ঢাকা ০২:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে সৌদিতে দেখা গেছে মুহাররমের চাঁদ, শুরু হলো ১৪৪৮ হিজরি নেইমারকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল ব্রাজিল প্রতিবাদের পর বিদ্যুৎ পাচ্ছে কুতুপালংয়ের ৩ শ পরিবার, সিআইসির প্রত্যাহার দাবী বিনানোটিশে স্থানীয়দের ৩শ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি! নয়াবাজারে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, অপহরণ চেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ দাবি প্রতিপক্ষের কুতুবদিয়ায় দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘মেসি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবে না’ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু টেকনাফে দুই বোটসহ ৭ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি পেকুয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষ: দুই যাত্রীর মৃত্যু কুতুবদিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব মনোনীত হলেন সাংবাদিক আবুল কাশেম রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে ইইউর সহযোগিতা চাইলেন মন্ত্রী টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী মনছুর আটক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি কাজল -রোহিঙ্গা ক্যাম্প মাদক ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির হেড কোয়ার্টার

ইমরান খানের ১৪ ও তার স্ত্রীর ৭ বছরের কারাদণ্ড

  • টিটিএন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:০৮:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • 547

আল-কাদির ট্রাস্ট মামলায় জেলবন্দি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। একই মামলায় তার স্ত্রী বুশরা খান বিবিকেও ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে। ইমরান খানকে এক মিলিয়ন রুপি এবং বুশরাকে পাঁচ লাখ রুপি জরিমানা দিতে হবে। জরিমানা দিতে ব্যর্থ হলে ইমরান খানকে আরও ছয় মাসের জেল এবং বুশরা বিবিকে তিন মাসের জেল ভোগ করতে হবে।

পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনের পর ২০২৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় অভিযুক্ত হন পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খান ও বুশরা। মামলাটি আল-কাদির ট্রাস্ট নামে একটি দাতব্য সংস্থাকে ঘিরে, যা ২০১৮ সালে ইমরান খান ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ওই সময় ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের দাবি, এই ট্রাস্টটি আসলে ছদ্মবেশী সংস্থা, যার মাধ্যমে ইমরান খান ও বুশরা খান দেশের অন্যতম প্রভাবশালী রিয়েল-এস্টেট ব্যবসায়ী মালিক রিয়াজ হুসেইনের কাছ থেকে ঘুস হিসেবে মূল্যবান জমি গ্রহণ করেছেন। মালিক রিয়াজ হুসেইনকে পাকিস্তানের ধনী ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের একজন ভাবা হয়। ইমরান খান ও বুশরা খান সবাই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

শুক্রবারের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় পিটিআই জানিয়েছে, তারা বিস্তারিত রায়ের জন্য অপেক্ষা করছে এবং তাদের দাবি, ইমরান খান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা মামলাটি ভিত্তিহীন।

পিটিআইয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সব প্রমাণ এবং সাক্ষীদের বক্তব্যে স্পষ্ট যে এখানে কোনো দুর্নীতি বা অব্যবস্থাপনার ঘটনা ঘটেনি। ইমরান খান ও বুশরা বিবি কেবল ট্রাস্টি হিসেবে ছিলেন, এর বাইরে তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে

ইমরান খানের ১৪ ও তার স্ত্রীর ৭ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:০৮:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫

আল-কাদির ট্রাস্ট মামলায় জেলবন্দি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। একই মামলায় তার স্ত্রী বুশরা খান বিবিকেও ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের অর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে। ইমরান খানকে এক মিলিয়ন রুপি এবং বুশরাকে পাঁচ লাখ রুপি জরিমানা দিতে হবে। জরিমানা দিতে ব্যর্থ হলে ইমরান খানকে আরও ছয় মাসের জেল এবং বুশরা বিবিকে তিন মাসের জেল ভোগ করতে হবে।

পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনের পর ২০২৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় অভিযুক্ত হন পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খান ও বুশরা। মামলাটি আল-কাদির ট্রাস্ট নামে একটি দাতব্য সংস্থাকে ঘিরে, যা ২০১৮ সালে ইমরান খান ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ওই সময় ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের দাবি, এই ট্রাস্টটি আসলে ছদ্মবেশী সংস্থা, যার মাধ্যমে ইমরান খান ও বুশরা খান দেশের অন্যতম প্রভাবশালী রিয়েল-এস্টেট ব্যবসায়ী মালিক রিয়াজ হুসেইনের কাছ থেকে ঘুস হিসেবে মূল্যবান জমি গ্রহণ করেছেন। মালিক রিয়াজ হুসেইনকে পাকিস্তানের ধনী ও ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের একজন ভাবা হয়। ইমরান খান ও বুশরা খান সবাই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

শুক্রবারের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় পিটিআই জানিয়েছে, তারা বিস্তারিত রায়ের জন্য অপেক্ষা করছে এবং তাদের দাবি, ইমরান খান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা মামলাটি ভিত্তিহীন।

পিটিআইয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সব প্রমাণ এবং সাক্ষীদের বক্তব্যে স্পষ্ট যে এখানে কোনো দুর্নীতি বা অব্যবস্থাপনার ঘটনা ঘটেনি। ইমরান খান ও বুশরা বিবি কেবল ট্রাস্টি হিসেবে ছিলেন, এর বাইরে তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না।