টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় পৃথক অভিযানে ৭২ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে ৬৪ বিজিবি। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার, একটি অটোরিকশা, একটি গ্যাস সিলিন্ডার ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং বিজিবি চেকপোস্টে প্রথম অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। আটক ব্যক্তি হলেন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের গোদারবিল এলাকার মো. রফিকের ছেলে মো. তারেক (২৩)।
উখিয়া ৬৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, হ্নীলা থেকে কক্সবাজারগামী একটি প্রাইভেটকার চেকপোস্টে পৌঁছালে বিজিবি সদস্যরা নারকোটিক্স ডগ ‘হেনরী’র সহায়তায় তল্লাশি চালায়। একপর্যায়ে গাড়ির সামনের বাম্পারের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১৬টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। পরে প্যাকেটগুলো খুলে গণনা করে ৩২ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। ঘটনার পর প্রাইভেটকার চালক মো. তারেককে আটক করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক তারেক জানান, ইয়াবাগুলো হ্নীলা থেকে সংগ্রহ করে কক্সবাজারে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল।
অপরদিকে, বুধবার (১৪ মে ) সকাল আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটে উখিয়ার পালংখালী বিওপি এলাকায় পৃথক আরেকটি অভিযান চালানো হয়। সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে এবং পালংখালী বিওপি থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে উলুবনিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় গ্রামের দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশাকে সন্দেহ হলে সেটি থামানো হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে অটোরিকশায় থাকা একটি গ্যাস সিলিন্ডারের ভেতর থেকে চারটি কার্টনে রাখা ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এ সময় অটোরিকশা চালক শহিদুল ইসলাম বাবু (২২) কে আটক করা হয়। তিনি উখিয়া উপজেলার পূর্ব ফারির বিল এলাকার মৃত ফরিদ আলমের ছেলে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি স্বীকার করেন, মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন।
উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক জানান, মাদক সরবরাহকারী ও সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবা, জব্দ করা যানবাহন ও আটক ব্যক্তিদের উখিয়া ও টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 






















