ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি সাবেক বিসিবি সভাপতির টেকনাফে সড়কের দুই পাশে কলেমা লেখা সাদা পতাকা আ’র’কা’ন আ’র্মি প্রধানের বাংলাদেশে চিকিৎসা নেওয়ার খবর কতটুকু সত্য? মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি রোজিনা গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা জামায়াত আমীরের উদ্যোগে মুক্ত হলো হাসপাতাল বিলের জন্য আটকে থাকা রিয়াজের মরদেহ মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ২১ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সবুজ উদ্যোগ -কক্সবাজারে ১ হাজার গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ মহেশখালীতে বাচ্চুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী দুই হত্যা চেষ্টা মামলার পলাতক আসামি অহিদুল গ্রেপ্তার  কক্সবাজার সদর থানায় শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ড, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে আগুন ​”ব্লাড ক্যান্সারে মারা যাওয়া টেকনাফের শিক্ষার্থী রিয়াজের মরদেহ আটকে আছে হাসপাতালে, সাহায্যের আবেদন ইনানী সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে যুবক নিখোঁজ- উদ্ধার অভিযান অব্যাহত শরীরচর্চা ও খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ ও সক্রিয় জীবনধারা গড়ে তোলা প্রয়োজন: সেনাপ্রধান ফের ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলা, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি সাবেক বিসিবি সভাপতির

বাংলাদেশের পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিত করতে, আইসিসির তহবিল বন্ধ করতে ও আইসিসি টুর্নামেন্টগুলো থেকে বাদ দিতে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছেন সাবেক বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ গত এপ্রিলে আমিনুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড ভেঙে দিলেও তিনি বরাবরই নিজেকে বৈধ সভাপতি দাবি করে আসছেন। আইসিসির চিঠিতেও বৈধ সভাপতি হিসেবেই নিজেকে উল্লেখ করেছেন তিনি এবং তাকে আবার বোর্ড সভাপতির দায়িত্বে ফেরানোর আগ পর্যন্ত বিসিবির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি।

কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে শুক্রবার খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর এক ভিডিও বার্তায় এটি উড়িয়ে দিয়ে আমিনুল বলেছেন, ‘এটি সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা।’

তবে আইনজীবীর মাধ্যমে আইসিসিতে পাঠানো তার সেই বিশাল চিঠি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের হাতে এসেছে এবং সেখানে আমিনুলের স্বাক্ষরও আছে।

গত রোববার পাঠানো সেই চিঠির শিরোনামে উল্লেখ করা হয়েছে, “আনুষ্ঠানিক অভিযোগ নং BCB/PRES/ICC/2026/001-এর ধারাবাহিকতায় এবং পরিপূরক হিসেবে অবৈধ অ্যাড-হক কমিটি কর্তৃক পরিচালিত ০৭ জুন ২০২৬-এর প্রহসনমূলক নির্বাচন সংক্রান্ত অবিলম্বে আইসিসি- হস্তক্ষেপ এবং নির্বাচিত বিসিবি বোর্ড পুনর্বহালের দাবিতে সম্পূরক আনুষ্ঠানিক অভিযোগ।”

আইসিসির পরিচালকবৃন্দ ও প্রধান নির্বাহী বরাবর চিঠিটি পাঠানো হয়। চিঠির শুরুতে লেখা হয়েছে, “আমরা, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচিত সভাপতি ও পরিচালকবৃন্দের পক্ষে নিম্নস্বাক্ষরকারী আইনজীবী, পূর্ববর্তী আনুষ্ঠানিক অভিযোগের ধারাবাহিকতায় এবং পরিপূরক হিসেবে এই পত্র লিখছি। সম্পূরক অভিযোগে আইসিসির সামনে বিসিবি শাসন সঙ্কটের সাম্প্রতিকতম এবং সবচেয়ে গুরুতর ঘটনাটির একটি বিশদ বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে: ০৭ জুন ২০২৬ তারিখে অবৈধ অ্যাড-হক কমিটি কর্তৃক পরিচালিত প্রহসনমূলক নির্বাচন, যা এমন একটি কাউন্সিলর ভোটার তালিকার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা শাসক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান একটি পূর্বনির্ধারিত ফলাফল তৈরির জন্য পরিকল্পিতভাবে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি করেছিল। আমরা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী কাউন্সিলরদের পরিচয় এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার প্রামাণ্য দলিল দাখিল করছি এবং আমরা আইসিসিকে অবিলম্বে ও দ্ব্যর্থহীনভাবে এই নির্বাচনের ফলাফলকে স্বীকৃতি না দিতে এবং সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত বিসিবি বোর্ডকে পুনর্বহাল করার আহ্বান জানাচ্ছি।”

সেই চিঠির একটি অংশে ‘পুনঃপ্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আইসিসি তহবিল স্থগিতকরণ’ শিরোনামে লেখা হয়েছে, “বিসিবিকে বর্তমানে প্রদেয় বা পরিশোধযোগ্য আইসিসির সকল তহবিল এসক্রোতে (শর্তসাপেক্ষে আটকে রাখা) রাখা হবে বা স্থগিত করা হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া, যতক্ষণ না: (ক) নির্বাচিত বোর্ডের পুনঃস্থাপন অথবা আইসিসি ডিআরসি কর্তৃক একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়; এবং (গ) বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ আদালতের মামলার নিষ্পত্তি হয়। ০৭ জুন ২০২৬-এর নির্বাচনের ভিত্তিতে বিসিবির কর্তৃত্ব দাবি করে এমন কোনো ব্যক্তিকে আইসিসির কোনো তহবিল প্রদান করা যাবে না।”

‘বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা জারি’ শিরোনামে আরেকটি অংশে লেখা হয়েছে, “একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বাংলাদেশ সরকার, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে জানানো যে: (ক) একটি অবৈধভাবে গঠিত অ্যাডহক কমিটি দ্বারা রাজনৈতিকভাবে কারসাজি করা ভোটার তালিকার মাধ্যমে পরিচালিত ২০২৬ সালের ৭ম মাসের নির্বাচনটি আইসিসি সংবিধানের ২.৪(গ) এবং ২.৪(ঘ) ধারার আরও একটি গুরুতর লঙ্ঘন; (খ) আইসিসি ২০২৬ সালের ৭ই জুন তারিখে নির্বাচিত কোনো বোর্ডকে বিসিবির বৈধ পরিচালনা কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না; (গ) আইসিসি নির্বাচিত বোর্ডকে অবিলম্বে পুনর্বহাল করার দাবি জানাচ্ছে, এবং (ঘ) আইসিসি কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্বাচিত বোর্ডকে পুনর্বহাল করতে ব্যর্থ হলে, আইসিসির ২.১০(ক) ধারার অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে বিসিবির পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিতকরণ, আইসিসির তহবিল জব্দকরণ এবং আইসিসি ইভেন্টগুলো থেকে বাংলাদেশ দলকে বাদ দেওয়া।”

বিশাল সেই চিঠিতে গত বিসিবি নির্বাচনের অনেক কাউন্সিলর বা ভোটারের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরা হয়। তাদের অনেকের ক্রিকেট সংশ্লিষ্টতার উল্লেখ সেখানে করা হয়নি। বিসিবি পরিচালক ও সহ-সভাপতি ফাহিম সিনহার পরিচয় লেখা হয়েছে, “বিএনপির স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার নাতি।” কিন্তু ফাহিম সিনহা দীর্ঘদিন ধরেই ক্রিকেট পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছেন। নাজমুল হাসান পাপনের নেতৃত্বাধীন বোর্ডে তিনি পরিচালক ছিলেন। পরে ফারুক আহমেদ ও আমিনুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ডেও ছিলেন। পরে গত অক্টোবরের বিসিবি নির্বাচনে তিনি অংশ নেননি।

বরিশাল বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর মিজানুর রহমান সম্পর্কে লেখা হয়েছে, “আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য; বিসিবি বরিশাল জিম অবৈধভাবে দখলের অভিযোগে অভিযুক্ত; (বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে) মারধরের মামলায় অভিযুক্ত।” তবে তিনি বিপিএল দল ফরচুন বরিশালের চেয়ারম্যান এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবও পরিচালনা করেন, সেসবের উল্লেখ নেই।

 

 

MOST SIGNIFICANT FINDING — TAMIM IQBAL KHAN’S OWN UNCLE AS CANDIDATE”– শিরোনামে মোটা দাগে আলাদা বক্স করে একটি অংশে লেখা হয়েছে, “প্রামাণ্য দলিলে সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীর (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়)-কে তামিম ইকবাল খানের ফুপা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অবৈধ অ্যাড-হক কমিটির চেয়ারম্যান জনাব তামিম ইকবাল খান, অ্যাড-হক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিজে আয়োজিত ও তত্ত্বাবধান করা নির্বাচনে তার পরিবারের একজন সদস্যকে পরিচালক প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানোর ব্যবস্থা করেছেন। এটি স্বার্থের চরমতম সংঘাত এবং ০৭ জুনের পুরো উদ্যোগটির স্বার্থপর প্রকৃতির একটি প্রতীক।”

সূত্র- বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির

বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি সাবেক বিসিবি সভাপতির

আপডেট সময় : ০৮:৪১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিত করতে, আইসিসির তহবিল বন্ধ করতে ও আইসিসি টুর্নামেন্টগুলো থেকে বাদ দিতে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছেন সাবেক বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ গত এপ্রিলে আমিনুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড ভেঙে দিলেও তিনি বরাবরই নিজেকে বৈধ সভাপতি দাবি করে আসছেন। আইসিসির চিঠিতেও বৈধ সভাপতি হিসেবেই নিজেকে উল্লেখ করেছেন তিনি এবং তাকে আবার বোর্ড সভাপতির দায়িত্বে ফেরানোর আগ পর্যন্ত বিসিবির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি।

কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে শুক্রবার খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর এক ভিডিও বার্তায় এটি উড়িয়ে দিয়ে আমিনুল বলেছেন, ‘এটি সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা।’

তবে আইনজীবীর মাধ্যমে আইসিসিতে পাঠানো তার সেই বিশাল চিঠি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের হাতে এসেছে এবং সেখানে আমিনুলের স্বাক্ষরও আছে।

গত রোববার পাঠানো সেই চিঠির শিরোনামে উল্লেখ করা হয়েছে, “আনুষ্ঠানিক অভিযোগ নং BCB/PRES/ICC/2026/001-এর ধারাবাহিকতায় এবং পরিপূরক হিসেবে অবৈধ অ্যাড-হক কমিটি কর্তৃক পরিচালিত ০৭ জুন ২০২৬-এর প্রহসনমূলক নির্বাচন সংক্রান্ত অবিলম্বে আইসিসি- হস্তক্ষেপ এবং নির্বাচিত বিসিবি বোর্ড পুনর্বহালের দাবিতে সম্পূরক আনুষ্ঠানিক অভিযোগ।”

আইসিসির পরিচালকবৃন্দ ও প্রধান নির্বাহী বরাবর চিঠিটি পাঠানো হয়। চিঠির শুরুতে লেখা হয়েছে, “আমরা, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচিত সভাপতি ও পরিচালকবৃন্দের পক্ষে নিম্নস্বাক্ষরকারী আইনজীবী, পূর্ববর্তী আনুষ্ঠানিক অভিযোগের ধারাবাহিকতায় এবং পরিপূরক হিসেবে এই পত্র লিখছি। সম্পূরক অভিযোগে আইসিসির সামনে বিসিবি শাসন সঙ্কটের সাম্প্রতিকতম এবং সবচেয়ে গুরুতর ঘটনাটির একটি বিশদ বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে: ০৭ জুন ২০২৬ তারিখে অবৈধ অ্যাড-হক কমিটি কর্তৃক পরিচালিত প্রহসনমূলক নির্বাচন, যা এমন একটি কাউন্সিলর ভোটার তালিকার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা শাসক রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান একটি পূর্বনির্ধারিত ফলাফল তৈরির জন্য পরিকল্পিতভাবে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি করেছিল। আমরা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী কাউন্সিলরদের পরিচয় এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার প্রামাণ্য দলিল দাখিল করছি এবং আমরা আইসিসিকে অবিলম্বে ও দ্ব্যর্থহীনভাবে এই নির্বাচনের ফলাফলকে স্বীকৃতি না দিতে এবং সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত বিসিবি বোর্ডকে পুনর্বহাল করার আহ্বান জানাচ্ছি।”

সেই চিঠির একটি অংশে ‘পুনঃপ্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আইসিসি তহবিল স্থগিতকরণ’ শিরোনামে লেখা হয়েছে, “বিসিবিকে বর্তমানে প্রদেয় বা পরিশোধযোগ্য আইসিসির সকল তহবিল এসক্রোতে (শর্তসাপেক্ষে আটকে রাখা) রাখা হবে বা স্থগিত করা হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া, যতক্ষণ না: (ক) নির্বাচিত বোর্ডের পুনঃস্থাপন অথবা আইসিসি ডিআরসি কর্তৃক একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়; এবং (গ) বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ আদালতের মামলার নিষ্পত্তি হয়। ০৭ জুন ২০২৬-এর নির্বাচনের ভিত্তিতে বিসিবির কর্তৃত্ব দাবি করে এমন কোনো ব্যক্তিকে আইসিসির কোনো তহবিল প্রদান করা যাবে না।”

‘বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা জারি’ শিরোনামে আরেকটি অংশে লেখা হয়েছে, “একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বাংলাদেশ সরকার, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে জানানো যে: (ক) একটি অবৈধভাবে গঠিত অ্যাডহক কমিটি দ্বারা রাজনৈতিকভাবে কারসাজি করা ভোটার তালিকার মাধ্যমে পরিচালিত ২০২৬ সালের ৭ম মাসের নির্বাচনটি আইসিসি সংবিধানের ২.৪(গ) এবং ২.৪(ঘ) ধারার আরও একটি গুরুতর লঙ্ঘন; (খ) আইসিসি ২০২৬ সালের ৭ই জুন তারিখে নির্বাচিত কোনো বোর্ডকে বিসিবির বৈধ পরিচালনা কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না; (গ) আইসিসি নির্বাচিত বোর্ডকে অবিলম্বে পুনর্বহাল করার দাবি জানাচ্ছে, এবং (ঘ) আইসিসি কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্বাচিত বোর্ডকে পুনর্বহাল করতে ব্যর্থ হলে, আইসিসির ২.১০(ক) ধারার অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে বিসিবির পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিতকরণ, আইসিসির তহবিল জব্দকরণ এবং আইসিসি ইভেন্টগুলো থেকে বাংলাদেশ দলকে বাদ দেওয়া।”

বিশাল সেই চিঠিতে গত বিসিবি নির্বাচনের অনেক কাউন্সিলর বা ভোটারের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরা হয়। তাদের অনেকের ক্রিকেট সংশ্লিষ্টতার উল্লেখ সেখানে করা হয়নি। বিসিবি পরিচালক ও সহ-সভাপতি ফাহিম সিনহার পরিচয় লেখা হয়েছে, “বিএনপির স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার নাতি।” কিন্তু ফাহিম সিনহা দীর্ঘদিন ধরেই ক্রিকেট পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছেন। নাজমুল হাসান পাপনের নেতৃত্বাধীন বোর্ডে তিনি পরিচালক ছিলেন। পরে ফারুক আহমেদ ও আমিনুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ডেও ছিলেন। পরে গত অক্টোবরের বিসিবি নির্বাচনে তিনি অংশ নেননি।

বরিশাল বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর মিজানুর রহমান সম্পর্কে লেখা হয়েছে, “আওয়ামী লীগের উপকমিটির সদস্য; বিসিবি বরিশাল জিম অবৈধভাবে দখলের অভিযোগে অভিযুক্ত; (বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে) মারধরের মামলায় অভিযুক্ত।” তবে তিনি বিপিএল দল ফরচুন বরিশালের চেয়ারম্যান এবং ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবও পরিচালনা করেন, সেসবের উল্লেখ নেই।

 

 

MOST SIGNIFICANT FINDING — TAMIM IQBAL KHAN’S OWN UNCLE AS CANDIDATE”– শিরোনামে মোটা দাগে আলাদা বক্স করে একটি অংশে লেখা হয়েছে, “প্রামাণ্য দলিলে সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীর (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়)-কে তামিম ইকবাল খানের ফুপা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অবৈধ অ্যাড-হক কমিটির চেয়ারম্যান জনাব তামিম ইকবাল খান, অ্যাড-হক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিজে আয়োজিত ও তত্ত্বাবধান করা নির্বাচনে তার পরিবারের একজন সদস্যকে পরিচালক প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করানোর ব্যবস্থা করেছেন। এটি স্বার্থের চরমতম সংঘাত এবং ০৭ জুনের পুরো উদ্যোগটির স্বার্থপর প্রকৃতির একটি প্রতীক।”

সূত্র- বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম