ঢাকা ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ মিথ্যা দাবি খোকন চেয়ারম্যানের : চাইলেন সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত কুতুবজোমের উন্নয়ন ও নতুন প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নামছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী এড. রহিম উল্লাহ টুপটুপের মামলায় ওসি তলব- ‘আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ’ পাটুয়ারটেক ট্রাজেডি, ডিএনএ টেস্টে নিহত ১০ জনের পরিচয় মিলেছে, মিলেনি ছাত্রদল নেতার স্ত্রীর পরিচয় কক্সবাজার রুটে বাড়ল ট্রেন, যুক্ত হলো মহানগর এক্সপ্রেস নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ কক্সবাজার জেলার উপ কারিগরি শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ সাঈদ চট্রগ্রামে আটক টেকনাফের পৌরমেয়র প্রার্থীর মিছিলে চাঁদাবাজি মামলার আসামী! রামুর বাঁকখালী তীরে মিলনমেলা – সম্প্রীতির বন্ধনে ভাসলো কল্প-জাহাজ বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে সম্প্রীতির দেশ- কক্সবাজারের প্রবারণা উৎসবে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম অভিযানের পরও মেরিনড্রাইভে নির্মাণযজ্ঞ,  ‘সরকারি দপ্তর’ ম্যানেজের দাবি! কক্সবাজারে পর্নোগ্রাফি মামলার আসামি আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার কক্সবাজারে সোনারগাঁওয়ের যুবদল নেতা জহির ফকির হত্যা মামলার আসামি কবির গ্রেপ্তার গর্জনিয়ায় হাবিব-আয়েশা ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ গর্জনিয়ায় হাবিব-আয়েশা ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ লামায় বজ্রপাতে ঝরল দুই প্রাণ

কুতুবজোমের উন্নয়ন ও নতুন প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নামছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী এড. রহিম উল্লাহ

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নকে শিক্ষা, সমাজ, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলাসহ সার্বিক বিচারে একটি ‘মডেল ইউনিয়ন’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রহিম উল্লাহ।
‎
‎ টিটিএন-এর প্রধান প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহের কথা জানান তিনি।
‎
‎​রহিম উল্লাহ জানান, দীর্ঘদিনের আইন পেশার অভিজ্ঞতা থেকে মানুষের বিপদে পাশে থাকার যে চর্চা, সেখান থেকেই মূলত জনপ্রতিনিধিত্বের বড় পরিসরে কাজ করার তাগিদ এসেছে। কুতুবজোমের উন্নয়ন, জনসাধারণের অধিকার রক্ষা ও স্থানীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাই তাঁর মূল লক্ষ্য।
‎
‎​প্রধান অঙ্গীকার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা:
‎
‎***​স্বচ্ছতা ও সরকারি বরাদ্দের সুষম বণ্টন: সরকারি বা জনগণের জন্য আসা কোনো বরাদ্দ আত্মসাৎ করা হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। ইউনিয়ন পরিষদের কাজ ও বরাদ্দের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতি ৬ মাস অন্তর আয়-ব্যয় ও বণ্টনের হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ করার প্রস্তাব দেন রহিম উল্লাহ।
‎
‎***​প্যারাবন রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণ:
‎
‎কুতুবজোমের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্যারাবন নিধন বন্ধে আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দেন তিনি।
‎
‎***​অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধান:
‎
‎প্রথম ১০০ দিনের সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতির চেয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের নিয়ে সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার ওপর জোর দেন তিনি। সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সরকারি সহায়তার সুষম বণ্টন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ থাকবে তাঁর তালিকার শীর্ষে।
‎
‎***​শিক্ষা খাতের প্রসার:
‎
‎কুতুবজোমে একাদশ শ্রেণিতে পড়াশোনার সুযোগ বাড়াতে একটি উপযুক্ত উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ার পরিকল্পনার কথা জানান। পূর্বে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে ১ বছর দায়িত্ব পালনকালে আলিম পর্যায় অনুমোদন, সিসিটিভি ও কম্পিউটার স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি।
‎
‎***​তরুণ সমাজ ও ক্রীড়া উন্নয়ন:
‎তরুণদের সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলার সুযোগ তৈরির মাধ্যমে মাদক থেকে দূরে রেখে সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করার অঙ্গীকার করেন।
‎
‎​আইন পেশার পাশাপাশি গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান আযাদের নির্বাচনী আইনি ও প্রশাসনিক সেলের দায়িত্ব পালন করেছিলেন রহিম উল্লাহ। চেয়ারম্যানের সম্মানীর সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, জনগণের আমানত রক্ষা করা এবং সৎ থেকে সেবা দেওয়াই তাঁর দীর্ঘদিনের ইচ্ছা।
‎​কুতুবজোমবাসীর মতে, ঘোষিত পরিকল্পনাগুলো কতটা বাস্তবসম্মত কর্মসূচিতে রূপ পায় এবং আগামী দিনে তা কতটুকু বাস্তবায়িত হয়—সেটির ওপরই নির্ভর করবে কুতুবজোমের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগ মিথ্যা দাবি খোকন চেয়ারম্যানের : চাইলেন সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির তদন্ত

কুতুবজোমের উন্নয়ন ও নতুন প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নামছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী এড. রহিম উল্লাহ

আপডেট সময় : ১২:৪০:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নকে শিক্ষা, সমাজ, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলাসহ সার্বিক বিচারে একটি ‘মডেল ইউনিয়ন’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রহিম উল্লাহ।
‎
‎ টিটিএন-এর প্রধান প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহের কথা জানান তিনি।
‎
‎​রহিম উল্লাহ জানান, দীর্ঘদিনের আইন পেশার অভিজ্ঞতা থেকে মানুষের বিপদে পাশে থাকার যে চর্চা, সেখান থেকেই মূলত জনপ্রতিনিধিত্বের বড় পরিসরে কাজ করার তাগিদ এসেছে। কুতুবজোমের উন্নয়ন, জনসাধারণের অধিকার রক্ষা ও স্থানীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করাই তাঁর মূল লক্ষ্য।
‎
‎​প্রধান অঙ্গীকার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা:
‎
‎***​স্বচ্ছতা ও সরকারি বরাদ্দের সুষম বণ্টন: সরকারি বা জনগণের জন্য আসা কোনো বরাদ্দ আত্মসাৎ করা হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। ইউনিয়ন পরিষদের কাজ ও বরাদ্দের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতি ৬ মাস অন্তর আয়-ব্যয় ও বণ্টনের হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ করার প্রস্তাব দেন রহিম উল্লাহ।
‎
‎***​প্যারাবন রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণ:
‎
‎কুতুবজোমের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্যারাবন নিধন বন্ধে আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দেন তিনি।
‎
‎***​অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধান:
‎
‎প্রথম ১০০ দিনের সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতির চেয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের নিয়ে সমস্যা চিহ্নিত করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার ওপর জোর দেন তিনি। সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সরকারি সহায়তার সুষম বণ্টন ও মাদক নিয়ন্ত্রণ থাকবে তাঁর তালিকার শীর্ষে।
‎
‎***​শিক্ষা খাতের প্রসার:
‎
‎কুতুবজোমে একাদশ শ্রেণিতে পড়াশোনার সুযোগ বাড়াতে একটি উপযুক্ত উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ার পরিকল্পনার কথা জানান। পূর্বে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে ১ বছর দায়িত্ব পালনকালে আলিম পর্যায় অনুমোদন, সিসিটিভি ও কম্পিউটার স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন তিনি।
‎
‎***​তরুণ সমাজ ও ক্রীড়া উন্নয়ন:
‎তরুণদের সুস্থ বিনোদন ও খেলাধুলার সুযোগ তৈরির মাধ্যমে মাদক থেকে দূরে রেখে সামাজিক কাজে সম্পৃক্ত করার অঙ্গীকার করেন।
‎
‎​আইন পেশার পাশাপাশি গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান আযাদের নির্বাচনী আইনি ও প্রশাসনিক সেলের দায়িত্ব পালন করেছিলেন রহিম উল্লাহ। চেয়ারম্যানের সম্মানীর সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, জনগণের আমানত রক্ষা করা এবং সৎ থেকে সেবা দেওয়াই তাঁর দীর্ঘদিনের ইচ্ছা।
‎​কুতুবজোমবাসীর মতে, ঘোষিত পরিকল্পনাগুলো কতটা বাস্তবসম্মত কর্মসূচিতে রূপ পায় এবং আগামী দিনে তা কতটুকু বাস্তবায়িত হয়—সেটির ওপরই নির্ভর করবে কুতুবজোমের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন।