ঢাকা ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গর্জনিয়ায় মোটরসাইকেল চালক সমিতির ইফতার মাহফিল চকরিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণ : উড়ে গেল কাঠুরিয়ার পা ভিন্ন আবহে আরেকটি ৭ মার্চ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন কক্সবাজারের আহবায়ক কমিটি গঠিত – আহবায়ক: মোজাম্মেল হক, সদস্য সচিব: আরোজ ফারুক ‘আমার মত অনেক মেয়ে আপেল মাহমুদের কাছে নির্যাতিত’ -লাইলা পরী পেকুয়ায় মা–মেয়ের এক মাসের কারাদণ্ডের অন্তরালে “নব্য জাহেলিয়াত থেকে মুক্তির জন্য ইসলামী অনুশাসনের বিকল্প নেই – আনোয়ারী সিবিআইইউতে বিবিএ ডিপার্টমেন্টের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা বেঁধে দিল বিপিসি রামুতে সরঞ্জাম ও জাল টাকাসহ যুবক আটক সাগরপাড়ে প্রশান্তির ইফতার রত্নগর্ভা রিজিয়া আহমেদ স্মরণে ফেইম ফাউন্ডেশনের ইফতার ও ঈদসামগ্রী বিতরণ ইফতারে দই-চিড়া কেন খাবেন? আরকান আর্মির হাতে আটক তিন বাংলাদেশিকে ফেরত আনল বিজিবি

কক্সবাজারে কেউ মানছে না নিষেধাজ্ঞা, পটকার শব্দে কম্পিত সৈকত

  • নোমান অরুপ
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 1172

ইংরেজি নতুন বছর উদযাপন উপলক্ষে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো নিষিদ্ধ করেছিল সরকার। তবে সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন এলাকায় চলছে পটকা ফোটানোর উৎসব।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে পুরো বিচ জুড়ে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো শুরু করে পর্যটকরা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর মাত্রা আরও বাড়তে থাকে। রাত ১২টা বাজতে না বাজতেই সৈকত জুড়ে বিরামহীন পটকার শব্দে যেন কম্পিত হয়ে ওঠে পরিবেশ।

সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা, লাবণী রাত ১১টা থেকেই আতশবাজি ও পটকার আওয়াজ শুরু হয়। ১২ বাজতেই বিকট শব্দে চারপাশ প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।

এসব এলাকায় নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে উল্লাস শুরু করে। আতশবাজির ঝলকানিতে চারপাশ আলোকিত হয়ে ওঠে। এসব দৃশ্য ফোনে ধারণ করেছিলেন অনেকে।

ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো এবং ফানুস ওড়ানো বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থা থেকে দফায় দফায় নিষেধ করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। সারাদেশে উন্মুক্ত স্থান, পার্কে আতশবাজি, পটকা ফোটানো বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, আতশবাজি ও পটকা ফোটানো নিষিদ্ধ থাকলেও সেগুলোর প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রশাসনের কোনও তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। পুলিশের টহলও তেমন দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন শহরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ। ফলে নির্বিচারে এলাকাগুলোতে পটকা ও আতশবাজি ফোটানো হচ্ছে।

এদিকে সাধারণ মানুষ এই অতিরিক্ত শব্দের কারণে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং অসুস্থ ব্যক্তিরা এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

পর্যটকরা জানান,  এ পর্যন্ত অনেকে আতশবাজি ও শ খানেক পটকার আওয়াজ পেয়েছি। স্থির হয়ে বসা যাচ্ছে না। ১২টা বাজলে এটা আরও বেড়েছে।

সাধারণ মানুষের অভিযোগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি আরও জোরদার করা উচিত ছিল।

ট্যাগ :
আপলোডকারীর তথ্য

Mohammad Noman

মোহাম্মেদ নোমান কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার একজন তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল সাংবাদিক। তিনি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টিটিএন কক্সবাজার এর মাধ্যমে সাংবাদিকতায় যুক্ত হয়ে মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে প্রতিবেদন করে পরিচিতি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি দেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভি অনলাইন এর টেকনাফ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাংবাদিকতার মাধ্যমে সীমান্তাঞ্চল টেকনাফের জনজীবন, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও মানবিক বিষয়গুলো জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। সততা, দায়িত্ববোধ ও মাঠভিত্তিক অনুসন্ধানী কাজের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকতায় একটি সম্ভাবনাময় নাম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পথে এগিয়ে চলেছেন।

গর্জনিয়ায় মোটরসাইকেল চালক সমিতির ইফতার মাহফিল

কক্সবাজারে কেউ মানছে না নিষেধাজ্ঞা, পটকার শব্দে কম্পিত সৈকত

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

ইংরেজি নতুন বছর উদযাপন উপলক্ষে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো নিষিদ্ধ করেছিল সরকার। তবে সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন এলাকায় চলছে পটকা ফোটানোর উৎসব।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে পুরো বিচ জুড়ে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো শুরু করে পর্যটকরা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর মাত্রা আরও বাড়তে থাকে। রাত ১২টা বাজতে না বাজতেই সৈকত জুড়ে বিরামহীন পটকার শব্দে যেন কম্পিত হয়ে ওঠে পরিবেশ।

সৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা, লাবণী রাত ১১টা থেকেই আতশবাজি ও পটকার আওয়াজ শুরু হয়। ১২ বাজতেই বিকট শব্দে চারপাশ প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।

এসব এলাকায় নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে উল্লাস শুরু করে। আতশবাজির ঝলকানিতে চারপাশ আলোকিত হয়ে ওঠে। এসব দৃশ্য ফোনে ধারণ করেছিলেন অনেকে।

ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো এবং ফানুস ওড়ানো বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থা থেকে দফায় দফায় নিষেধ করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। সারাদেশে উন্মুক্ত স্থান, পার্কে আতশবাজি, পটকা ফোটানো বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, আতশবাজি ও পটকা ফোটানো নিষিদ্ধ থাকলেও সেগুলোর প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রশাসনের কোনও তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। পুলিশের টহলও তেমন দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন শহরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ। ফলে নির্বিচারে এলাকাগুলোতে পটকা ও আতশবাজি ফোটানো হচ্ছে।

এদিকে সাধারণ মানুষ এই অতিরিক্ত শব্দের কারণে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং অসুস্থ ব্যক্তিরা এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

পর্যটকরা জানান,  এ পর্যন্ত অনেকে আতশবাজি ও শ খানেক পটকার আওয়াজ পেয়েছি। স্থির হয়ে বসা যাচ্ছে না। ১২টা বাজলে এটা আরও বেড়েছে।

সাধারণ মানুষের অভিযোগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি আরও জোরদার করা উচিত ছিল।