ঢাকা ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে হুইল চেয়ার,ট্রলি সরবরাহ এবং দালালের দৌরাত্ম বন্ধের নির্দেশ রমজান মাসের অমূল্য রত্ন রোজাদারের দোয়া মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে? ওপেন হার্ট সার্জারি শেষে ঘরে ফিরলেন অভিনেতা ‘আমাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল’ হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ: জিনিয়া শারমিন রিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ রামুতে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন, দাম্পত্যকলহ নাকি পরকীয়া?  নিজেরসহ পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রকাশ করলেন আসিফ মাহমুদ ‘সুপ্রভাত কক্সবাজার’-এর ইফতার ও শুভেচ্ছা আড্ডা অনুষ্ঠিত পোকখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় ফরিদুল আলম ফরিদ উখিয়ায় অস্ত্রসহ ৫ রোহিঙ্গা ডাকাত আটক ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কলাতলী গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন খেজুর কেন ইফতারে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী?

সি-ট্রাকে নেই ডাস্টবিন: যাত্রীরা যত্রতত্র ফেলছে প্লাস্টিক বর্জ্য

মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে চলাচল করা সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় যাত্রীরা সি–ট্রাকের মধ্যে যত্রতত্র ফেলছে বর্জ্য। এসব বর্জ্য আবার অনেক যাত্রীদের মধ্যে সৃষ্টি করছে অস্বস্তি।

ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, পলিথিন, বাদাম ও সিগারেটের খোসা এসব ময়লা আবর্জনা গিয়ে পড়ছে নদীতে। এতে নদী দুষণ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে বলে আশংকা করছেন পরিবেশবাদীরা।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) মহেশখালী শাখার সদস্য সচিব আবু বক্কর বলেন, প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, সিগারেটের খোসা এসব পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। যা নদীতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী, জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে।

মহেশখালী থেকে কক্সবাজার এবং কক্সবাজার থেকে মহেশখালী সি–ট্রাকে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘন্টা। এই দীর্ঘ সময়ে যাত্রাপথে যাত্রীরা নিজেদের সাথে নেন পানীয় এবং শুকনো খাবার। এসব খাবারের প্যাকেট ও প্লাস্টিকের পানীয় বোতল ফেলার জন্য সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় অনেকে তা ফেলছেন নদীতে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে, বিআইডব্লিউটিএ’র কক্সবাজার নদীবন্দর (কস্তুরাঘাট) শাখার সহকারী পরিচালক মো. খায়রুজ্জামান টিটিএন বলেন, ডাস্টবিন না থাকার বিষয়ে তারা অবগত ছিলেন না, যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা এবং নদী দুষণ রোধে শিগগিরই সি–ট্রাকে ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে।

গত ২৫ এপ্রিল মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে আনুষ্ঠানিকভাবে বিআইডব্লিউটিএ’র সি–ট্রাক সার্ভিস চালু হয়েছে। এই নৌপথে ২৫০ জন যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন সি–ট্রাক প্রতিদিন তিনবার করে যাওয়া-আসা করছে। মহেশখালী দ্বীপের প্রায় সাড়ে চার লক্ষ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য সি–ট্রাক হয়ে উঠেছে ভরসাস্থল।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সি-ট্রাকে নেই ডাস্টবিন: যাত্রীরা যত্রতত্র ফেলছে প্লাস্টিক বর্জ্য

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে চলাচল করা সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় যাত্রীরা সি–ট্রাকের মধ্যে যত্রতত্র ফেলছে বর্জ্য। এসব বর্জ্য আবার অনেক যাত্রীদের মধ্যে সৃষ্টি করছে অস্বস্তি।

ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, পলিথিন, বাদাম ও সিগারেটের খোসা এসব ময়লা আবর্জনা গিয়ে পড়ছে নদীতে। এতে নদী দুষণ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে বলে আশংকা করছেন পরিবেশবাদীরা।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) মহেশখালী শাখার সদস্য সচিব আবু বক্কর বলেন, প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, সিগারেটের খোসা এসব পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। যা নদীতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী, জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হতে পারে।

মহেশখালী থেকে কক্সবাজার এবং কক্সবাজার থেকে মহেশখালী সি–ট্রাকে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘন্টা। এই দীর্ঘ সময়ে যাত্রাপথে যাত্রীরা নিজেদের সাথে নেন পানীয় এবং শুকনো খাবার। এসব খাবারের প্যাকেট ও প্লাস্টিকের পানীয় বোতল ফেলার জন্য সি-ট্রাকে নির্দিষ্ট ডাস্টবিন না থাকায় অনেকে তা ফেলছেন নদীতে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে, বিআইডব্লিউটিএ’র কক্সবাজার নদীবন্দর (কস্তুরাঘাট) শাখার সহকারী পরিচালক মো. খায়রুজ্জামান টিটিএন বলেন, ডাস্টবিন না থাকার বিষয়ে তারা অবগত ছিলেন না, যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা এবং নদী দুষণ রোধে শিগগিরই সি–ট্রাকে ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে।

গত ২৫ এপ্রিল মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটে আনুষ্ঠানিকভাবে বিআইডব্লিউটিএ’র সি–ট্রাক সার্ভিস চালু হয়েছে। এই নৌপথে ২৫০ জন যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন সি–ট্রাক প্রতিদিন তিনবার করে যাওয়া-আসা করছে। মহেশখালী দ্বীপের প্রায় সাড়ে চার লক্ষ মানুষের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য সি–ট্রাক হয়ে উঠেছে ভরসাস্থল।