ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওপেন হার্ট সার্জারি শেষে ঘরে ফিরলেন অভিনেতা ‘আমাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল’ হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ: জিনিয়া শারমিন রিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ রামুতে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন, দাম্পত্যকলহ নাকি পরকীয়া?  নিজেরসহ পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রকাশ করলেন আসিফ মাহমুদ ‘সুপ্রভাত কক্সবাজার’-এর ইফতার ও শুভেচ্ছা আড্ডা অনুষ্ঠিত পোকখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় ফরিদুল আলম ফরিদ উখিয়ায় অস্ত্রসহ ৫ রোহিঙ্গা ডাকাত আটক ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কলাতলী গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন খেজুর কেন ইফতারে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী? মন্ত্রণালয় কমল ৮ প্রতিমন্ত্রীর, দায়িত্ব বাড়ল ২ উপদেষ্টার তালিকা করে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের সাবমেরিন-সহ ১৭টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করেছে যুক্তরাষ্ট্র

খালি নেই হোটেলের রুম, লাগেজ ও ব্যাগ নিয়ে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকরা 

সপ্তাহিক ছুটিতে যেনো জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে সমুদ্র শহর কক্সবাজার। পর্যটকদের অনেকেই হোটেলে রুম না পেয়ে লাগেজ বা ব্যাগ নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন বালিয়াড়িতে। শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেলের কোথাও খালি কক্ষ নেই।

সমুদ্র সৈকত ছাড়াও কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ, দরিয়ানগর পর্যটন পল্লি, হিমছড়ির ঝরনা, পাথুরে সৈকত ইনানী-পাটুয়ারটেক, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, ঐতিহাসিক প্রেমের নিদর্শন মাথিন কূপ, নেচার পার্ক, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক, রামুর বৌদ্ধ পল্লীসহ বিনোদন কেন্দ্রগুলো এখন জমজমাট। রুম না পেয়ে বাধ্য হয়ে কক্সবাজারও ছাড়তে হচ্ছে অনেককে।

শুক্রবার (২০ডিসেম্বর) সকাল থেকে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে, বালিয়াড়িতে ভিড় করেছে লাখো পর্যটক। বালিয়াড়ির সামনে নীল জলরাশিতেও মানুষের ভিড়। সবাই মেতেছেন বাধভাঙ্গা আনন্দ-উল্লাসে।

ভোলা থেকে আগত পর্যটক শাহিন বলেন,গতকাল রাতে কক্সবাজারে এসে পৌঁছেছি।রাত থেকে এখনো রুম পাইনি।বাধ্য হয়ে সৈকতের চেয়ারে রাত কাটিয়েছি।রুম যখন পাচ্ছি না তাই বাধ্য হয়ে হয়ে চলে যাচ্ছি।

শফিক নামে আরেক পর্যটক বলেন, ভোরে পরিবারের সাত সদস্য নিয়ে কক্সবাজারে ভ্রমনে এসেছি।এখনো পর্যন্ত রুম পাইনি। কটেজে ২টি রুম পেয়েছি সেটি মানসম্মত না। উল্টো প্রতি রাত ১০হাজার করে খুঁজে। এখন বীচে পা ভিজিয়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।

সৈকত নামে আরেক পর্যটক বলেন, বাস থেকে নেমে এখনো রুম পাইনি। রুম খুঁজতেছি। কিন্তু এখনো সৈকতে পা রাখার সুযোগ হয়নি।

কক্সবাজার হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম বলেন, সপ্তাহিক ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল নেমেছে। হোটেল রুম খালি নেই।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আবুল কালাম বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে লাখো পর্যটকের আগমন হয়েছে। তাদের নিরাপত্তায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

খালি নেই হোটেলের রুম, লাগেজ ও ব্যাগ নিয়ে কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকরা 

আপডেট সময় : ০১:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪

সপ্তাহিক ছুটিতে যেনো জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে সমুদ্র শহর কক্সবাজার। পর্যটকদের অনেকেই হোটেলে রুম না পেয়ে লাগেজ বা ব্যাগ নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন বালিয়াড়িতে। শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেলের কোথাও খালি কক্ষ নেই।

সমুদ্র সৈকত ছাড়াও কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ, দরিয়ানগর পর্যটন পল্লি, হিমছড়ির ঝরনা, পাথুরে সৈকত ইনানী-পাটুয়ারটেক, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, ঐতিহাসিক প্রেমের নিদর্শন মাথিন কূপ, নেচার পার্ক, ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক, রামুর বৌদ্ধ পল্লীসহ বিনোদন কেন্দ্রগুলো এখন জমজমাট। রুম না পেয়ে বাধ্য হয়ে কক্সবাজারও ছাড়তে হচ্ছে অনেককে।

শুক্রবার (২০ডিসেম্বর) সকাল থেকে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে, বালিয়াড়িতে ভিড় করেছে লাখো পর্যটক। বালিয়াড়ির সামনে নীল জলরাশিতেও মানুষের ভিড়। সবাই মেতেছেন বাধভাঙ্গা আনন্দ-উল্লাসে।

ভোলা থেকে আগত পর্যটক শাহিন বলেন,গতকাল রাতে কক্সবাজারে এসে পৌঁছেছি।রাত থেকে এখনো রুম পাইনি।বাধ্য হয়ে সৈকতের চেয়ারে রাত কাটিয়েছি।রুম যখন পাচ্ছি না তাই বাধ্য হয়ে হয়ে চলে যাচ্ছি।

শফিক নামে আরেক পর্যটক বলেন, ভোরে পরিবারের সাত সদস্য নিয়ে কক্সবাজারে ভ্রমনে এসেছি।এখনো পর্যন্ত রুম পাইনি। কটেজে ২টি রুম পেয়েছি সেটি মানসম্মত না। উল্টো প্রতি রাত ১০হাজার করে খুঁজে। এখন বীচে পা ভিজিয়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।

সৈকত নামে আরেক পর্যটক বলেন, বাস থেকে নেমে এখনো রুম পাইনি। রুম খুঁজতেছি। কিন্তু এখনো সৈকতে পা রাখার সুযোগ হয়নি।

কক্সবাজার হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম বলেন, সপ্তাহিক ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল নেমেছে। হোটেল রুম খালি নেই।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আবুল কালাম বলেন, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে লাখো পর্যটকের আগমন হয়েছে। তাদের নিরাপত্তায় আমরা কাজ করে যাচ্ছি।