বিজয়া দশমীতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে। লাবুণী পয়েন্টে আয়োজিত এই বিসর্জন উৎসবে জেলা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত হাজার হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বী অংশগ্রহণ করেন। এই বিসর্জনের মধ্য দিয়ে প্রধানত অশুভ, অন্যায় ও অকল্যাণের বিনাশ ঘটে এবং সমাজে সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের প্রতিষ্ঠা অর্জিত হয়। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এটি সর্বজনীন সম্প্রীতি, সামাজিক মিলনমেলা এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার বলিষ্ঠ বার্তা বহন করে, এমন বিশ্বাস সনাতন সম্প্রদায়ের।
শাস্ত্রীয় ও পুরাণভিত্তিক বিশ্বাস অনুযায়ী, এ বছর মর্ত্যলোক থেকে স্বর্গলোকে দেবীর আগমন ঘটেছিল “ঘটকে” বা ঘোড়ায় এবং গমন বা গমনোৎসর্গ অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নৌকায়’। পঞ্জিকা ও শাস্ত্রমতে দেবীর নৌকায় গমনকে একটি অত্যন্ত শুভ ও মঙ্গলজনক সংকেত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
দেবীর নৌকায় গমনের প্রভাবে পৃথিবীতে শস্য বৃদ্ধি পায় এবং বসুন্ধরা শস্যশ্যামলা ও ধনধান্যে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এর ফলে অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি বা দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা হ্রাস পায় এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় কেটে গিয়ে কৃষি ও উৎপাদনে সমৃদ্ধি আসে। সনাতন ভাবধারায় দেবীর নৌকায় বিদায় গ্রহণ মানবসমাজ ও প্রকৃতির জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি ও সার্বিক কল্যাণের বার্তা নিয়ে আসে বলে জানান সনাতন সম্প্রদায়ের শাস্ত্রবিদেরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















