কক্সবাজার দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশনের। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে। কক্সবাজারের ১০২ টি দোকান মালিক সমিতি নিয়ে এই ফেডারেশন এখন জেলার অন্যতম বৃহত্তম ব্যবসায়ী সংগঠন। সেই সংগঠনের বহুল প্রত্যাশিত দ্বি বার্ষিক নির্বাচন ২৮ আগস্ট।
এই নির্বাচনে ২১ টি পদে ৪৮ জন প্রার্থী নির্বাচন করলে ও বিনা প্রতিন্ধতিতায় সমাজ কল্যাণ পদে- আহম্মেদ কবির এবং প্রচার সম্পাদক পদে গিয়াস উদ্দিন রোকন নির্বাচিত হয়।তাই ভোট হচ্ছে ১৯ টি পদে, যাতে প্রার্থী রয়েছেন ৪৬ জন। আর নির্বাচনে মোট ভোটার ১৩৪০ জন।
সভাপতি পদে লড়ছেন আনারস প্রতীকের প্রার্থী আবুল হাশেম সওদাওর ও ছাতা প্রতীকের প্রার্থী ফরিদ আহমেদ চৌধুরী। নির্বাচনে টাকার বিনিময়ে ভোট কেনার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করলে ও দু জনই জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আাশাবাদী।
আবুল হাশেম সওদাগর বলেন,তিনি সবসময় ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কাজ করেছেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্বে তিনি কাজ করেছেন, ফলে তিনি জানেন কিভাবে ব্যবসায়ীদের সংকট ও সমস্যা সমধান করা যায়।
সভাপতি পদে আবুল হাশেম সওদাগরের প্রতিদ্বন্দ্বি ফরিদ আহমেদ চৌধুরী বলছেন, ব্যবসায়ী সংগঠনে অভিজ্ঞ লোক দরকার। তিনি বলেন,তাঁর অভিজ্ঞতার আলোকে ব্যবসায়ীদের কল্যানে কাজ করবেন।
এ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশী আলোচিত হচ্ছে সাধারণ সম্পাদক পদের নির্বাচন নিয়ে। এ পদে লড়ছেন দুই আমিনুল ইসলাম। একজন আমিনুল ইসলাম মুকুল অপরজন আমিনুল ইসলাম হাসান। ২০২৩ সালের পৌরসভার নির্বাচনের পর দোকান মালিক ফেডারেশন নির্বাচনের সাধারণ সম্পাদক পদে আবারো মুখোমুখি এই দুই বন্ধু। এদিকে পৌরসভা নির্বাচনের মতো এবারও জয়ী হবেন বলেজানান, পাঞ্জাবি প্রতীকের প্রার্থী সাবেক পৌর কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম মুকুল।
অন্যদিকে পৌর নির্বাচনে হারলেও দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশনের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় ছিনিয়ে আনবে বলে আশাবাদী চাকা প্রতিকের প্রার্থী আমিনুল ইসলাম হাসান।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন সভাপতি পদের প্রার্থীরা প্রকাশ্যে কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত না থাকলেও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী দুজনই দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। আমিনুল ইসলাম মুকুল বিএনপির রাজনীতির সাথে আর আমিনুল ইসলাম হাসান জামায়াতে-ইসলামীর রাজনীতির সাথে যুক্ত।
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ ছাড়া
সি:সহসভাপতি,সহ- সভাপতিসহ ১৭ পদে লড়ছেন ৪০ এর অধিক প্রার্থী।
দোকান মালিক সমিতির ফেডারেশনভুক্ত ১০২টি সমিতির ১১ জন করে ১ হাজার ১শ ২২ জন এবং আজীবন সদস্য ২১৮ জন সহ মোট ১৩৪০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮ টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত বায়তুশ শরফ জাব্বারিয়া একাডেমী প্রাঙ্গনে চলবে ভোট গ্রহন। যাতে জুমার নামাজের জন্যে থাকবে সাড়ে ১২ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত দেড় ঘন্টার বিরতি।
তানভীর শিপু 























