগ করেন প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা। প্রার্থী ও তাদের কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন।এসময় তারা এলাকার নীজ নীজ প্রতীকের জন্যে ভোট চান।

এই আসনে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকার কারণে রাজনৈতিক দৃশ্যপট অনেকটাই বদলে গেছে।মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে এই আসনের সাবেক তিন বারের এমপি ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের সাথে কক্সবাজার শহর জামায়াত ইসলামীর আমীর অপেক্ষাকৃত কমবয়সী আব্দুল্লাহ আল ফারুকের সাথে।এমনটি ধারণা করছেন এই আসনের ভোটারেরা।এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা ছরওয়ার আলম কুতুবী হাতপাখা প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিলেও মাঠে তার তৎপরতা নেই বললে চলে।

চকরিয়া-পেকুয়া নিয়ে গঠিত কক্সবাজার ১ আসনে ২৫ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা রয়েছে।
যার ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৮৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৮৪ হাজার ৪৬৯ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৪৮ হাজার ৬২০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন ভোটার ও রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন বিএনপি-জামায়াত ঐক্যবদ্ধভাবে ভোট করেছিল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে। এইবার আওয়ামী লীগ নির্বাচনে নেই।তাই এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভোট সংখ্যালঘু ভোটার,নারী ও তরুণদের ভোট জয়-পরাজয়ের মূল চাবিকাঠি হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এই আসন থেকে তিনবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।পরে সালাউদ্দিন আহমদের স্ত্রী হাসিনা আহমদও একবার এমপি নির্বাচিত হয়।

অন্যদিকে,তরুণ রাজনীতিবিদ আব্দুল্লাহ আল ফারুক বড় শোডাউনের চেয়ে তৃণমূলভিত্তিক সংযোগ ও নীরব ভোটব্যাংকের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। দীর্ঘদিনের সুসংগঠিত সাংগঠনিক কাঠামো, ধর্মীয় ও সামাজিক নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে তিনি ভোটের মাঠে শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, জামায়াতের ভোটাররা প্রকাশ্যে খুব বেশি সরব না হলেও ভোটের দিন তাদের উপস্থিতি এবং নীরব ভোট বিপ্লব নির্বাচনের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

এবার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশে অভিজ্ঞ সালাহউদ্দিন আহমদের জনপ্রিয়তা নাকি আব্দুল্লাহ আল ফারুকের সাংগঠনিক শক্তির জয় হবে, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী।