ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
খুনিয়া পালংয়ে ছেলের গুলিতে প্রাণ গেল বাবার কক্সবাজারসহ চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কুতুবদিয়ায় ছাত্রদল নেতার ওপর হামলার ঘটনায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়কের বক্তব্যের প্রতিবাদে বিএনপি নেতা আজিজুরের বিবৃতি” ৫ বছর পলাতক থাকার পর ধরা খেল সাজাপ্রাপ্ত আসামি টেকনাফে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার রোগীর বেশে ইয়াবা পাচার চেষ্টা, তিন নারী আটক কক্সবাজারে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার আসামিবাহী সিএনজিকে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কা, দুই এসআইসহ আহত ৫ বিচারে বৈষম্যের অবসান কবে হবে? প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে ২-১ গোলে হারালো ব্রাজিল রায়ে খুশি, দ্রুত কার্যকর চাই : রামিসার বাবা টেকনাফ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে শামীমকে চায় তৃণমূল রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড প্রস্তুতি ম্যাচে হন্ডুরাসকে ২-০ গোলে হারালো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা দুপুরের মধ্যে কক্সবাজারসহ ১৭ জেলায় ঝড় বৃষ্টির আশঙ্কা

টেকনাফে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫ এর অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন মাদক মামলায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামি। শনিবার রাতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার মো. আফছার (২৭) টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সাতঘরিয়াপাড়া এলাকার বদিউর রহমানের ছেলে।

র‍্যাব-১৫ সূত্র জানায়, মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল র‍্যাবের টেকনাফ ক্যাম্প। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (৬ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানার একটি মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামি আফছার হোয়াইক্যংয়ের নয়াবাজার এলাকায় অবস্থান করছেন। সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর র‍্যাবের একটি আভিযানিক দল দ্রুত সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে আফছার পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।

র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আফছার দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে থাকার কথা স্বীকার করেন।

র‍্যাবের তথ্যমতে, ২০১৫ সালে চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানায় দায়ের করা একটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আদালত তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।

তিনি অবগত করেন, মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারি ও আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে র‍্যাব-১৫ এর কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫ এর অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন মাদক মামলায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামি। শনিবার রাতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার মো. আফছার (২৭) টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সাতঘরিয়াপাড়া এলাকার বদিউর রহমানের ছেলে।

র‍্যাব-১৫ সূত্র জানায়, মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল র‍্যাবের টেকনাফ ক্যাম্প। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (৬ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানার একটি মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামি আফছার হোয়াইক্যংয়ের নয়াবাজার এলাকায় অবস্থান করছেন। সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর র‍্যাবের একটি আভিযানিক দল দ্রুত সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে আফছার পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।

র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আফছার দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে থাকার কথা স্বীকার করেন।

র‍্যাবের তথ্যমতে, ২০১৫ সালে চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানায় দায়ের করা একটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আদালত তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।

তিনি অবগত করেন, মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারি ও আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে র‍্যাব-১৫ এর কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।