ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে আসামি ধরতে গিয়ে গর্ভবতী নারীকে লাথি মারার অভিযোগ এসআই দুলালের বিরুদ্ধে: অভিযোগ সঠিক নয় – ওসি লোহাগাড়ায় প্রাইভেটকারের গোপন চেম্বারে ১৬ হাজার ইয়াবা, নারীসহ গ্রেপ্তার ৪ আজ প্রেমিকা দিবস, সঙ্গীকে আনন্দ দেওয়ার দারুণ সুযোগ শাহপরীরদ্বীপে সাগরে ভেসে এলো অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ প্রেসক্লাবে জুলাই শহীদ স্মৃতি শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনী ম্যাজিস্ট্রেট এড়িয়ে গেলেও ডিসি বললেন- অগোচরে চলছিল প্যারাসেইলিং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলতি মাসেই চালু হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস, আসছে আরও নতুন আন্তঃনগর ট্রেন ঈদগাঁওয়ে প্রাইভেটকারে ৭৬ কেজি গাঁজা, একাধিক মামলার আসামিসহ আটক ২ নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরছে, বিনিয়োগে উৎসাহ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র মায়ের দুধেই শিশুর সুরক্ষা, আজ থেকে শুরু বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ১৫০ বছর পর লাইব্রেরিতে বই ফেরত, জরিমানা ১৯ লাখ  মিয়ানমারে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ সার জব্দ, আটক ২৩ সাড়ে ৬ বছরে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ হাজার ৩৮৪ জন Scars Still Fresh, Yet Flood Victims in Chakaria Strive to Rebuild Their Lives

টেকনাফে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫ এর অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন মাদক মামলায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামি। শনিবার রাতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার মো. আফছার (২৭) টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সাতঘরিয়াপাড়া এলাকার বদিউর রহমানের ছেলে।

র‍্যাব-১৫ সূত্র জানায়, মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল র‍্যাবের টেকনাফ ক্যাম্প। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (৬ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানার একটি মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামি আফছার হোয়াইক্যংয়ের নয়াবাজার এলাকায় অবস্থান করছেন। সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর র‍্যাবের একটি আভিযানিক দল দ্রুত সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে আফছার পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।

র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আফছার দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে থাকার কথা স্বীকার করেন।

র‍্যাবের তথ্যমতে, ২০১৫ সালে চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানায় দায়ের করা একটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আদালত তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।

তিনি অবগত করেন, মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারি ও আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে র‍্যাব-১৫ এর কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে আসামি ধরতে গিয়ে গর্ভবতী নারীকে লাথি মারার অভিযোগ এসআই দুলালের বিরুদ্ধে: অভিযোগ সঠিক নয় – ওসি

টেকনাফে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫ এর অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন মাদক মামলায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামি। শনিবার রাতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার মো. আফছার (২৭) টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সাতঘরিয়াপাড়া এলাকার বদিউর রহমানের ছেলে।

র‍্যাব-১৫ সূত্র জানায়, মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে দীর্ঘদিন ধরে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে আসছিল র‍্যাবের টেকনাফ ক্যাম্প। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (৬ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানার একটি মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামি আফছার হোয়াইক্যংয়ের নয়াবাজার এলাকায় অবস্থান করছেন। সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর র‍্যাবের একটি আভিযানিক দল দ্রুত সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে আফছার পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।

র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আফছার দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে থাকার কথা স্বীকার করেন।

র‍্যাবের তথ্যমতে, ২০১৫ সালে চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানায় দায়ের করা একটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় আদালত তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক।

তিনি অবগত করেন, মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারি ও আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে র‍্যাব-১৫ এর কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।