ঢাকা ০১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের স্বীকৃতি: জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্মে ফিচারড SURGE Bangladesh শহরের কুতুবদিয়া পাড়ার আলোচিত রোজিনাকে আটক করেছে পুলিশ বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি সাবেক বিসিবি সভাপতির টেকনাফে সড়কের দুই পাশে কলেমা লেখা সাদা পতাকা আ’র’কা’ন আ’র্মি প্রধানের বাংলাদেশে চিকিৎসা নেওয়ার খবর কতটুকু সত্য? মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি রোজিনা গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা জামায়াত আমীরের উদ্যোগে মুক্ত হলো হাসপাতাল বিলের জন্য আটকে থাকা রিয়াজের মরদেহ মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ২১ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সবুজ উদ্যোগ -কক্সবাজারে ১ হাজার গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ মহেশখালীতে বাচ্চুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী দুই হত্যা চেষ্টা মামলার পলাতক আসামি অহিদুল গ্রেপ্তার  কক্সবাজার সদর থানায় শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ড, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে আগুন ​”ব্লাড ক্যান্সারে মারা যাওয়া টেকনাফের শিক্ষার্থী রিয়াজের মরদেহ আটকে আছে হাসপাতালে, সাহায্যের আবেদন ইনানী সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে যুবক নিখোঁজ- উদ্ধার অভিযান অব্যাহত

কক্সবাজার পলিটেকনিকে ছাত্রদল ও শিবিরের পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ: আহত ৮

কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রদল ও ছাত্র শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে দুই দলই পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ এনেছে।

সোমবার (১৯মে) এই ঘটনা ঘটে। এতে দুই দলের চার জন করে আট জন আহতের দাবী করেছে। সাধারণ ছাত্ররা জানান, মূলত ছাত্রদলের কর্মসূচি ঘিরে এক পর্যায়ে উত্তেজনা ও সংঘর্ষ বাঁধে। এসময় বেশ কয়েকজন আহত হয়।

কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি ফাহিমুর রহমান জানান, ছাত্রদলের কর্মসূচিতেই ‘গুপ্ত সংগঠন শিবির’ ন্যাক্কারজনক হামলা করেছে।

ফাহিমুর রহমান টিটিএনকে মুঠোফোনে বলেন, “গত এক সপ্তাহ ধরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সদস্য সংগ্রহের ফরম বিতরণ, সাম্য হত্যার প্রতিবাদে কালো ব্যাজ ধারণ এবং মানববন্ধন করে আসছিলো। এরমধ্যে সাধারণ শিক্ষাথীরা নন-টেক প্রিন্সিপালের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করলে সেখানে ছাত্রদল সংহতি জানায়।”

“মূলত সাধারণ ছাত্রদের ওই আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই শিবির পরিকল্পিতভাবে আমাদের ছেলেদের উপর হামলা করেছে”- বলেন ফাহিমুর রহমান।

আহতদের মধ্যে নোমান, ফরহাদ, জুনায়েদ, কাশেম নামের চারজন ছাত্রকে নিজেদের কর্মী দাবী করে আহত হয়েছেন বলেও জানান ফাহিমুর রহমান।

এছাড়াও তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে পোস্ট করেছেন। তিনি সেখানে লেখেন- “এই হা’মলা প্রমাণ করে, শিবির এখনো তাদের গুপ্তচরবৃত্তি ও সহিংস রাজনীতির মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”

এদিকে ইসলামী ছাত্র শিবিরের কক্সবাজার জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম নূরী পালটা অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রদল বহিরাগত এনে জুলাই আন্দোলনের নেতাদের উপর হামলা করেছে।

সোমবার রাতে আব্দুর রহিম নূরী টিটিএনকে মুঠোফোনে জানান, ক্যাম্পাসে ছাত্রদল আন্দোলন করছিলো। এসময় হঠাৎ তারা গেইটে তালা লাগিয়ে দেয় এবং শিক্ষার্থীরা বের হতে চাইলে তাদের বাঁধা দেয়। এই নিয়ে দুই পক্ষের হাতাহাতি হয় যেখানে শিবিবের চার জন কর্মী আহত হয়।

নূরী বলেন, “আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আনার পর বিষয়টি নিয়ে সাবেক প্রিন্সিপাল বর্তমান প্রিন্সিপাল, পুলিশ, শিক্ষক সহ বিষয়টি সেখানে সমাধান করে দেয়। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিবিরকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে স্ট্যাটাস দেয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।”

“ছাত্রদল বহিরাগত নিয়ে ক্যাম্পাসে জুলাই আন্দোলনে যারা নির্যাতিত হয়েছে মামলার আসামী হয়েছিলো সেইসব শিবিরের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করেছে” – বলেন ছাত্র শিবির সভাপতি নূরী।

আহত শিবির নেতাকর্মীদের নাম জানানোর কথা থাকলেও ছবি পাঠালেও তাদের নাম দেননি ছাত্র শিবিরের সভাপতি।

এব্যাপারে কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রদীপ্ত খীসা বলেন, “টেক আর নন টেক নিয়ে ছাত্রদের মধ্যে কিছু ভুল বুঝাবুঝি আর বিভ্রান্তি আছে৷ উর্ধতন কর্তৃপক্ষ যেটা সিদ্ধান্ত নেবে তাই হবে৷ কিন্তু এটা নিয়ে ছাত্রদের মধ্যে মধ্যে হাতাহাতি হয়েছিলো।”

কোন কোন সংগঠনের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে এমন কিছু বলতে চাননি মি. খিসা। তিনি বলেন, “পরে পুলিশ আর প্রশাসন ডেকে সমাঝোতা করে দেয়া হয়েছে। ছেলেদের তো রক্ত গরম, সামলে রাখা যায়না।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের স্বীকৃতি: জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্মে ফিচারড SURGE Bangladesh

কক্সবাজার পলিটেকনিকে ছাত্রদল ও শিবিরের পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ: আহত ৮

আপডেট সময় : ০১:৩০:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রদল ও ছাত্র শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে দুই দলই পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ এনেছে।

সোমবার (১৯মে) এই ঘটনা ঘটে। এতে দুই দলের চার জন করে আট জন আহতের দাবী করেছে। সাধারণ ছাত্ররা জানান, মূলত ছাত্রদলের কর্মসূচি ঘিরে এক পর্যায়ে উত্তেজনা ও সংঘর্ষ বাঁধে। এসময় বেশ কয়েকজন আহত হয়।

কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি ফাহিমুর রহমান জানান, ছাত্রদলের কর্মসূচিতেই ‘গুপ্ত সংগঠন শিবির’ ন্যাক্কারজনক হামলা করেছে।

ফাহিমুর রহমান টিটিএনকে মুঠোফোনে বলেন, “গত এক সপ্তাহ ধরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সদস্য সংগ্রহের ফরম বিতরণ, সাম্য হত্যার প্রতিবাদে কালো ব্যাজ ধারণ এবং মানববন্ধন করে আসছিলো। এরমধ্যে সাধারণ শিক্ষাথীরা নন-টেক প্রিন্সিপালের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করলে সেখানে ছাত্রদল সংহতি জানায়।”

“মূলত সাধারণ ছাত্রদের ওই আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই শিবির পরিকল্পিতভাবে আমাদের ছেলেদের উপর হামলা করেছে”- বলেন ফাহিমুর রহমান।

আহতদের মধ্যে নোমান, ফরহাদ, জুনায়েদ, কাশেম নামের চারজন ছাত্রকে নিজেদের কর্মী দাবী করে আহত হয়েছেন বলেও জানান ফাহিমুর রহমান।

এছাড়াও তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে পোস্ট করেছেন। তিনি সেখানে লেখেন- “এই হা’মলা প্রমাণ করে, শিবির এখনো তাদের গুপ্তচরবৃত্তি ও সহিংস রাজনীতির মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”

এদিকে ইসলামী ছাত্র শিবিরের কক্সবাজার জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম নূরী পালটা অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রদল বহিরাগত এনে জুলাই আন্দোলনের নেতাদের উপর হামলা করেছে।

সোমবার রাতে আব্দুর রহিম নূরী টিটিএনকে মুঠোফোনে জানান, ক্যাম্পাসে ছাত্রদল আন্দোলন করছিলো। এসময় হঠাৎ তারা গেইটে তালা লাগিয়ে দেয় এবং শিক্ষার্থীরা বের হতে চাইলে তাদের বাঁধা দেয়। এই নিয়ে দুই পক্ষের হাতাহাতি হয় যেখানে শিবিবের চার জন কর্মী আহত হয়।

নূরী বলেন, “আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আনার পর বিষয়টি নিয়ে সাবেক প্রিন্সিপাল বর্তমান প্রিন্সিপাল, পুলিশ, শিক্ষক সহ বিষয়টি সেখানে সমাধান করে দেয়। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিবিরকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে স্ট্যাটাস দেয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।”

“ছাত্রদল বহিরাগত নিয়ে ক্যাম্পাসে জুলাই আন্দোলনে যারা নির্যাতিত হয়েছে মামলার আসামী হয়েছিলো সেইসব শিবিরের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করেছে” – বলেন ছাত্র শিবির সভাপতি নূরী।

আহত শিবির নেতাকর্মীদের নাম জানানোর কথা থাকলেও ছবি পাঠালেও তাদের নাম দেননি ছাত্র শিবিরের সভাপতি।

এব্যাপারে কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রদীপ্ত খীসা বলেন, “টেক আর নন টেক নিয়ে ছাত্রদের মধ্যে কিছু ভুল বুঝাবুঝি আর বিভ্রান্তি আছে৷ উর্ধতন কর্তৃপক্ষ যেটা সিদ্ধান্ত নেবে তাই হবে৷ কিন্তু এটা নিয়ে ছাত্রদের মধ্যে মধ্যে হাতাহাতি হয়েছিলো।”

কোন কোন সংগঠনের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে এমন কিছু বলতে চাননি মি. খিসা। তিনি বলেন, “পরে পুলিশ আর প্রশাসন ডেকে সমাঝোতা করে দেয়া হয়েছে। ছেলেদের তো রক্ত গরম, সামলে রাখা যায়না।”