ঢাকা ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামুতে এনসিপির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত উখিয়া রাইজিং স্টার সোসাইটির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আপেল মাহমুদের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় আমাকে ১০০ কোটি টাকা খরচ করে হত্যার পরিকল্পনা ফাঁস-জাবেদ ইকবাল ইফতার আয়োজন কক্সবাজার জেলা বিএনপির উখিয়ায় ৩ লক্ষ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার ​ মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার মহেশখালীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধ: প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন একজনের মৃত্যু চকরিয়ায় মসজিদের পুকুরে ডুবে শ্রমিকের মৃত্যু উখিয়ায় গৃহবধূ হত্যা: যুবকের দায় স্বীকার মুক্তিযোদ্ধাদের দেখানো পথেই এগিয়ে যাবে গণতান্ত্রিক দেশ কক্সবাজারে পেট্রোল সংকট, স্পিডবোট, পর্যটন, মৎস্য ও পরিবহন খাত নিয়ে শঙ্কা লামায় কাঠ বোঝাই ট্রাক খাদে: নিহত ২ মেরিন ড্রাইভে কারের ধাক্কায় পথচারী নিহত মির্জা আব্বাসের জন্য দোয়া চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উখিয়ার আলোচিত কামাল মেম্বার হত্যা কান্ড: ৮ আসামি কারাগারে

কক্সবাজারের ​ উখিয়ার জালিয়া পালং ইউনিয়নের চাঞ্চল্যকর ইউপি সদস্য কামাল হোসেন হত্যা মামলার আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৪ জানুয়ারী) কক্সবাজারের বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আবদুর রহিম শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

​আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার এজাহারভুক্ত ৮ আসামি আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ বিচারক তা নাকচ করে দেন এবং তাদের সরাসরি কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

​মামলার বাদী এবং নিহতের ভাই সাহাব উদ্দিন আদালতের এই আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমার ভাইকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় আছি। আজ আদালত আসামিদের জামিন না দিয়ে জেলে পাঠানোর যে আদেশ দিয়েছেন, তাতে আমরা আইনের শাসনের প্রতি আরও শ্রদ্ধাশীল হয়েছি। আমরা চাই এই খুনিদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হয়।’

​উল্লেখ্য, উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামাল হোসেনের লাশ গত বছরের ৮ জুলাই জালিয়া পালংয়ের মনখালী তাঁর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়, এর আগেরদিন রাতে তিনি ফার্মেসিতে ঔষুধের জন্য গেলে রাত ১১ টার পর থেকে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়, পরেরদিন বেলা ১১ টার দিকে তাঁর লাশ ডোবা থেকে পুলিশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় নিহত কামালের ভাই সাহাব উদ্দিন বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৬ জনকে অজ্ঞাত রেখে উখিয়া থানায়
একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এজাহারভুক্ত ওই ৮ জন আসামীরা হলেন – আবদুর রহিম, তোফাইল আহমদ, জুহুর আহমদ চৌধুরী, শরিফুল হক সাগর, জহির আহমদ, নুরুল বশর, মোহাম্মদ রিদোয়ান, শরিফুল হক নাহিদ।

অভিযুক্ত সবাই মনখালী এলাকার বাসিন্দা।

এর আগে আসামিরা হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে এতদিন প্রকাশ্যে চলাফেরা করলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

নিহত কামালের পরিবারের আরও দুই সদস্য অতীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন।

নিহতের কামালের পরিবার সহ স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কার্যকর হবে।

জালিয়া পালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিলেন নিহত কামাল , তাঁর বাবা ছিদ্দিক আহমদও একই ওয়ার্ডে জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেছেন।

কামাল মেম্বারের হত্যাকান্ডের ঘটনায় সারাদেশে নিন্দা-প্রতিবাদের ঝড় উঠে, জানাযায় অংশ নেন হাজারো মানুষ। তিনি উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

ট্যাগ :

রামুতে এনসিপির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

উখিয়ার আলোচিত কামাল মেম্বার হত্যা কান্ড: ৮ আসামি কারাগারে

আপডেট সময় : ০৫:০৪:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের ​ উখিয়ার জালিয়া পালং ইউনিয়নের চাঞ্চল্যকর ইউপি সদস্য কামাল হোসেন হত্যা মামলার আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৪ জানুয়ারী) কক্সবাজারের বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আবদুর রহিম শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

​আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার এজাহারভুক্ত ৮ আসামি আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ বিচারক তা নাকচ করে দেন এবং তাদের সরাসরি কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

​মামলার বাদী এবং নিহতের ভাই সাহাব উদ্দিন আদালতের এই আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমার ভাইকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় আছি। আজ আদালত আসামিদের জামিন না দিয়ে জেলে পাঠানোর যে আদেশ দিয়েছেন, তাতে আমরা আইনের শাসনের প্রতি আরও শ্রদ্ধাশীল হয়েছি। আমরা চাই এই খুনিদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হয়।’

​উল্লেখ্য, উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামাল হোসেনের লাশ গত বছরের ৮ জুলাই জালিয়া পালংয়ের মনখালী তাঁর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়, এর আগেরদিন রাতে তিনি ফার্মেসিতে ঔষুধের জন্য গেলে রাত ১১ টার পর থেকে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়, পরেরদিন বেলা ১১ টার দিকে তাঁর লাশ ডোবা থেকে পুলিশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় নিহত কামালের ভাই সাহাব উদ্দিন বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৬ জনকে অজ্ঞাত রেখে উখিয়া থানায়
একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এজাহারভুক্ত ওই ৮ জন আসামীরা হলেন – আবদুর রহিম, তোফাইল আহমদ, জুহুর আহমদ চৌধুরী, শরিফুল হক সাগর, জহির আহমদ, নুরুল বশর, মোহাম্মদ রিদোয়ান, শরিফুল হক নাহিদ।

অভিযুক্ত সবাই মনখালী এলাকার বাসিন্দা।

এর আগে আসামিরা হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে এতদিন প্রকাশ্যে চলাফেরা করলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

নিহত কামালের পরিবারের আরও দুই সদস্য অতীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন।

নিহতের কামালের পরিবার সহ স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কার্যকর হবে।

জালিয়া পালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিলেন নিহত কামাল , তাঁর বাবা ছিদ্দিক আহমদও একই ওয়ার্ডে জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেছেন।

কামাল মেম্বারের হত্যাকান্ডের ঘটনায় সারাদেশে নিন্দা-প্রতিবাদের ঝড় উঠে, জানাযায় অংশ নেন হাজারো মানুষ। তিনি উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।