ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বপ্নের সমাপ্তি হতে পারে কয়েক সেকেন্ডে, আবার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে লেগে যেতে পারে বছরের পর বছর কক্সবাজারে পর্যটন শিল্প ধ্বংসের পায়তারা চলছে – এমপি কাজল : উচ্ছেদ অভিযান বন্ধের দাবি তাঁর ইনানীর আগুন নিয়ে বাপেক্স প্রতিনিধি দলের সতর্কবার্তা—জোর করে নেভালে ঘটতে পারে বড় বিপর্যয় লোহাগাড়ার ইউএনওর সঙ্গে বিএনপি নেতা জাহেদ চৌধুরীর বাকবিতণ্ডা পেকুয়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. কামাল হোসেনের জানাজা দুপুর ২ টায় ঘূর্ণিঝড় “অর্ণব” বুধবার আঘাত হানতে পারে : কক্সবাজারে ৩ নং সংকেত ১০ মরদেহ হস্তান্তরের দিন উদ্ধার নিখোঁজ শিক্ষিকা মুক্তার দেহাবশেষ : নিহত বেড়ে ১১ ১০ দিন পর মিলল মুক্তার দেহাবশেষ, গলার লকেটেই স্ত্রীকে চিনলেন স্বামী কক্সবাজারে এসে পৌঁছাল মহানগর এক্সপ্রেসের প্রথম ট্রেন, পর্যটন মৌসুমে বাড়তি সুবিধার আশা পর্যটনের পাশাপাশি সংস্কৃতিতেও এগিয়ে যাবে কক্সবাজার: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী পেকুয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. কামাল হোসেনের ইন্তেকাল জ্বালানি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্নব’, সারাদেশে বৃষ্টির আভাস টেকনাফের বাহারছড়ার রিদুয়ান বাহিনীর সদস্য আব্দুর রহিম আটক মাটি থেকে বের হচ্ছে আগুন, গ্যাসের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ইনানী
পরিবেশ উপদেষ্টা

সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষায় নতুন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে সরকার

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়ার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। এ পরিকল্পনার মাধ্যমে ডলফিন, তিমি, হাঙর, শাপলাপাতা মাছ, ও সামুদ্রিক কাছিমসহ বিপন্ন সামুদ্রিক প্রাণী এবং তাদের বাসস্থান রক্ষা করা হবে।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়ার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা জানান, এ পরিকল্পনা টেকসই মৎস্য আহরণ, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা রক্ষা এবং সুনীল অর্থনীতির বিকাশে সহায়ক হবে। পরিকল্পনায় মৎস্য আহরণ, জাহাজ চলাচল, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, এবং পর্যটন নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, পরিকল্পনায় তিনটি এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে— মাছের প্রজনন ও পোনা লালন-পালনের এলাকা, সামুদ্রিক বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এলাকা, এবং টেকসই মৎস্য আহরণ এলাকা। সংরক্ষিত এলাকার পরিধি ১,৭৩৮ বর্গকিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৬,৮৬৬ বর্গকিলোমিটার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস, যুগ্মসচিব (বন) শামিমা বেগম এবং উপপ্রধান বন সংরক্ষক ও সুফল প্রকল্পের পরিচালক গোবিন্দ রায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রণীত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন— ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন সোসাইটির সিনিয়র অ্যাডভাইজার ড. সৈয়দ আরিফ আজাদ।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এই উদ্যোগটি বিভিন্ন সংস্থা ও উপকূলীয় জনগণের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে। এটি সামুদ্রিক সম্পদের সুষম ব্যবহার ও পরিবেশ সংরক্ষণের ভারসাম্য নিশ্চিত করবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্বপ্নের সমাপ্তি হতে পারে কয়েক সেকেন্ডে, আবার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে লেগে যেতে পারে বছরের পর বছর

পরিবেশ উপদেষ্টা

সামুদ্রিক প্রাণী রক্ষায় নতুন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে সরকার

আপডেট সময় : ০৪:২৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়ার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে। এ পরিকল্পনার মাধ্যমে ডলফিন, তিমি, হাঙর, শাপলাপাতা মাছ, ও সামুদ্রিক কাছিমসহ বিপন্ন সামুদ্রিক প্রাণী এবং তাদের বাসস্থান রক্ষা করা হবে।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়ার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা জানান, এ পরিকল্পনা টেকসই মৎস্য আহরণ, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা রক্ষা এবং সুনীল অর্থনীতির বিকাশে সহায়ক হবে। পরিকল্পনায় মৎস্য আহরণ, জাহাজ চলাচল, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, এবং পর্যটন নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, পরিকল্পনায় তিনটি এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে— মাছের প্রজনন ও পোনা লালন-পালনের এলাকা, সামুদ্রিক বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এলাকা, এবং টেকসই মৎস্য আহরণ এলাকা। সংরক্ষিত এলাকার পরিধি ১,৭৩৮ বর্গকিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৬,৮৬৬ বর্গকিলোমিটার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস, যুগ্মসচিব (বন) শামিমা বেগম এবং উপপ্রধান বন সংরক্ষক ও সুফল প্রকল্পের পরিচালক গোবিন্দ রায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রণীত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন— ওয়ার্ল্ড কনজারভেশন সোসাইটির সিনিয়র অ্যাডভাইজার ড. সৈয়দ আরিফ আজাদ।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এই উদ্যোগটি বিভিন্ন সংস্থা ও উপকূলীয় জনগণের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে। এটি সামুদ্রিক সম্পদের সুষম ব্যবহার ও পরিবেশ সংরক্ষণের ভারসাম্য নিশ্চিত করবে।