ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফ সদর বিভক্তি: ‘উপকূলীয় ইউনিয়ন’ নাম প্রস্তাব নিয়ে স্থানীয়দের তীব্র ক্ষোভ কক্সবাজারে এসএসসির চেয়ে দাখিল-ভোকেশনালে পাসের হার বেশি কক্সবাজারে ডাবল মার্ডারের আসামি সাদ্দাম গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত উদ্বোধনের অপেক্ষায় পেকুয়ার নোয়াখালী সেতু, স্বস্তিতে কয়েক হাজার মানুষ রামুতে মায়ের হাতে ২ মাসের শিশু জবাই : মা আটক আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নের সমাধান ছাড়া ভারতের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়: নাহিদ ইসলাম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস সোনার ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছাড়াল আগামী ১২ আগস্ট বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব সমুদ্র শহরের ‘চন্দন ডাক্তার’কে হারানোর এক বছর, আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী এসএসসিতে কক্সবাজার জেলায় প্রথম নাবিহা নওরিন কক্সবাজারে এসএসসির ফলে ছেলেদের পেছনে ফেলে মেয়েরা এগিয়ে বদরখালী কলোনীজেশন উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগে থেকে গোল্ডেন A+ পেল সাদিয়া আফরিন কনক

সাংবাদিক আতিককে অপহরণ ও হামলার ঘটনায় ‘আদালতে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রামু উপজেলার খুনিয়া পালং ইউনিয়নের বড়ডেবা এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন জাতীয় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি এবং দৈনিক আমাদের কক্সবাজার পত্রিকার উখিয়া উপজেলা প্রতিনিধি আতিকুর রহমান।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩ নভেম্বর বিকাল ৩টার দিকে। জানা গেছে, ভূমিদস্যু, পাহাড়খেকো ও জবরদখলকারী একদল সন্ত্রাসী পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাংবাদিক আতিককে অপহরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে মারধর করে। এ সময় তারা তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, ক্যামেরা, নগদ ৭০ হাজার টাকা, মোটরসাইকেল এবং পত্রিকার পরিচয়পত্র কেড়ে নেয়। পরে মুক্তিপণ হিসেবে আরও দুই লক্ষ টাকা দাবি করে অপহরণকারীরা।

এছাড়া, অপহরণকারীরা ঘটনাস্থলে ভিডিও ধারণ করে মিথ্যা তথ্য প্রচারের উদ্দেশ্যে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। পরে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে সাংবাদিক আতিকের কাছ থেকে জোরপূর্বক ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায় করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর আতিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিলে তাকে পুনরায় অপহরণ করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এ ঘটনায় আতিকুর রহমান নিজে বাদী হয়ে আদালতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আসামিরা হলেন— দক্ষিণ দারিয়ারদিঘী হেডম্যানপাড়া এলাকার বদিউল আলমের পুত্র মোহাম্মদ ফয়সাল, বড়ডেবা এলাকার মোহাম্মদের পুত্র আল রুবায়েত রনি, হামিদুল হক সিকদারের পুত্র নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা জিয়াউল হক, মৃত সুলতানের পুত্র সিএনজি চালক আব্দুর রহমান, ধেছুয়াপালং এলাকার শাহ আলমের পুত্র রিদুয়ান পারভেজ রুবেল—সহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফ সদর বিভক্তি: ‘উপকূলীয় ইউনিয়ন’ নাম প্রস্তাব নিয়ে স্থানীয়দের তীব্র ক্ষোভ

সাংবাদিক আতিককে অপহরণ ও হামলার ঘটনায় ‘আদালতে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ১১:১৮:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

রামু উপজেলার খুনিয়া পালং ইউনিয়নের বড়ডেবা এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন জাতীয় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি এবং দৈনিক আমাদের কক্সবাজার পত্রিকার উখিয়া উপজেলা প্রতিনিধি আতিকুর রহমান।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩ নভেম্বর বিকাল ৩টার দিকে। জানা গেছে, ভূমিদস্যু, পাহাড়খেকো ও জবরদখলকারী একদল সন্ত্রাসী পূর্বপরিকল্পিতভাবে সাংবাদিক আতিককে অপহরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে মারধর করে। এ সময় তারা তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, ক্যামেরা, নগদ ৭০ হাজার টাকা, মোটরসাইকেল এবং পত্রিকার পরিচয়পত্র কেড়ে নেয়। পরে মুক্তিপণ হিসেবে আরও দুই লক্ষ টাকা দাবি করে অপহরণকারীরা।

এছাড়া, অপহরণকারীরা ঘটনাস্থলে ভিডিও ধারণ করে মিথ্যা তথ্য প্রচারের উদ্দেশ্যে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। পরে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে সাংবাদিক আতিকের কাছ থেকে জোরপূর্বক ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায় করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর আতিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিলে তাকে পুনরায় অপহরণ করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এ ঘটনায় আতিকুর রহমান নিজে বাদী হয়ে আদালতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আসামিরা হলেন— দক্ষিণ দারিয়ারদিঘী হেডম্যানপাড়া এলাকার বদিউল আলমের পুত্র মোহাম্মদ ফয়সাল, বড়ডেবা এলাকার মোহাম্মদের পুত্র আল রুবায়েত রনি, হামিদুল হক সিকদারের পুত্র নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা জিয়াউল হক, মৃত সুলতানের পুত্র সিএনজি চালক আব্দুর রহমান, ধেছুয়াপালং এলাকার শাহ আলমের পুত্র রিদুয়ান পারভেজ রুবেল—সহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে।