ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদকের থেকেও ভয়াবহ: মানব পাচারের অন্ধকার বাস্তবতা চকরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক ও শিশুসহ নিহত ২, আহত ২০ ১৩ বছর নিখোঁজ মানসিক ভারসাম্যহীন আব্দুল খালেক সর্দার, সন্ধান চায় পরিবার বিশ্ব মহাসাগর দিবসে ইনানী সৈকতে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচ্ছন্নতা অভিযান বিশ্বকাপে যেসব রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে আছেন মেসি পাহাড়তলীতে দুই খুনের পর পাহাড়ে লুকিয়ে ছিলেন জিয়া, অবশেষে ধরা ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন দ্বিতীয়বারের মতো হচ্ছে ‘গোল্ডেন সিল্ক রোড মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডস বাংলাদেশ ২০২৬’ যুদ্ধবিরতি চুক্তি না হলে ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত করা হবে না: ডোনাল্ড ট্রাম্প ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত টেকনাফে অস্ত্রের মুখে চালককে জিম্মি করে টমটম ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা মানবিক আশ্রয়ের আড়ালে শিশু অপহরণ, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা নারী আটক কক্সবাজারে ডিবি হারুনের আরও জমির তথ্য দিল দুদক কক্সবাজার থেকে প্রবাল এক্সপ্রেসে আসা ৫৯ লাখ টাকার ইয়াবার চালান পুলিশের জালে, গ্রেফতার ১ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিসিবির পরিচালক হলেন সালাহউদ্দিন পুত্র সাঈদ ইব্রাহিম

বিশ্ব মহাসাগর দিবসে ইনানী সৈকতে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বিশ্ব মহাসাগর দিবস (ওয়ার্ল্ড ওশান ডে) ২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিওআরআই)।

সোমবার (৮ জুন) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিওআরআই’র মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হকের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এ বছরের বিশ্ব মহাসাগর দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল— “Strong Marine Protected Areas for Our Blue Planet”।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইনানী সমুদ্র সৈকতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল, ক্যানসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করা হয়। একইসঙ্গে পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সামুদ্রিক পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখা এবং সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচারণা চালানো হয়।

এ সময় মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হক উপস্থিত জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতামূলক টি-শার্ট বিতরণ করেন এবং সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার ও সমুদ্র দূষণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা, অতিরিক্ত মাছ আহরণ বন্ধ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সমুদ্র এলাকার অন্তত ৩০ শতাংশ সংরক্ষণের বৈশ্বিক লক্ষ্য বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র সুরক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি মৎস্যসম্পদের প্রাচুর্য বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, সমুদ্র ও উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনগণ এবং পর্যটকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।
বিওআরআই কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করে, বিশ্ব মহাসাগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই নীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) বিকাশে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকের থেকেও ভয়াবহ: মানব পাচারের অন্ধকার বাস্তবতা

বিশ্ব মহাসাগর দিবসে ইনানী সৈকতে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আপডেট সময় : ০৫:১৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

বিশ্ব মহাসাগর দিবস (ওয়ার্ল্ড ওশান ডে) ২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিওআরআই)।

সোমবার (৮ জুন) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিওআরআই’র মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হকের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এ বছরের বিশ্ব মহাসাগর দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল— “Strong Marine Protected Areas for Our Blue Planet”।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইনানী সমুদ্র সৈকতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল, ক্যানসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করা হয়। একইসঙ্গে পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সামুদ্রিক পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখা এবং সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচারণা চালানো হয়।

এ সময় মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হক উপস্থিত জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতামূলক টি-শার্ট বিতরণ করেন এবং সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার ও সমুদ্র দূষণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা, অতিরিক্ত মাছ আহরণ বন্ধ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সমুদ্র এলাকার অন্তত ৩০ শতাংশ সংরক্ষণের বৈশ্বিক লক্ষ্য বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র সুরক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি মৎস্যসম্পদের প্রাচুর্য বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, সমুদ্র ও উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনগণ এবং পর্যটকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।
বিওআরআই কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করে, বিশ্ব মহাসাগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই নীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) বিকাশে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।