ঢাকা ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বেনজীর আহমদকে দেশে ফেরানো হবে কোন প্রক্রিয়ায়? ইসলামী ব্যাংকের পুরো বোর্ড ভেঙে দিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার নাম করে আনছিলো ইয়াবা : আটক  যুবদল নেতা, দল থেকে বহিস্কার কক্সবাজারে দুইশ কিলোমিটার ড্রাইভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ১৫ বছর পরও স্মৃতিতে অমলিন নেতা শাহ আলম সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবান্ধব শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে- এমপি কাজল সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার আত্মসমর্পণ করতে আদালতে আসছেন এমপি আমির হামজা একই পরিবারের ৪ সদস্যের আত্মহত্যা ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার নিজ বাড়ি থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার নজরুল বর্ষ ঘিরে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান হবে ৬৪ জেলায়: সংস্কৃতিমন্ত্রী দুর্ভিক্ষপীড়িত রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন জিয়াউর রহমান: মির্জা ফখরুল ‘এগিয়ে চলো ব্রাজিল’, সতীর্থদের প্রতি নেইমার বিশ্বকাপ জিততে এসেছি, ব্যক্তিগত পুরস্কার নয়: ভিনিসিয়ুস

ইউনুসের হত্যাকারীদের শাস্তি দাবী, মামলার প্রস্তুতি: জানাজা সম্পন্ন

  • নোমান অরুপ
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • 476

টেকনাফ উপজেলা আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. ইউনুস সিকদারের জানাযায় নেমেছিলো শোকার্ত মানুষের ঢল।

বৃহস্পতিবার ( ৬ নভেম্বর ) বাদ আছর টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি,জামায়াত ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

জানাযায় দেয়া বক্তব্যে জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, হত্যাকারি চিহ্নিত। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।

এসময় জেলা জামায়াতের আমীর ও উখিয়া-টেকনাফ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা নুর আহমেদ আনোয়ারী বলন, দলমত নির্বিশেষে হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে এবং হত্যাকারী যেই দ্রুত আইনের আওতায় আনতে।

জেলা বিএনপির সভাপতি ও উখিয়া-টেকনাফ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শাহাজাহান চৌধুরী হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।

জানাজা শেষে টেকনাফ পৌরসভার কুলাল পাড়া কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

এ ঘটনায় এ পর্যন্ত মামলা দায়ের করা হয়নি। তবে দাফন শেষে মামলার বিষয়ে পরিবার সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানিয়েছেন নিহত ইউনুস সিকদারের পুত্র মোহাম্মদ ফারদিন।

এদিকে কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস গণমাধ্যম কে বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কেউ মামলা করেনি। তবে পুলিশী তদন্ত চলছে। পরিবার মামলা করলে তদন্ত আরো গতি পাবে। যদি পরিবার মামলা না করলেও পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে।

গত ৪ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে টেকনাফের সাবরাং এলাকার নিজ বাসা থেকে একই সংগঠন টেকনাফ উপজেলা আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের সাধারণ সম্পাদক মো. আলমের ফোনকলে রঙ্গিখালীর উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যান ইউনুস সিকদার। পরদিন (৫ নভেম্বর) সকালে রঙ্গিখালী এলাকার একটি ব্রিজের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ইউনুস সিকদার সাবরাং চান্দলী পাড়ার মৃত হাজী মো. কাসেমের পুত্র।

নিহত ইউনুস সিকদারের পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় আলম কে দায়ী করা হয়েছে।

নিহত ইউনুস সিকদার ও মো. আলমের মধ্যে কিছুদিন ধরে লেনদেনজনিত কারণে বিরোধ চলছে এমনটাই দাবী স্থানীয় একটি সূত্রের। সূত্র টি দাবী করছে ইয়াবা সংক্রান্ত লেনদেনের কারনেই এ হত্যাকান্ড। তবে এ নিয়ে কোনো তথ্য প্রমান দেখাতে পারেনি সূত্রটি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইউনুসের হত্যাকারীদের শাস্তি দাবী, মামলার প্রস্তুতি: জানাজা সম্পন্ন

আপডেট সময় : ০১:০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

টেকনাফ উপজেলা আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. ইউনুস সিকদারের জানাযায় নেমেছিলো শোকার্ত মানুষের ঢল।

বৃহস্পতিবার ( ৬ নভেম্বর ) বাদ আছর টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি,জামায়াত ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

জানাযায় দেয়া বক্তব্যে জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, হত্যাকারি চিহ্নিত। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।

এসময় জেলা জামায়াতের আমীর ও উখিয়া-টেকনাফ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা নুর আহমেদ আনোয়ারী বলন, দলমত নির্বিশেষে হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে এবং হত্যাকারী যেই দ্রুত আইনের আওতায় আনতে।

জেলা বিএনপির সভাপতি ও উখিয়া-টেকনাফ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শাহাজাহান চৌধুরী হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।

জানাজা শেষে টেকনাফ পৌরসভার কুলাল পাড়া কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

এ ঘটনায় এ পর্যন্ত মামলা দায়ের করা হয়নি। তবে দাফন শেষে মামলার বিষয়ে পরিবার সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানিয়েছেন নিহত ইউনুস সিকদারের পুত্র মোহাম্মদ ফারদিন।

এদিকে কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস গণমাধ্যম কে বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কেউ মামলা করেনি। তবে পুলিশী তদন্ত চলছে। পরিবার মামলা করলে তদন্ত আরো গতি পাবে। যদি পরিবার মামলা না করলেও পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে।

গত ৪ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে টেকনাফের সাবরাং এলাকার নিজ বাসা থেকে একই সংগঠন টেকনাফ উপজেলা আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের সাধারণ সম্পাদক মো. আলমের ফোনকলে রঙ্গিখালীর উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যান ইউনুস সিকদার। পরদিন (৫ নভেম্বর) সকালে রঙ্গিখালী এলাকার একটি ব্রিজের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ইউনুস সিকদার সাবরাং চান্দলী পাড়ার মৃত হাজী মো. কাসেমের পুত্র।

নিহত ইউনুস সিকদারের পরিবারের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় আলম কে দায়ী করা হয়েছে।

নিহত ইউনুস সিকদার ও মো. আলমের মধ্যে কিছুদিন ধরে লেনদেনজনিত কারণে বিরোধ চলছে এমনটাই দাবী স্থানীয় একটি সূত্রের। সূত্র টি দাবী করছে ইয়াবা সংক্রান্ত লেনদেনের কারনেই এ হত্যাকান্ড। তবে এ নিয়ে কোনো তথ্য প্রমান দেখাতে পারেনি সূত্রটি।