ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এক যু/দ্ধের বিনিময়ে আরেক যু/দ্ধের অবসান: বাস্তবতা নাকি কল্পনা? জেলায় হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে রোববার আমেরিকা প্রবাসী আবুল কায়সার ১০ হাজার টাকা পাঠালেন ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত সিদরাতুলকে জুলাই সনদের সাথে গণভোট বাতিল হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই : আইনমন্ত্রী উখিয়ায় গোলাগুলি ও চাঞ্চল্যকর হামলার মূলহোতা বশর গ্রেপ্তার সদর হাসপাতালের হাম ওয়ার্ড পরিদর্শনে এমপি কাজল -টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন নয়,কাযর্ক্রম শুরুর নির্দেশনা খরুলিয়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরল দুই প্রাণ, সংকটাপন্ন আরেকজন রবিবার থেকে মহেশখালী ও রামু উপজেলায় দেয়া হবে হামের টিকা ঈদগাঁওয়ে হকার অপহরণ, ১ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড় ও শিলাবৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপপ্রবাহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালে হাম আতঙ্ক: শিশু ওয়ার্ডেই বাড়ছে সংক্রমণের ঝুঁকি, ৪ শিশুর মৃত্যু ১৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারাল ৯৪ শিশু বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক আজ ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত সিদরাতুলের জন্য ২০ হাজার টাকা পাঠালেন আমেরিকা প্রবাসী লেবু চৌধুরী

উপকূল এবং সাগরে প্লাস্টিক দূষণরোধে মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কক্সবাজারের নাজিরারটেকে প্রান্তিক মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্য ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপকূল এবং সাগরে প্লাস্টিক দূষণরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করা হয়। শনিবার ৮ ফেব্রুয়ারি মৎস্যজীবীদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত প্লাস্টিকজাত বা প্যাকেটজাত পন্য কিভাবে সাগর ও পরিবেশের সাথে মিশে যাচ্ছে এবং অদূর ভবিষ্যতে এর পরিণাম কি হতে পারে সে বিষয়ে সচেতন করার লক্ষ্যে কর্মসূচিটির আয়োজন করে GenLab। এতে অংশগ্রহণ করে প্রায় ৫০ টি মৎস্যজীবী পরিবার, ২৫ জন স্কুল শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় মৎস্যজীবী, মৎস্যজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ। উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও মৎস্যজীবী পরিবারের নারী সদস্যগণ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে মাধ্যমে প্রায় ৮০ কেজি প্লাস্টিকজাত বর্জ্য সংগ্রহ করেন।

প্রধান অতিথি সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব সুজিত রায় তার বক্তব্যে বলেন, সাগরে প্লাস্টিকদূষণ বৃদ্ধির কারণে মাছের উৎপাদন আশংকাজনকহারে কমে যাবে। তাছাড়া মাইক্রোপ্লাস্টিক মাছের দেহে প্রবেশ করে পরবর্তীতে মানুষের শরীরে প্রবেশের মাধ্যমে ক্যান্সারসহ মরণঘাতী রোগ সৃষ্টি করবে। তাই প্লাস্টিক ব্যবহার এবং প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সকলকে সচেতন হতে হবে।

মৎস্যজীবী লিডার জনাব আবুল কাশেম বলেন, আমরা মৎস্যজীবীরা যেসব প্লাস্টিকজাত খাবার বা পানীয় নিয়ে সাগরে যাই সেগুলোর প্যাকেট সাগরে না ফেলে কূলে নিয়ে এসে বর্জ্য ফেলার স্থানে ফেলব। এছাড়া বাড়িতে ব্যবহৃত বর্জ্যও যেখানে সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলব।
কর্মসূচির শেষে মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্য, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য সকলে জলবায়ুর পরিবর্তন ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ করার লক্ষ্যে জলবায়ু শপথ পাঠ করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

এক যু/দ্ধের বিনিময়ে আরেক যু/দ্ধের অবসান: বাস্তবতা নাকি কল্পনা?

উপকূল এবং সাগরে প্লাস্টিক দূষণরোধে মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কক্সবাজারের নাজিরারটেকে প্রান্তিক মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্য ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপকূল এবং সাগরে প্লাস্টিক দূষণরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করা হয়। শনিবার ৮ ফেব্রুয়ারি মৎস্যজীবীদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত প্লাস্টিকজাত বা প্যাকেটজাত পন্য কিভাবে সাগর ও পরিবেশের সাথে মিশে যাচ্ছে এবং অদূর ভবিষ্যতে এর পরিণাম কি হতে পারে সে বিষয়ে সচেতন করার লক্ষ্যে কর্মসূচিটির আয়োজন করে GenLab। এতে অংশগ্রহণ করে প্রায় ৫০ টি মৎস্যজীবী পরিবার, ২৫ জন স্কুল শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় মৎস্যজীবী, মৎস্যজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ। উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও মৎস্যজীবী পরিবারের নারী সদস্যগণ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে মাধ্যমে প্রায় ৮০ কেজি প্লাস্টিকজাত বর্জ্য সংগ্রহ করেন।

প্রধান অতিথি সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব সুজিত রায় তার বক্তব্যে বলেন, সাগরে প্লাস্টিকদূষণ বৃদ্ধির কারণে মাছের উৎপাদন আশংকাজনকহারে কমে যাবে। তাছাড়া মাইক্রোপ্লাস্টিক মাছের দেহে প্রবেশ করে পরবর্তীতে মানুষের শরীরে প্রবেশের মাধ্যমে ক্যান্সারসহ মরণঘাতী রোগ সৃষ্টি করবে। তাই প্লাস্টিক ব্যবহার এবং প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সকলকে সচেতন হতে হবে।

মৎস্যজীবী লিডার জনাব আবুল কাশেম বলেন, আমরা মৎস্যজীবীরা যেসব প্লাস্টিকজাত খাবার বা পানীয় নিয়ে সাগরে যাই সেগুলোর প্যাকেট সাগরে না ফেলে কূলে নিয়ে এসে বর্জ্য ফেলার স্থানে ফেলব। এছাড়া বাড়িতে ব্যবহৃত বর্জ্যও যেখানে সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলব।
কর্মসূচির শেষে মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্য, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য সকলে জলবায়ুর পরিবর্তন ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ করার লক্ষ্যে জলবায়ু শপথ পাঠ করেন।