শহরের কলাতলীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৬ জন আহত হয়েছে। তার মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ কলাতলী হোটেল সায়মানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
দুপক্ষের আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে জরুরি বিভাগের সামনে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পসলা সংঘর্ষও হয় এসময়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, আহত আরাফাত রহমান বাবুকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে আবারও সংঘর্ষে জড়ায় কয়েকজন। এ সময় মিজানুর রহমান, মার্সি ও আরাফাত রহমান,আরিফ, হৃদয়, আইয়ুব গুরুতর আহত হন। তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় রিদুয়ান ও সিহাব নামের আরো ২ জন আহত হওয়ার খবর জানা গেলেও তাদের বিস্তারিত জানা যায়নি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত মিজানুর রহমানের বাম হাত গুরুতর জখম হওয়ায় কেটে ফেলতে হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর বাম পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। আরাফাত রহমান বাবুর বাম পায়েও ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
অপর পক্ষের আরিফ নামের এক যুবক পেটে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন।চিকিৎসকেরা জানান, ছুরিকাঘাতে তাঁর পেটে গুরুতর জখম হয়েছে।
এদিকে কেনো এই সংঘষ? তার উত্তরে কেউ বলছেন বাইক রাখা কে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ হয়, আবার কেউ বলছে বীচে দোকান বসানোর ঘটনায় বাকবিতন্ডা হয় সেখান থেকেই ঘটনার সূত্রপাত, আবার এমনও বলতে শোনা গেছে যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার কিংবা চন্দ্রিমা এলাকায় একটি হত্যাকান্ড ঘিরে পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হামলা হয়ে থাকতে পারে। তবে দুপক্ষের আগে থেকেই দ্বন্দ্ব ছিলো এটা নিশ্চিত করেছে স্থানীয় একটি সূত্র। নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে সূত্রটি বলছে ফকির গ্রুপ আর সোহেল বাহিনীর মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষ।
এব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ছমিউদ্দিন বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিলো। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনিপদক্ষেপ নেয়া হবে।’
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আরিফ ও সিহাব নামের দুজন কে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সম্প্রতি কলাতলী এলাকায় বখাটেদের উৎপাত বেড়েছে উল্লেখযোগ্যহারে। বিভিন্ন নামে গ্রুপ ও বাহিনী গঠন করে নানান অপরাধমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
তানভীর শিপু : 




















