ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে হুইল চেয়ার,ট্রলি সরবরাহ এবং দালালের দৌরাত্ম বন্ধের নির্দেশ রমজান মাসের অমূল্য রত্ন রোজাদারের দোয়া মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে? ওপেন হার্ট সার্জারি শেষে ঘরে ফিরলেন অভিনেতা ‘আমাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল’ হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ: জিনিয়া শারমিন রিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ রামুতে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন, দাম্পত্যকলহ নাকি পরকীয়া?  নিজেরসহ পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রকাশ করলেন আসিফ মাহমুদ ‘সুপ্রভাত কক্সবাজার’-এর ইফতার ও শুভেচ্ছা আড্ডা অনুষ্ঠিত পোকখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় ফরিদুল আলম ফরিদ উখিয়ায় অস্ত্রসহ ৫ রোহিঙ্গা ডাকাত আটক ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কলাতলী গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন খেজুর কেন ইফতারে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী?

জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ প্রথম পর্বে খাগড়াছড়িকে ২-০ গোলে হারালো কক্সবাজার

দেশজুড়ে নতুন করে ফুটবলের উন্মাদনা ছড়িয়ে দিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) যৌথভাবে আয়োজন করেছে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ। “তারুণ্যের উৎসব”-এর অংশ হিসেবে আয়োজিত চ্যাম্পিয়নশীপের প্রথম পর্বে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে কক্সবাজার জেলা দল। খাগড়াছড়িকে ২-০ গোলে হারিয়ে মাঠ ছাড়ে কক্সবাজার।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) শহীদ ওয়াসিম জোন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে কক্সবাজারের হয়ে জোড়া গোল করেন মোহাম্মদ কায়সার। এর মধ্যে একটি আসে পেনাল্টি থেকে। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা উপহার দিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে কক্সবাজার দল। সফরকারী খাগড়াছড়িও বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ পাই। কিন্তু দক্ষ ফরোয়ার্ডের অভাবে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি তারা। কক্সবাজারের জাহাঙ্গীর, কায়সার, হেলাল ও বাবু পুরো ম্যাচ জুড়ে দারুণ পারফরম্যান্স দেখান। অপরদিকে খাগড়াছড়ির হয়ে ভালো পারফরম্যান্স করেছে রাসেল ও রাজু মারমা। তবে তারা দলকে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিতে পারেননি।

দলকে দুই গোলে জয় এনে দিয়ে ম্যাচ সেরা হন কায়সার। তাঁকে ট্রফি তুলে দেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য মুহাম্মদ হোসাইন, সরওয়ার রোমন, সালাহউদ্দিন ও জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ।

খেলা শেষে কক্সবাজার দলের হেড কোচ মাসুদ আলম বলেন, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ির হোম ভেন্যুতে তাদের সাথে অ্যাওয়ে মাচ খেলবো। এ জন্য আমরা আরও পরিকল্পনা গ্রহণ করছি। দলে থাকবে অভিজ্ঞ আরও কয়েকজন খেলোয়াড়।

খাগড়াছড়ি জেলা দলের কোচ তুহিন বড়ুয়া বলেন, আমরা অনুশীলনের জন্য সময় পাইনি। এ জন্য দল গঠন আশানুরূপ হয়নি। তবে আশা করছি আগামী ম্যাচে আমরা ঘুরে দাঁড়াবো।

জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের এই আসরে অংশ নিচ্ছে দেশের ৬৪টি জেলা। প্রাথমিক রাউন্ডে ৬৪ জেলা ৮টি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলছে। প্রথম দুই ধাপ হচ্ছে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে। সেখান থেকে ৬৪ দল কমে হবে ৩২, এরপর ১৬। শেষ পর্যন্ত নকআউট পর্বে সেমিফাইনাল শেষে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় স্টেডিয়াম ঢাকায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ প্রথম পর্বে খাগড়াছড়িকে ২-০ গোলে হারালো কক্সবাজার

আপডেট সময় : ০৮:৫০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দেশজুড়ে নতুন করে ফুটবলের উন্মাদনা ছড়িয়ে দিতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) যৌথভাবে আয়োজন করেছে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ। “তারুণ্যের উৎসব”-এর অংশ হিসেবে আয়োজিত চ্যাম্পিয়নশীপের প্রথম পর্বে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে কক্সবাজার জেলা দল। খাগড়াছড়িকে ২-০ গোলে হারিয়ে মাঠ ছাড়ে কক্সবাজার।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) শহীদ ওয়াসিম জোন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে কক্সবাজারের হয়ে জোড়া গোল করেন মোহাম্মদ কায়সার। এর মধ্যে একটি আসে পেনাল্টি থেকে। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা উপহার দিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে কক্সবাজার দল। সফরকারী খাগড়াছড়িও বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ পাই। কিন্তু দক্ষ ফরোয়ার্ডের অভাবে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি তারা। কক্সবাজারের জাহাঙ্গীর, কায়সার, হেলাল ও বাবু পুরো ম্যাচ জুড়ে দারুণ পারফরম্যান্স দেখান। অপরদিকে খাগড়াছড়ির হয়ে ভালো পারফরম্যান্স করেছে রাসেল ও রাজু মারমা। তবে তারা দলকে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিতে পারেননি।

দলকে দুই গোলে জয় এনে দিয়ে ম্যাচ সেরা হন কায়সার। তাঁকে ট্রফি তুলে দেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য মুহাম্মদ হোসাইন, সরওয়ার রোমন, সালাহউদ্দিন ও জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ।

খেলা শেষে কক্সবাজার দলের হেড কোচ মাসুদ আলম বলেন, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ির হোম ভেন্যুতে তাদের সাথে অ্যাওয়ে মাচ খেলবো। এ জন্য আমরা আরও পরিকল্পনা গ্রহণ করছি। দলে থাকবে অভিজ্ঞ আরও কয়েকজন খেলোয়াড়।

খাগড়াছড়ি জেলা দলের কোচ তুহিন বড়ুয়া বলেন, আমরা অনুশীলনের জন্য সময় পাইনি। এ জন্য দল গঠন আশানুরূপ হয়নি। তবে আশা করছি আগামী ম্যাচে আমরা ঘুরে দাঁড়াবো।

জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের এই আসরে অংশ নিচ্ছে দেশের ৬৪টি জেলা। প্রাথমিক রাউন্ডে ৬৪ জেলা ৮টি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলছে। প্রথম দুই ধাপ হচ্ছে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে। সেখান থেকে ৬৪ দল কমে হবে ৩২, এরপর ১৬। শেষ পর্যন্ত নকআউট পর্বে সেমিফাইনাল শেষে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় স্টেডিয়াম ঢাকায়।