ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আজ বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস বাস ভাড়া বাড়ল কিলোমিটারে ১১ পয়সা, কোন ভাড়া কত হলো বোয়িংয়ের ১৪ উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে শামীম আরা বেগম স্বপ্নাসহ বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্র বৈধ টেকনাফে দুই সাজাপ্রাপ্ত পলাতক গ্রেপ্তার ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে কক্সবাজারে জেলা ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ কক্সবাজারে একদিনে চার মরদেহ উদ্ধার, বাড়ছে উদ্বেগ গুপ্ত লিখে ফেইসবুক পোস্ট,উখিয়ায় বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত ৩ ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণে ইউপি সদস্যের মুক্তি, পুলিশের দাবি উদ্ধার রামুতে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ: মৃত্যুর আগে ভিডিও বার্তায় বাঁচার আকুতি অপহরণের ১৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার ইউপি সদস্য রুস্তম আলী টেকনাফে যৌথবাহিনীর চিরুনি অভিযান: অপহরণ চক্র ও পাহাড়ে সন্ত্রাস দমনে তৎপরতা জোরদার আগুন দেখতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশু রাইয়ানের সংকটেও বিদ্যুৎ গিলছে টমটম-ইজিবাইক স্লোগান, সুবিধা ও বাস্তবতার রাজনীতি

এবছর রোহিঙ্গাদের জন্য প্রয়োজন ১ বিলিয়ন ডলার – জাতিসংঘ

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এ বছর প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার সাহায্য চেয়েছে জাতিসংঘ। বাংলাদেশে থাকা প্রায় ১৫ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতাদের জীবন রক্ষায় এ অর্থ দরকার বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

 

সোমবার (২৪ মার্চ) জাতিসংঘ জানায়, আর্থিক সম্পদ হ্রাস এবং প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক সংকটের মধ্যে তারা এবং ১০০ টিরও বেশি অংশীদার রোহিঙ্গা সংকটের জন্য ২০২৫-২৬ সালের যৌথ প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা চালু করছে। এদিকে এ বিষয়ে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সোমবার সকালে জেআরপি প্রকাশনা ইভেন্টের আয়োজন করা হয়।

 

এতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেন রোহিঙ্গা সমস্যা এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলির জন্য প্রধান উপদেষ্টার হাইরিপ্রেজেনটেটিভ ড. খলিলুর রহমান, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মহাপরিচালক অ্যামি পোপ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দাতা দেশগুলোর প্রতিনিধিরা।

 

২০১৭ সাল থেকে এক বছরমেয়াদি জেআরপি ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু এবারই প্রথমবারের মতো দুই বছরের মেয়াদের জন্য জেআরপির ঘোষণা দেওয়া হবে। তবে ৯৩৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন (প্রায় ৯৪ কোটি) ডলার সহায়তার প্রস্তাব শুধু ২০২৫ সালের জন্য।

 

জাতিসংঘের বাংলাদেশ অফিস থেকে জানানো হয়, ২০২৫-২৬ সালের জেআরপি বাংলাদেশ সরকার, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওসহ ১১৩টি সংস্থাকে সমন্বিত করেছে। এর মূল লক্ষ্য হলো, রোহিঙ্গা শরণার্থী ও জোর করে বাস্তুচ্যুত মায়ানমারের নাগরিকদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় মায়ানমারে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে কক্সবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও সহায়তা করা।

 

সংস্থাটি জানিয়েছে, দুই বছরের জন্য তৈরি করা এই জেআরপি দীর্ঘস্থায়ী এ সংকটের যাত্রা এবং বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে। এটি দাতাদের দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার সুযোগ করে দেবে। তবে ২০২৫ সালের জন্য নির্ধারিত বাজেট ও জনসংখ্যার লক্ষ্যমাত্রাগুলো নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ২০২৬ সালের পরিকল্পনাগুলো পরিস্থিতির বিবেচনায় পরবর্তী সময়ে নির্ধারণ করা হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আজ বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবস

এবছর রোহিঙ্গাদের জন্য প্রয়োজন ১ বিলিয়ন ডলার – জাতিসংঘ

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এ বছর প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার সাহায্য চেয়েছে জাতিসংঘ। বাংলাদেশে থাকা প্রায় ১৫ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতাদের জীবন রক্ষায় এ অর্থ দরকার বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

 

সোমবার (২৪ মার্চ) জাতিসংঘ জানায়, আর্থিক সম্পদ হ্রাস এবং প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক সংকটের মধ্যে তারা এবং ১০০ টিরও বেশি অংশীদার রোহিঙ্গা সংকটের জন্য ২০২৫-২৬ সালের যৌথ প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা চালু করছে। এদিকে এ বিষয়ে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সোমবার সকালে জেআরপি প্রকাশনা ইভেন্টের আয়োজন করা হয়।

 

এতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেন রোহিঙ্গা সমস্যা এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলির জন্য প্রধান উপদেষ্টার হাইরিপ্রেজেনটেটিভ ড. খলিলুর রহমান, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মহাপরিচালক অ্যামি পোপ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দাতা দেশগুলোর প্রতিনিধিরা।

 

২০১৭ সাল থেকে এক বছরমেয়াদি জেআরপি ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু এবারই প্রথমবারের মতো দুই বছরের মেয়াদের জন্য জেআরপির ঘোষণা দেওয়া হবে। তবে ৯৩৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন (প্রায় ৯৪ কোটি) ডলার সহায়তার প্রস্তাব শুধু ২০২৫ সালের জন্য।

 

জাতিসংঘের বাংলাদেশ অফিস থেকে জানানো হয়, ২০২৫-২৬ সালের জেআরপি বাংলাদেশ সরকার, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিওসহ ১১৩টি সংস্থাকে সমন্বিত করেছে। এর মূল লক্ষ্য হলো, রোহিঙ্গা শরণার্থী ও জোর করে বাস্তুচ্যুত মায়ানমারের নাগরিকদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় মায়ানমারে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে কক্সবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও সহায়তা করা।

 

সংস্থাটি জানিয়েছে, দুই বছরের জন্য তৈরি করা এই জেআরপি দীর্ঘস্থায়ী এ সংকটের যাত্রা এবং বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে। এটি দাতাদের দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার সুযোগ করে দেবে। তবে ২০২৫ সালের জন্য নির্ধারিত বাজেট ও জনসংখ্যার লক্ষ্যমাত্রাগুলো নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ২০২৬ সালের পরিকল্পনাগুলো পরিস্থিতির বিবেচনায় পরবর্তী সময়ে নির্ধারণ করা হবে।