কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার বড় চালান দেশে প্রবেশের সময় অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা, ৫ রাউন্ড গুলি ও একটি বিদেশি পিস্তলসহ এক মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে অভিযানের সময় তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন পাচারকারী অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যায়।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আটক ব্যক্তির নাম লুৎফর রহমান (২১)। তিনি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার ক্যারেঙ্গাঘোনা গ্রামের নুর আহমেদের ছেলে।
বিজিবি ভাষ্য, গোপন গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপি’র একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ সংলগ্ন ক্যারেঙ্গাঘোনা বিজিবি পোস্ট এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে কয়েকজন পাচারকারী মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এসময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা দ্রুত গ্রামের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ধাওয়া চালিয়ে লুৎফর রহমানকে আটক করতে সক্ষম হয় টহল দল। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় একটি বিদেশি পিস্তল ও ৫ রাউন্ড তাজা গুলি। পরে ঘটনাস্থল ও আশপাশ এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি’র দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক লুৎফর রহমান মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হচ্ছিল বলে স্বীকার করেছেন। এ পাচার কাজে স্থানীয় আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলেও তিনি তথ্য দিয়েছেন।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, ইয়াবা পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আর লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে অস্ত্র এবং মাদক আইনে মামলা দিয়ে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিশেষ প্রতিবেদক: 























