ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে ট্রাকের ধাক্কায় শিশু নিহত: বিক্ষুদ্ধ স্থানীয়দের গাড়ী ভাংচুর এমপি কাজলকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন: কলাতলীর অগ্নিকান্ডে আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজ নিলেন মরণোত্তর একুশে পদক পেলেন আইয়ুব বাচ্চু ৫ মামলায় জামিন পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী কলাতলীর অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে ত্রাণ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সচিব: ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন শিল্প-সাহিত্য চর্চার রাজনীতিকীকরণ সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়: প্রধানমন্ত্রী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তি ভারতের সিকিমে জুলাই-আগস্টে হত্যাযজ্ঞের মামলায় সাবেক এমপি বদির জামিন ২৬ দিনে আটবার কেঁপেছে দেশ, বড় দুর্যোগের শঙ্কা? একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কলাতলীর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এমপি লুৎফুর রহমান কাজল নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস নতুন গভর্নরকে স্বাগত জানালেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মীরা বইমেলা শুরু হচ্ছে আজ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের আরেক চমক: এবার পৌরসভা হচ্ছে পেকুয়া

কাজা নামাজ রোজা আদায় করার নিয়ম

কাজা নামাজ আদায়ের সময়ও সাধারণ নামাজের মতোই সুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা পড়তে হবে। কোনো বিশেষ পার্থক্য নেই। নামাজ কাজা হলেও আদায় করতে হবে। যদিও ইচ্ছাকৃত নামাজ কাজা করলে গুনাহগার হতে হয়।

ইসলাম সম্পর্কে উদাসীনতা অথবা না জানার কারণে যেসব নামাজ রোজা করা হয়নি, সেগুলো এখন অবশ্যই কাজা করতে হবে। প্রথমে নামাজ ও রোজার ভিন্ন ভিন্ন হিসাব করুন। এরপর প্রতি ওয়াক্তে দুই পদ্ধতিতে নামাজের কাজা আদায় করতে পারেন।

১. দিনে রাতে (তিনটি হারাম ওয়াক্ত বাদ দিয়ে) যখনই সম্ভব হয় ফজর নামাজ পড়তে থাকুন। কয়েক মাস অথবা দুই এক বছরের মধ্যে ফজর শেষ হলে যোহর পড়তে থাকুন। এভাবে পাঁচ ওয়াক্ত শেষ করুন।

২. আরেকটি পদ্ধতি হলো, যেই ওয়াক্তে সুযোগ হয় ঐ ওয়াক্তের নামাজ কাজা আদায় করুন। যেমন ফজরের সময় ফজর, জোহরের সময় জোহর। এভাবেও করা যেতে পারে।

শীতের মৌসুমে অতীত জীবনের কাজা রোজা আদায় করার জন্য উপযুক্ত সময়। প্ল্যান করে ধীরে ধীরে অতীতের নামাজ ও রোজাগুলো কাজা আদায় করে শেষ করুন।

কাজা রোজার বিধান

যে ব্যক্তি কোনো বৈধ বা অবৈধ কারণে রোজা রাখতে পারেনি, তাকে সেই রোজার কাজা করতে হবে। ১. নিয়ত: ফজরের আগে রোজা রাখার নিয়ত করতে হবে। মনে মনে এই নিয়ত করা যথেষ্ট। যেমন, ‘আমি আগামীকাল কাজা রোজা রাখছি।’ ২. সাধারণ রোজার মতো: কাজা রোজার সময়েও সাধারণ রোজার নিয়মগুলো পালন করতে হবে। সুবহে সাদিক (ভোর) থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও সকল ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।

তাড়াহুড়া নয়, যেকোনো কারণে কাজা হয়ে গেলে, তা দ্রুত আদায় করা উত্তম, তবে এটি সময় নিয়ে ধীরে ধীরে করাও বৈধ। বেশি নামাজের কাজা: একাধিক নামাজ কাজা হলে, প্রথমে সেগুলির হিসাব ধরে নামাজ আদায় করতে হবে।

কাজা না করে মৃত্যুবরণ

যদি কেউ কাজা নামাজ বা রোজা রেখে মৃত্যুবরণ করে, তবে তার পরিবার বা উত্তরাধিকারীরা দান-সদকা করে তার পাপমুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে পারে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে ট্রাকের ধাক্কায় শিশু নিহত: বিক্ষুদ্ধ স্থানীয়দের গাড়ী ভাংচুর

This will close in 6 seconds

কাজা নামাজ রোজা আদায় করার নিয়ম

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কাজা নামাজ আদায়ের সময়ও সাধারণ নামাজের মতোই সুরা ফাতিহা ও অন্য একটি সুরা পড়তে হবে। কোনো বিশেষ পার্থক্য নেই। নামাজ কাজা হলেও আদায় করতে হবে। যদিও ইচ্ছাকৃত নামাজ কাজা করলে গুনাহগার হতে হয়।

ইসলাম সম্পর্কে উদাসীনতা অথবা না জানার কারণে যেসব নামাজ রোজা করা হয়নি, সেগুলো এখন অবশ্যই কাজা করতে হবে। প্রথমে নামাজ ও রোজার ভিন্ন ভিন্ন হিসাব করুন। এরপর প্রতি ওয়াক্তে দুই পদ্ধতিতে নামাজের কাজা আদায় করতে পারেন।

১. দিনে রাতে (তিনটি হারাম ওয়াক্ত বাদ দিয়ে) যখনই সম্ভব হয় ফজর নামাজ পড়তে থাকুন। কয়েক মাস অথবা দুই এক বছরের মধ্যে ফজর শেষ হলে যোহর পড়তে থাকুন। এভাবে পাঁচ ওয়াক্ত শেষ করুন।

২. আরেকটি পদ্ধতি হলো, যেই ওয়াক্তে সুযোগ হয় ঐ ওয়াক্তের নামাজ কাজা আদায় করুন। যেমন ফজরের সময় ফজর, জোহরের সময় জোহর। এভাবেও করা যেতে পারে।

শীতের মৌসুমে অতীত জীবনের কাজা রোজা আদায় করার জন্য উপযুক্ত সময়। প্ল্যান করে ধীরে ধীরে অতীতের নামাজ ও রোজাগুলো কাজা আদায় করে শেষ করুন।

কাজা রোজার বিধান

যে ব্যক্তি কোনো বৈধ বা অবৈধ কারণে রোজা রাখতে পারেনি, তাকে সেই রোজার কাজা করতে হবে। ১. নিয়ত: ফজরের আগে রোজা রাখার নিয়ত করতে হবে। মনে মনে এই নিয়ত করা যথেষ্ট। যেমন, ‘আমি আগামীকাল কাজা রোজা রাখছি।’ ২. সাধারণ রোজার মতো: কাজা রোজার সময়েও সাধারণ রোজার নিয়মগুলো পালন করতে হবে। সুবহে সাদিক (ভোর) থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও সকল ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে।

তাড়াহুড়া নয়, যেকোনো কারণে কাজা হয়ে গেলে, তা দ্রুত আদায় করা উত্তম, তবে এটি সময় নিয়ে ধীরে ধীরে করাও বৈধ। বেশি নামাজের কাজা: একাধিক নামাজ কাজা হলে, প্রথমে সেগুলির হিসাব ধরে নামাজ আদায় করতে হবে।

কাজা না করে মৃত্যুবরণ

যদি কেউ কাজা নামাজ বা রোজা রেখে মৃত্যুবরণ করে, তবে তার পরিবার বা উত্তরাধিকারীরা দান-সদকা করে তার পাপমুক্তির জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে পারে।