প্রায় ২ ঘন্টা পর পুলিশের দেয়া আশ্বাসে বাসটার্মিনালের সড়ক অবরোধ তুলে নিলো বিক্ষোভকারীরা। ফলে এ সড়কে যান চলাচল স্বাভাকিক হয়েছে।
সালমান হত্যার প্রতিবাদে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে শুরু হয় বিশাল বিক্ষোভ মিছিল। মিছিলটি বাস টার্মিনাল এলাকায় গেলে সেখানে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভকারীরা।
এসময় তারা সালমান হত্যার বিচার দাবি করে। একই সময় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, সালমান নির্দোষ। সে রাশেদ হত্যায় জড়িত ছিলো না, বরং সে নিহত রাশেদের বন্ধু, তাই রাশেদ কে বাচাঁতে চেয়েছিলো। কিন্তু তাকেই হত্যাকারী সাজিয়ে ব্যাপক মারধর করে হত্যা করা হয়,সিসিটিভে ফুটেজে যার স্পষ্ট প্রমান পাওয়া যায় বলে দাবী করা হয়।
বিক্ষোভের এক পর্যায়ে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহামুদুল হাসান ও সদর মডেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে সড়ক অবরোধ তুলে নেয় বিক্ষোভকারীরা।
বৃহস্পতিবার রাতে কক্সবাজার শহরের রেনেসাঁ হোটেলের বারে কথা-কাটাকাটির জেরে সংঘর্ষে নাজিবুল হক রাশেদ (২৯) নামে এক যুবক নিহত হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ এনে নিহত রাশেদের স্বজনেরা মোহাম্মদ সোলাইমান প্রকাশ সালমান (২৮) কে তুলে নিয়ে যায় এবং ব্যাপক মারধর করে পুলওশে সোপর্দ করে। পুলিশ আহত অবস্থায় সালমানকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্যে পাঠায়। তবে পরিস্থতির অবনতি হলে সালামানকে চমেকে প্রেরণ করা হলে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সালমান মারা যায়।
এদিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পোস্টমটেম শেষে বিকেলে সালমানের মরদেহ নিয়ে স্বজনেরা কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে। শুক্রবার রাতেই মরদেহ সালমানের বাড়ি বিজিবি ক্যাম্প এলাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
অন্যদিকে শনিবার সকাল ১০ টায় নিহত সালামানের নামাজে জানাজা শহরের এস এম পাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হবে বলে সমাবেশে ঘোষণা দেয়া হয়।
এর আগে শুক্রবার আসরের নামাজেের পর নতুন বাহারছড়ার তৈয়্যাবিয়া তাহেরিয়া মাদ্রাসা মাঠে নিহত রাশেদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এবং শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাশেদ হত্যার বিচারের দাবিতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















