বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আল্লাহর কাজ বান্দা করতে চায় (নাউজুবিল্লাহ)। আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছি, জামায়াতের অনেক নেতা ও তাদের প্রার্থীরা বলেন, এবার নাকি তাদের ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে, তাহলে আগে যারা মারা গেছে তাদের অবস্থা কি হবে? আমাদের সম্মানিত মুরব্বি হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন, “জামায়াতে ভোট দেওয়া হারাম”। আমরা মদিনার ইসলামে বিশ্বাস করি, মওদুদীর ইসলামে বিশ্বাস করি না।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে মহেশখালীতে কক্সবাজার-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপির শীর্ষ এই নেতা জামায়াতের উদ্দেশে বলেন, চরমোনাই পীরের ভাষায় বলি, আপনারা যদি শরীয়াহ আইন না চান, নামের সঙ্গে ইসলাম শব্দ বাদ দেন। কোনো দলের নামের সঙ্গে ইসলামী দল থাকলে সেটা ইসলামী দল হয়ে যায় না। আমাদের এখানে অনেক নুরুল ইসলাম আছে। ইসলামের নামে ধোকা দেওয়া বন্ধ করেন।
তিনি বলেন, আপনারা দয়া করে ইসলামের ক্ষতি করবেন না, ইসলামের নামে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করবেন না। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করা আমাদের অঙ্গীকার, আপনারাও ইশতেহারে সংবিধানের কথা বলেছেন। দয়া করে সেখানে ইসলাম টেনে আনবেন না। এবার নাকি তলোয়ারে নয়, ব্যালটে যুদ্ধ হবে। আমার এলাকায় একজন বলেছেন, ব্যালটে যুদ্ধ হলে কোরআনের বিজয় হবে (আস্তাগাফিরুল্লাহ)। এরা একটি ভোটের জন্য, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য যা খুশি মন চায় বলছে।
সভায় তিনি বিএনপি প্রার্থীর জন্য ধানের শীষে ভোট চেয়ে বলেন, বিএনপি জনগণের দল, সারা দেশে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ দেশের মানুষ বিশ্বাস করে আগামীর সরকার বিএনপির সরকার। আমরা আশা রাখি, আপনারা আমার ভাই আলমগীর ফরিদকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাবেন, ইনশাআল্লাহ।
সভার বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ বলেন, জনকল্যাণের রাজনীতির মাধ্যমে এ অঞ্চলের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে নির্বাচনে আপাদের মুল্যবান সমর্থন, দোয়া ও ধানের শীষ প্রতীকে ভোট কামনা করছি। আপনাদের সন্তানকে বিজয়ীর বেশে দেখতে আপনাদের ভালো লাগবে।
সালাহউদ্দিনের আগমনকে ঘিরে লোকে লোকারণ্যে পরিপূর্ণ ছিল সভাস্থল, বিপুল পরিমাণ নেতাকর্মী-সমর্থক মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার প্রায় সব ইউনিয়ন থেকে সভায় উপস্থিত ছিলেন।
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক 



















