ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাইক্ষ্যংছড়িতে ভুল প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা, তদন্তে মিলল অভিযোগের সত্যতা দেশে ফিরতে শেখ হাসিনার কোনো আইনি বাধা নেই : চিফ প্রসিকিউটর শুধু সুন্দর ফুটবলই নয়, প্রয়োজনে কুৎসিত ফুটবলও খেলতে পারি: এমবাপ্পে সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ এবার ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনিজুয়েলার পাশে দাঁড়ালেন মেসি জাতিসংঘ পুলিশ সম্মেলনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পেকুয়ায় টমটমের ধাক্কায় প্রাণ গেলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একনিষ্ঠ ভক্ত মোহাম্মদ হোসেনের নতুন কর্মপরিকল্পনা: টেকনাফকে অপরাধ মুক্ত করতে বার্তা এমপি শাহজাহান চৌধুরীর চকরিয়ায় মিনি ট্রাকে ১৯ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক চালক; জব্দ গাড়ি নজরুল দিবস উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ সম্পন্ন বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের জন্য বিএনপি’ই দায়ী – এহসানুল মাহবুব জুবায়ের চীনের করিডোর প্রস্তাবে ইতিবাচক সরকার: হুমায়ুন কবির টেকনাফ পৌর বিএনপির ৩১ সদস্যের কমিটি ঘোষনা, আহবায়ক রাজ্জাক- সদস্য সচিব এনামুল কক্সবাজারে কিশোর সুকান্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হাসেম গ্রেফতার নরওয়ের বিপক্ষে রাফিনিয়াকে পাচ্ছে ব্রাজিল?

উপকূল এবং সাগরে প্লাস্টিক দূষণরোধে মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কক্সবাজারের নাজিরারটেকে প্রান্তিক মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্য ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপকূল এবং সাগরে প্লাস্টিক দূষণরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করা হয়। শনিবার ৮ ফেব্রুয়ারি মৎস্যজীবীদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত প্লাস্টিকজাত বা প্যাকেটজাত পন্য কিভাবে সাগর ও পরিবেশের সাথে মিশে যাচ্ছে এবং অদূর ভবিষ্যতে এর পরিণাম কি হতে পারে সে বিষয়ে সচেতন করার লক্ষ্যে কর্মসূচিটির আয়োজন করে GenLab। এতে অংশগ্রহণ করে প্রায় ৫০ টি মৎস্যজীবী পরিবার, ২৫ জন স্কুল শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় মৎস্যজীবী, মৎস্যজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ। উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও মৎস্যজীবী পরিবারের নারী সদস্যগণ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে মাধ্যমে প্রায় ৮০ কেজি প্লাস্টিকজাত বর্জ্য সংগ্রহ করেন।

প্রধান অতিথি সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব সুজিত রায় তার বক্তব্যে বলেন, সাগরে প্লাস্টিকদূষণ বৃদ্ধির কারণে মাছের উৎপাদন আশংকাজনকহারে কমে যাবে। তাছাড়া মাইক্রোপ্লাস্টিক মাছের দেহে প্রবেশ করে পরবর্তীতে মানুষের শরীরে প্রবেশের মাধ্যমে ক্যান্সারসহ মরণঘাতী রোগ সৃষ্টি করবে। তাই প্লাস্টিক ব্যবহার এবং প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সকলকে সচেতন হতে হবে।

মৎস্যজীবী লিডার জনাব আবুল কাশেম বলেন, আমরা মৎস্যজীবীরা যেসব প্লাস্টিকজাত খাবার বা পানীয় নিয়ে সাগরে যাই সেগুলোর প্যাকেট সাগরে না ফেলে কূলে নিয়ে এসে বর্জ্য ফেলার স্থানে ফেলব। এছাড়া বাড়িতে ব্যবহৃত বর্জ্যও যেখানে সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলব।
কর্মসূচির শেষে মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্য, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য সকলে জলবায়ুর পরিবর্তন ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ করার লক্ষ্যে জলবায়ু শপথ পাঠ করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাইক্ষ্যংছড়িতে ভুল প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা, তদন্তে মিলল অভিযোগের সত্যতা

উপকূল এবং সাগরে প্লাস্টিক দূষণরোধে মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কক্সবাজারের নাজিরারটেকে প্রান্তিক মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্য ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপকূল এবং সাগরে প্লাস্টিক দূষণরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আয়োজন করা হয়। শনিবার ৮ ফেব্রুয়ারি মৎস্যজীবীদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত প্লাস্টিকজাত বা প্যাকেটজাত পন্য কিভাবে সাগর ও পরিবেশের সাথে মিশে যাচ্ছে এবং অদূর ভবিষ্যতে এর পরিণাম কি হতে পারে সে বিষয়ে সচেতন করার লক্ষ্যে কর্মসূচিটির আয়োজন করে GenLab। এতে অংশগ্রহণ করে প্রায় ৫০ টি মৎস্যজীবী পরিবার, ২৫ জন স্কুল শিক্ষার্থী সহ স্থানীয় মৎস্যজীবী, মৎস্যজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ। উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও মৎস্যজীবী পরিবারের নারী সদস্যগণ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে মাধ্যমে প্রায় ৮০ কেজি প্লাস্টিকজাত বর্জ্য সংগ্রহ করেন।

প্রধান অতিথি সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জনাব সুজিত রায় তার বক্তব্যে বলেন, সাগরে প্লাস্টিকদূষণ বৃদ্ধির কারণে মাছের উৎপাদন আশংকাজনকহারে কমে যাবে। তাছাড়া মাইক্রোপ্লাস্টিক মাছের দেহে প্রবেশ করে পরবর্তীতে মানুষের শরীরে প্রবেশের মাধ্যমে ক্যান্সারসহ মরণঘাতী রোগ সৃষ্টি করবে। তাই প্লাস্টিক ব্যবহার এবং প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সকলকে সচেতন হতে হবে।

মৎস্যজীবী লিডার জনাব আবুল কাশেম বলেন, আমরা মৎস্যজীবীরা যেসব প্লাস্টিকজাত খাবার বা পানীয় নিয়ে সাগরে যাই সেগুলোর প্যাকেট সাগরে না ফেলে কূলে নিয়ে এসে বর্জ্য ফেলার স্থানে ফেলব। এছাড়া বাড়িতে ব্যবহৃত বর্জ্যও যেখানে সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলব।
কর্মসূচির শেষে মৎস্যজীবী পরিবারের সদস্য, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য সকলে জলবায়ুর পরিবর্তন ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ করার লক্ষ্যে জলবায়ু শপথ পাঠ করেন।