ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩০ বছর পর সালমান শাহ’র লাশ উত্তোলন, ময়নাতদন্তে কি মিলবে মৃত্যুর রহস্য? সদর হাসপাতাল এলাকা থেকে ১৭ হাজার ইয়াবাসহ স্বামী স্ত্রী আটক ৩ দিন পার হলেও মিলেনি উখিয়ার আড়াই বছরের শিশু নুসাইবার সন্ধান বৃষ্টি উপেক্ষা করে সৈকতে পর্যটকের সমাগম, ভিন্ন রূপে কক্সবাজার গর্জনিয়ায় বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটি সক্রিয়করণ সভা অনুষ্ঠিত টেকনাফের শামলাপুরে এলজিইডি সড়ক ভেঙে জনদুর্ভোগ, সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন মাসিক সভায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশনা কক্সবাজার পুলিশ সুপারের পেকুয়ায় গৃহবধূ কাজল হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ টেকনাফে ৩০ হাজার ইয়াবা ও ৪টি মোটরসাইকেলসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ বাংলাদেশি নিহত বন্ধ কারখানা চালুতে বিনিয়োগকারীদের সহায়তার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপের জার্সির পেছনে ১৮৯৩ লেখা কেন আকাশপথে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, কক্সবাজার বিমানবন্দরে ইয়াবাসহ আটক হলো এক নারী বাংলাদেশের কাছেও ৭ গোল খেয়েছিল ব্রাজিল!
পরিবেশ উপদেষ্টা

সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষায় নতুন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে সরকার

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়ার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। এ পরিকল্পনার মাধ্যমে ডলফিন, তিমি, হাঙর, শাপলাপাতা মাছ, ও সামুদ্রিক কাছিমসহ বিপন্ন সামুদ্রিক প্রাণী এবং তাদের বাসস্থান রক্ষা করা হবে।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়ার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা জানান, এ পরিকল্পনা টেকসই মৎস্য আহরণ, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা রক্ষা এবং সুনীল অর্থনীতির বিকাশে সহায়ক হবে। পরিকল্পনায় মৎস্য আহরণ, জাহাজ চলাচল, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, এবং পর্যটন নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, পরিকল্পনায় তিনটি এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে— মাছের প্রজনন ও পোনা লালন-পালনের এলাকা, সামুদ্রিক বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এলাকা, এবং টেকসই মৎস্য আহরণ এলাকা। সংরক্ষিত এলাকার পরিধি ১,৭৩৮ বর্গকিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৬,৮৬৬ বর্গকিলোমিটার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস, যুগ্মসচিব (বন) শামিমা বেগম এবং উপপ্রধান বন সংরক্ষক ও সুফল প্রকল্পের পরিচালক গোবিন্দ রায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রণীত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন— ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন সোসাইটির সিনিয়র অ্যাডভাইজার ড. সৈয়দ আরিফ আজাদ।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এই উদ্যোগটি বিভিন্ন সংস্থা ও উপকূলীয় জনগণের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে। এটি সামুদ্রিক সম্পদের সুষম ব্যবহার ও পরিবেশ সংরক্ষণের ভারসাম্য নিশ্চিত করবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

৩০ বছর পর সালমান শাহ’র লাশ উত্তোলন, ময়নাতদন্তে কি মিলবে মৃত্যুর রহস্য?

পরিবেশ উপদেষ্টা

সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষায় নতুন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে সরকার

আপডেট সময় : ০৪:২৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়ার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। এ পরিকল্পনার মাধ্যমে ডলফিন, তিমি, হাঙর, শাপলাপাতা মাছ, ও সামুদ্রিক কাছিমসহ বিপন্ন সামুদ্রিক প্রাণী এবং তাদের বাসস্থান রক্ষা করা হবে।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়ার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা জানান, এ পরিকল্পনা টেকসই মৎস্য আহরণ, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা রক্ষা এবং সুনীল অর্থনীতির বিকাশে সহায়ক হবে। পরিকল্পনায় মৎস্য আহরণ, জাহাজ চলাচল, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, এবং পর্যটন নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, পরিকল্পনায় তিনটি এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে— মাছের প্রজনন ও পোনা লালন-পালনের এলাকা, সামুদ্রিক বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এলাকা, এবং টেকসই মৎস্য আহরণ এলাকা। সংরক্ষিত এলাকার পরিধি ১,৭৩৮ বর্গকিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৬,৮৬৬ বর্গকিলোমিটার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস, যুগ্মসচিব (বন) শামিমা বেগম এবং উপপ্রধান বন সংরক্ষক ও সুফল প্রকল্পের পরিচালক গোবিন্দ রায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রণীত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন— ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন সোসাইটির সিনিয়র অ্যাডভাইজার ড. সৈয়দ আরিফ আজাদ।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এই উদ্যোগটি বিভিন্ন সংস্থা ও উপকূলীয় জনগণের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে। এটি সামুদ্রিক সম্পদের সুষম ব্যবহার ও পরিবেশ সংরক্ষণের ভারসাম্য নিশ্চিত করবে।